কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার নিমসার বাজারে সবজি ব্যবসায়ীদের সব রকম খাজনা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। আজ রোববার সকালে ওই বাজারে অভিযান পরিচালনা করে জেলা প্রশাসনের টাস্কফোর্স এই নির্দেশনা দেয়। হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার পরও এই বাজারে খাজনা আদায় করা হচ্ছিল।
দেশের অন্যতম বৃহৎ সবজির মোকাম কুমিল্লার নিমসার বাজার। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই বাজারে আসে সবজি। স্থানীয় কৃষকেরাও এই বাজারকে উপলক্ষ করে মৌসুমি সবজির আবাদ করে থাকেন। রাতভর চলা বাজার শেষ হয় সকালে। ভোর থেকে খুচরা ব্যবসায়ীরা সবজি নিয়ে ছোটেন বাজার থেকে।
খুচরা বাজারে সবজির চড়া মূল্য। কিন্তু নিমসার পাইাকারি বাজারে এই দাম প্রায় অর্ধেক। খাজনা, পরিবহন খরচ আর নানারকম চাঁদা দেওয়ার পর মাঠের সবজি কয়েক হাত বদল হয়ে চড়া মূল্যে বিক্রি হয় ভোক্তাদের কাছে। খুচরা বাজারে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা দরে মরিচ নিমসার বাজারে বিক্রি হয় ১৪০ টাকায়।
বিক্রেতারা জানান, হাইকোর্ট বাজারের ইজারা বাতিল করলেও প্রতিদিনই খাজনা আদায় চলে এখানে। কেউ কেউ অভিযোগ করেন, অভিযান শেষে টাস্কফোর্স কর্মকর্তারা চলে যাওয়ার পর খাজনা আদায়কারীরা আবারও তৎপর হয়ে ওঠেন।
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো. আছাদুল ইসলাম বলেন, প্রশাসনের কাছে খবর আসে নিমসার পাইকারি সবজি বাজারের ইজারা বন্ধ থাকার পরও অতিরিক্ত হারে খাজনা আদায় করছে একটি চক্র। ফলে অতিরিক্ত খাজনা দেওয়ার পর সবজির দাম অনেক বেড়ে যায়। বিষয়টি তদারকি করতে জেলা প্রশাসনের টাস্কফোর্স অভিযানে গিয়ে মাইকিং করে ব্যবসায়ীদের খাজনা না দিতে বলা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাহফুজা মতিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আজ রোববার সকালে নিমসার বাজারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় কোনোরকম খাজনা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে আহ্বান জানানো হয়। বাড়তি খাজনার প্রভাবে খুচরা বাজারে দাম বাড়ছে। তাই দাম সহনীয় করতেই এই অভিযান।

কুমিল্লার নিমসার বাজারে সবজি ব্যবসায়ীদের সব রকম খাজনা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। আজ রোববার সকালে ওই বাজারে অভিযান পরিচালনা করে জেলা প্রশাসনের টাস্কফোর্স এই নির্দেশনা দেয়। হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার পরও এই বাজারে খাজনা আদায় করা হচ্ছিল।
দেশের অন্যতম বৃহৎ সবজির মোকাম কুমিল্লার নিমসার বাজার। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই বাজারে আসে সবজি। স্থানীয় কৃষকেরাও এই বাজারকে উপলক্ষ করে মৌসুমি সবজির আবাদ করে থাকেন। রাতভর চলা বাজার শেষ হয় সকালে। ভোর থেকে খুচরা ব্যবসায়ীরা সবজি নিয়ে ছোটেন বাজার থেকে।
খুচরা বাজারে সবজির চড়া মূল্য। কিন্তু নিমসার পাইাকারি বাজারে এই দাম প্রায় অর্ধেক। খাজনা, পরিবহন খরচ আর নানারকম চাঁদা দেওয়ার পর মাঠের সবজি কয়েক হাত বদল হয়ে চড়া মূল্যে বিক্রি হয় ভোক্তাদের কাছে। খুচরা বাজারে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা দরে মরিচ নিমসার বাজারে বিক্রি হয় ১৪০ টাকায়।
বিক্রেতারা জানান, হাইকোর্ট বাজারের ইজারা বাতিল করলেও প্রতিদিনই খাজনা আদায় চলে এখানে। কেউ কেউ অভিযোগ করেন, অভিযান শেষে টাস্কফোর্স কর্মকর্তারা চলে যাওয়ার পর খাজনা আদায়কারীরা আবারও তৎপর হয়ে ওঠেন।
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো. আছাদুল ইসলাম বলেন, প্রশাসনের কাছে খবর আসে নিমসার পাইকারি সবজি বাজারের ইজারা বন্ধ থাকার পরও অতিরিক্ত হারে খাজনা আদায় করছে একটি চক্র। ফলে অতিরিক্ত খাজনা দেওয়ার পর সবজির দাম অনেক বেড়ে যায়। বিষয়টি তদারকি করতে জেলা প্রশাসনের টাস্কফোর্স অভিযানে গিয়ে মাইকিং করে ব্যবসায়ীদের খাজনা না দিতে বলা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাহফুজা মতিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আজ রোববার সকালে নিমসার বাজারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় কোনোরকম খাজনা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে আহ্বান জানানো হয়। বাড়তি খাজনার প্রভাবে খুচরা বাজারে দাম বাড়ছে। তাই দাম সহনীয় করতেই এই অভিযান।

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া স্টেশনে ট্রেনের বগি থেকে মোজাহার আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করছে পুলিশ। তিনি উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের মতরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল সর্দারের ছেলে।
৮ মিনিট আগে
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
১ ঘণ্টা আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে