কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুরীতে বাসা থেকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক রোজিনা খান এ রায় দেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত কৌশলী (এপিপি) মো. সেলিম মিয়া আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হলেন, নগরীর কালিয়াজুরী মধ্য পাড়া শহীদ মিনার সংলগ্ন মৃত মুর্শিদ মিয়ার ছেলে মো. মাইনুদ্দিন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, কালিয়াজুরী শীলবাড়ীর হরিপদ দত্তের ছেলে রতন দত্ত, কালিয়াজুরী মৃত নান্নু মিয়া জমিদারের ছেলে মো. আশিক ও মো. বনি মিয়ার ছেলে আ. হান্নান এবং একই উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের মো. সেলিম মিয়ার ছেলে আল-আমিন।
মামলার বিবরণে ও আদালত সূত্রে জানা যায়, নগরীর কালিয়াজুরীতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ২০১২ সালের ২৭ জানুয়ারি রাতে সাড়ে ৯টায় আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে কালিয়াজুরী মাজারের পূর্ব পাড়ের বাসা থেকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে অটোরিকশাচালক জাবেদ মিয়াকে (২৫) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে রাস্তার ওপর ফেলে পালিয়ে যায়। এরপর নিহতের স্বজনরা সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জাবেদ মিয়াকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে মামলা করেন।
অতিরিক্ত কৌশলী মো. সেলিম মিয়া বলেন, রাষ্ট্রপক্ষে ৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পলাতক আসামি মো. মাঈনুদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ড এবং আসামি রতন দত্তসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে দণ্ডিত প্রত্যেক আসামিকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুরীতে বাসা থেকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক রোজিনা খান এ রায় দেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত কৌশলী (এপিপি) মো. সেলিম মিয়া আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হলেন, নগরীর কালিয়াজুরী মধ্য পাড়া শহীদ মিনার সংলগ্ন মৃত মুর্শিদ মিয়ার ছেলে মো. মাইনুদ্দিন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, কালিয়াজুরী শীলবাড়ীর হরিপদ দত্তের ছেলে রতন দত্ত, কালিয়াজুরী মৃত নান্নু মিয়া জমিদারের ছেলে মো. আশিক ও মো. বনি মিয়ার ছেলে আ. হান্নান এবং একই উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের মো. সেলিম মিয়ার ছেলে আল-আমিন।
মামলার বিবরণে ও আদালত সূত্রে জানা যায়, নগরীর কালিয়াজুরীতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ২০১২ সালের ২৭ জানুয়ারি রাতে সাড়ে ৯টায় আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে কালিয়াজুরী মাজারের পূর্ব পাড়ের বাসা থেকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে অটোরিকশাচালক জাবেদ মিয়াকে (২৫) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে রাস্তার ওপর ফেলে পালিয়ে যায়। এরপর নিহতের স্বজনরা সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জাবেদ মিয়াকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে মামলা করেন।
অতিরিক্ত কৌশলী মো. সেলিম মিয়া বলেন, রাষ্ট্রপক্ষে ৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পলাতক আসামি মো. মাঈনুদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ড এবং আসামি রতন দত্তসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে দণ্ডিত প্রত্যেক আসামিকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১১ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দিবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১৪ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
২৬ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৩৪ মিনিট আগে