দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

বিএনপি নেতার সঙ্গে কুমিল্লার এক আওয়ামী লীগ নেতার কথোপকথনের রেকর্ড ফাঁস হয়েছে। সেখানে নিজ দলের বিরুদ্ধেই আওয়ামী লীগ নেতাকে বিষোদ্গার করতে শোনা যাচ্ছে। সেই সঙ্গে বিএনপিকে শক্ত বিরোধী দল হিসেবে সক্রিয় হওয়ারও তাগিদ দেন তিনি।
কথোপকথনটি দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদের বিএনপি মনোনীত সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল আমীনের সঙ্গে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাস্টারের বলে জানা গেছে।
গতকাল সোমবার রাতে ফেসবুকে ফাঁস হওয়া ওই কথোপকথনের রেকর্ডে রোশন আলী মাস্টারকে বলতে শোনা যায়, ‘যারা নৌকা করে, সব রাজাকারের বাচ্চা। কী করবেন, যে দেশে টাকা দিলে নমিনেশন পাওয়া যায়, যে দেশে টাকা দিলে মন্ত্রিত্ব পাওয়া যায়, যে দেশে টাকা দিলে সব আকাম চলে। আপনারা বিরোধী দল (বিএনপি) শক্ত না, মামলা-হামলার ভয়ে আপনারা মাঠে নামেন না, একচেটিয়া কি একটা দেশ চলে? বিরোধী দল সব সময় স্ট্রং থাকতে হয়, আপনারা (বিএনপি) যদি সুযোগ দেন, তাহলে তো অপকর্ম হবেই। যা ইচ্ছা তাই হবে, দেশের এই অধঃপতনের জন্য দায়ী হলো আপনাদের বিরোধী দল।’
দেবীদ্বারে বিএনপিকে সক্রিয় হয়ে উঠতে প্রেরণা দিতে তিনি বলেন, ‘আপনারা দেবীদ্বারে কই? কোনো বিএনপি নেতা মাঠে বের হতে পেরেছে? মাঠে নেমে মিছিল-মিটিং করেন, আমি আপনাদের সুযোগ করে দেই অসুবিধা কী? আমি মঞ্জু (বিএনপির সাবেক এমপি মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি) ভাইকে বলেছি—দেশে যান, আন্দোলন করেন, তাহলে বুঝব আপনারা রাজনীতি করেন। আপনারা তো সময় হলে একটু ই করেন, এগুলো করলে হবে না, রাজনীতি করতে হলে নেতৃত্ব দিতে হবে, নেতৃত্ব দিতে হলে আন্দোলন-সংগ্রাম করতে হবে।’
গতকাল সোমবার মধ্যরাতে দুই দলের দুই নেতার চাঞ্চল্যকর এই কথোপকথনের অডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এতে কুমিল্লা উত্তর জেলাসহ দেবীদ্বার উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। দলের এত বড় পদে থেকে একজন বিএনপি নেতার সঙ্গে কীভাবে দলের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেন—এমন প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সব মহলে। দলের নেতাকর্মীরা অবিলম্বে রোশন আলী মাস্টারের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
অডিও ফাঁসের বিষয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাস্টার বলেন, ‘আমার খণ্ডিত বক্তব্য ভাইরাল করা হয়েছে, পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য প্রকাশিত হলে বাস্তব চিত্রটা উঠে আসত।’ দেবীদ্বারে বিগত উপজেলা নির্বাচনে যারা মুজিবকোট পরে ধানের শীষে ভোট কেটেছে, তিনি মূলত তাঁদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন বলেও দাবি করেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ম. রুহুল আমীন বলেন, ‘রোশন আলী মাস্টারের ভাইরাল হওয়া অডিও শুনে আমি নিজেই হতবাক; ওনার মতো একজন দায়িত্বশীল নেতার মুখে এমন আপত্তিকর কথা শুনে খুব কষ্ট পেয়েছি। একজন সিনিয়র নেতার পক্ষে এ ধরনের কথাবার্তা বলা মোটেও সমীচীন নয়।’

বিএনপি নেতার সঙ্গে কুমিল্লার এক আওয়ামী লীগ নেতার কথোপকথনের রেকর্ড ফাঁস হয়েছে। সেখানে নিজ দলের বিরুদ্ধেই আওয়ামী লীগ নেতাকে বিষোদ্গার করতে শোনা যাচ্ছে। সেই সঙ্গে বিএনপিকে শক্ত বিরোধী দল হিসেবে সক্রিয় হওয়ারও তাগিদ দেন তিনি।
কথোপকথনটি দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদের বিএনপি মনোনীত সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল আমীনের সঙ্গে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাস্টারের বলে জানা গেছে।
গতকাল সোমবার রাতে ফেসবুকে ফাঁস হওয়া ওই কথোপকথনের রেকর্ডে রোশন আলী মাস্টারকে বলতে শোনা যায়, ‘যারা নৌকা করে, সব রাজাকারের বাচ্চা। কী করবেন, যে দেশে টাকা দিলে নমিনেশন পাওয়া যায়, যে দেশে টাকা দিলে মন্ত্রিত্ব পাওয়া যায়, যে দেশে টাকা দিলে সব আকাম চলে। আপনারা বিরোধী দল (বিএনপি) শক্ত না, মামলা-হামলার ভয়ে আপনারা মাঠে নামেন না, একচেটিয়া কি একটা দেশ চলে? বিরোধী দল সব সময় স্ট্রং থাকতে হয়, আপনারা (বিএনপি) যদি সুযোগ দেন, তাহলে তো অপকর্ম হবেই। যা ইচ্ছা তাই হবে, দেশের এই অধঃপতনের জন্য দায়ী হলো আপনাদের বিরোধী দল।’
দেবীদ্বারে বিএনপিকে সক্রিয় হয়ে উঠতে প্রেরণা দিতে তিনি বলেন, ‘আপনারা দেবীদ্বারে কই? কোনো বিএনপি নেতা মাঠে বের হতে পেরেছে? মাঠে নেমে মিছিল-মিটিং করেন, আমি আপনাদের সুযোগ করে দেই অসুবিধা কী? আমি মঞ্জু (বিএনপির সাবেক এমপি মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি) ভাইকে বলেছি—দেশে যান, আন্দোলন করেন, তাহলে বুঝব আপনারা রাজনীতি করেন। আপনারা তো সময় হলে একটু ই করেন, এগুলো করলে হবে না, রাজনীতি করতে হলে নেতৃত্ব দিতে হবে, নেতৃত্ব দিতে হলে আন্দোলন-সংগ্রাম করতে হবে।’
গতকাল সোমবার মধ্যরাতে দুই দলের দুই নেতার চাঞ্চল্যকর এই কথোপকথনের অডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এতে কুমিল্লা উত্তর জেলাসহ দেবীদ্বার উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। দলের এত বড় পদে থেকে একজন বিএনপি নেতার সঙ্গে কীভাবে দলের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেন—এমন প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সব মহলে। দলের নেতাকর্মীরা অবিলম্বে রোশন আলী মাস্টারের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
অডিও ফাঁসের বিষয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাস্টার বলেন, ‘আমার খণ্ডিত বক্তব্য ভাইরাল করা হয়েছে, পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য প্রকাশিত হলে বাস্তব চিত্রটা উঠে আসত।’ দেবীদ্বারে বিগত উপজেলা নির্বাচনে যারা মুজিবকোট পরে ধানের শীষে ভোট কেটেছে, তিনি মূলত তাঁদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন বলেও দাবি করেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ম. রুহুল আমীন বলেন, ‘রোশন আলী মাস্টারের ভাইরাল হওয়া অডিও শুনে আমি নিজেই হতবাক; ওনার মতো একজন দায়িত্বশীল নেতার মুখে এমন আপত্তিকর কথা শুনে খুব কষ্ট পেয়েছি। একজন সিনিয়র নেতার পক্ষে এ ধরনের কথাবার্তা বলা মোটেও সমীচীন নয়।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে