কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফলে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ১৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ। কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও, যা এবার ২ হাজার ১৯৮ জন কম।
তবে এবারও পাসের হার এবং জিপিএ-৫ অর্জনে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। এ বছর ২২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শতভাগ পাস করেছে। অন্যদিকে একটি বিদ্যালয়ে কেউ পাস করেনি। সেটি হলো কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার ইসলামপুর উচ্চবিদ্যালয়, যেখানে ৩২ জন পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছে।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বেলা ২টায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. শামছুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন। এ সময় বোর্ডের সচিব অধ্যাপক খোন্দকার ছাদেকুর রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক রুনা নাছরীন, উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) মো. কবির উদ্দিন আহমেদ, উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কাজী আপন তিবরানী, হিসাব ও নিরীক্ষা শাখার উপপরিচালক মো. শাহজাহান, উপসচিব মাসুম মিল্লাতসহ বোর্ডের অন্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫৭২ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছেলে ৬৯ হাজার ৮৩৮ জন এবং মেয়ে ৯৭ হাজার ৭৩৪ জন। পাস করেছে মোট ১ লাখ ৬ হাজার ৫৮১ জন। এর মধ্যে ছেলেদের মধ্যে পাস করেছে ৪৩ হাজার ৭৮০ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪০৭ জন। মেয়েদের মধ্যে পাস করেছে ৬২ হাজার ৮০১ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৪৯৫ জন। মোট পাসের হার ৬৩ দশমিক ৬০ শতাংশ।
মেয়েদের পাসের হার ৬৪ দশমিক ২৬ শতাংশ, ছেলেদের পাসের হার ৬২ দশমিক ৬৯ শতাংশ। পাসের হার বিজ্ঞান বিভাগে ৮৮ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ, মানবিকে ৪৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৫৩ দশমিক ৯২ শতাংশ।
বোর্ডের অধীনে এবার ১ হাজার ৭৯৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ২২টি প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাস করেছে এবং একটি প্রতিষ্ঠানে কেউ উত্তীর্ণ হয়নি।
গত বছর বোর্ডের পাসের হার ছিল ৭৯ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১২ হাজার ১০০ জন।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. শামছুল ইসলাম বলেন, ‘গণিতে খারাপ করার কারণে ফলাফল কিছুটা খারাপ হয়েছে। তবে আমরা অন্য কারণগুলোও অনুসন্ধান করব।’

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফলে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ১৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ। কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও, যা এবার ২ হাজার ১৯৮ জন কম।
তবে এবারও পাসের হার এবং জিপিএ-৫ অর্জনে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। এ বছর ২২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শতভাগ পাস করেছে। অন্যদিকে একটি বিদ্যালয়ে কেউ পাস করেনি। সেটি হলো কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার ইসলামপুর উচ্চবিদ্যালয়, যেখানে ৩২ জন পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছে।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বেলা ২টায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. শামছুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন। এ সময় বোর্ডের সচিব অধ্যাপক খোন্দকার ছাদেকুর রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক রুনা নাছরীন, উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) মো. কবির উদ্দিন আহমেদ, উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কাজী আপন তিবরানী, হিসাব ও নিরীক্ষা শাখার উপপরিচালক মো. শাহজাহান, উপসচিব মাসুম মিল্লাতসহ বোর্ডের অন্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫৭২ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছেলে ৬৯ হাজার ৮৩৮ জন এবং মেয়ে ৯৭ হাজার ৭৩৪ জন। পাস করেছে মোট ১ লাখ ৬ হাজার ৫৮১ জন। এর মধ্যে ছেলেদের মধ্যে পাস করেছে ৪৩ হাজার ৭৮০ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪০৭ জন। মেয়েদের মধ্যে পাস করেছে ৬২ হাজার ৮০১ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৪৯৫ জন। মোট পাসের হার ৬৩ দশমিক ৬০ শতাংশ।
মেয়েদের পাসের হার ৬৪ দশমিক ২৬ শতাংশ, ছেলেদের পাসের হার ৬২ দশমিক ৬৯ শতাংশ। পাসের হার বিজ্ঞান বিভাগে ৮৮ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ, মানবিকে ৪৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৫৩ দশমিক ৯২ শতাংশ।
বোর্ডের অধীনে এবার ১ হাজার ৭৯৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ২২টি প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাস করেছে এবং একটি প্রতিষ্ঠানে কেউ উত্তীর্ণ হয়নি।
গত বছর বোর্ডের পাসের হার ছিল ৭৯ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১২ হাজার ১০০ জন।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. শামছুল ইসলাম বলেন, ‘গণিতে খারাপ করার কারণে ফলাফল কিছুটা খারাপ হয়েছে। তবে আমরা অন্য কারণগুলোও অনুসন্ধান করব।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৭ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে