ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানায় এই অভিযোগ করা হয়। তাহেরীর উপস্থিতিতে তাঁর গাড়িচালক সোহেল খান বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ১৫ জনকে আসামি করে এই অভিযোগ দায়ের করেন। এ সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সাবেক নেতারা তাঁর সঙ্গে ছিলেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের গঙ্গানগর পূর্বপাড়া এলাকায় মাহফিল চলাকালে গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর ব্যক্তিগত গাড়ি ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা। তিনি নিজেই তাঁর ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে এই অভিযোগ করেছিলেন।
থানায় দেওয়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ৪ নম্বর শশীদল ইউনিয়নের গঙ্গানগর পূর্বপাড়ায় সকল কবরবাসীর স্মরণে দশম বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল হয়। মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। তিনি মঞ্চে ওঠার পর দুর্বৃত্তরা তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করে এবং হেডলাইটের গ্লাস ভেঙে বাল্বগুলো নিয়ে যায়। তাতে গাড়ির অন্তত দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে গিয়াস উদ্দিন তাহেরী বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আমার আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। পুলিশ আমার গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেবেন এই আশা করছি।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবু তৈয়ব অপি, যুবলীগ নেতা নবীর হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আজিম উদ্দিন চৌধুরী, বিল্লাল হোসেন প্রমুখ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আতিক উল্লাহ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তাহেরী হুজুরের গাড়ি ভাঙচুরের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানায় এই অভিযোগ করা হয়। তাহেরীর উপস্থিতিতে তাঁর গাড়িচালক সোহেল খান বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ১৫ জনকে আসামি করে এই অভিযোগ দায়ের করেন। এ সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সাবেক নেতারা তাঁর সঙ্গে ছিলেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের গঙ্গানগর পূর্বপাড়া এলাকায় মাহফিল চলাকালে গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর ব্যক্তিগত গাড়ি ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা। তিনি নিজেই তাঁর ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে এই অভিযোগ করেছিলেন।
থানায় দেওয়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ৪ নম্বর শশীদল ইউনিয়নের গঙ্গানগর পূর্বপাড়ায় সকল কবরবাসীর স্মরণে দশম বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল হয়। মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। তিনি মঞ্চে ওঠার পর দুর্বৃত্তরা তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করে এবং হেডলাইটের গ্লাস ভেঙে বাল্বগুলো নিয়ে যায়। তাতে গাড়ির অন্তত দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে গিয়াস উদ্দিন তাহেরী বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আমার আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। পুলিশ আমার গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেবেন এই আশা করছি।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবু তৈয়ব অপি, যুবলীগ নেতা নবীর হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আজিম উদ্দিন চৌধুরী, বিল্লাল হোসেন প্রমুখ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আতিক উল্লাহ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তাহেরী হুজুরের গাড়ি ভাঙচুরের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে