দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লা দাউদকান্দিতে একটি পরিত্যক্ত টিনের ঘর থকে অজ্ঞাত (৩৫) এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বিকেলে দাউদকান্দি পৌর এলাকার মাইজপাড়া বালুর মাঠের পশ্চিম পাশে পরিত্যক্ত ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা বলছে, প্রায় ৮ বছর আগে টিন দিয়ে দোচালা ঘরটি নির্মাণ করা হয়। ঘরটি নির্মাণের পর থেকে সেখানে কেউ বসবাস না করায় অযত্নে অবহেলায় ঘরটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। ঘরটির চারপাশে ঝোপঝাড় ও অন্ধকারাচ্ছন্ন। মঙ্গলবার বিকেলে ওই ঘরের পাশে বালুর মাঠে স্থানীয় ছেলেরা প্রতিদিনের মতো ফুটবল খেলতে যায়। একপর্যায়ে ফুটবলটি পরিত্যক্ত ঘরের পাশে গিয়ে পড়ে। এ সময় খেলোয়াড়দের মধ্য থেকে কয়েকজন বলটি আনতে গিয়ে ঘরে ঢুকে মরদেহটি দেখতে পায়। পরে তারা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে কুমিল্লার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দাউদকান্দি সার্কেল) মো. ফয়েজ ইকবাল, দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আলমগীর ভূঞা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মরদেহের গলা কাপড়ের একটি চিকন অংশ দিয়ে পেঁচিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে বসা অবস্থায় ছিল। পরিচয় শনাক্ত ও হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে থানা-পুলিশের পাশাপাশি সিআইডি, পিবিআই কাজ করছে। তবে মরদেহটি কয়েক দিন আগের হওয়ায় মুখ বিকৃত হয়ে গেছে। পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।
দাউদকান্দি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হোসেন বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’
দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলমগীর ভূঁইয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কে বা কারা ঘরটি তুলেছে তা আমরা খতিয়ে দেখছি। এখন পর্যন্ত ঘরটি কার তার সন্ধান পাওয়া যায় নাই। তদন্ত চলছে তদন্তের পরে আপনাদের বিস্তারিত আমরা জানাতে পারব।’

কুমিল্লা দাউদকান্দিতে একটি পরিত্যক্ত টিনের ঘর থকে অজ্ঞাত (৩৫) এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বিকেলে দাউদকান্দি পৌর এলাকার মাইজপাড়া বালুর মাঠের পশ্চিম পাশে পরিত্যক্ত ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা বলছে, প্রায় ৮ বছর আগে টিন দিয়ে দোচালা ঘরটি নির্মাণ করা হয়। ঘরটি নির্মাণের পর থেকে সেখানে কেউ বসবাস না করায় অযত্নে অবহেলায় ঘরটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। ঘরটির চারপাশে ঝোপঝাড় ও অন্ধকারাচ্ছন্ন। মঙ্গলবার বিকেলে ওই ঘরের পাশে বালুর মাঠে স্থানীয় ছেলেরা প্রতিদিনের মতো ফুটবল খেলতে যায়। একপর্যায়ে ফুটবলটি পরিত্যক্ত ঘরের পাশে গিয়ে পড়ে। এ সময় খেলোয়াড়দের মধ্য থেকে কয়েকজন বলটি আনতে গিয়ে ঘরে ঢুকে মরদেহটি দেখতে পায়। পরে তারা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে কুমিল্লার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দাউদকান্দি সার্কেল) মো. ফয়েজ ইকবাল, দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আলমগীর ভূঞা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মরদেহের গলা কাপড়ের একটি চিকন অংশ দিয়ে পেঁচিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে বসা অবস্থায় ছিল। পরিচয় শনাক্ত ও হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে থানা-পুলিশের পাশাপাশি সিআইডি, পিবিআই কাজ করছে। তবে মরদেহটি কয়েক দিন আগের হওয়ায় মুখ বিকৃত হয়ে গেছে। পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।
দাউদকান্দি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হোসেন বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’
দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলমগীর ভূঁইয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কে বা কারা ঘরটি তুলেছে তা আমরা খতিয়ে দেখছি। এখন পর্যন্ত ঘরটি কার তার সন্ধান পাওয়া যায় নাই। তদন্ত চলছে তদন্তের পরে আপনাদের বিস্তারিত আমরা জানাতে পারব।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে