কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লা সদর দক্ষিণে লালমাই পাহাড়ে আবারও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের সন্ধান মিলেছে। উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামে (চারাবাড়ি) বসতঘর নির্মাণের জন্য মাটি খননের সময় ঘরের দেয়াল ও প্রাচীন কাঠামোর অংশবিশেষ পাওয়া যায়। শালবন বৌদ্ধবিহারের দক্ষিণে এই প্রথম কোনো প্রত্নক্ষেত্র পাওয়া গেল।
গত শনিবার থেকে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত ও খননকাজ শুরু করেছে। গতকাল রোববার ও আজ সোমবারও খননকাজ করা হয়।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কুমিল্লা আঞ্চলিক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের আঞ্চলিক দপ্তর ও কুমিল্লার একটি প্রত্নতাত্ত্বিক দল বালাগাজী মুড়ায় খনন ও অনুসন্ধানকাজ পরিচালনা করছে।
আঞ্চলিক পরিচালক ড. মোছা. নাহিদ সুলতানার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত সাত সদস্যের খনন টিমে আরও আছেন মাঠ কর্মকর্তা মো. আবু সাইদ ইনাম তানভীর, ময়নামতি জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মো. শাহীন আলম, গবেষণা সহকারী মো. ওমর ফারুক, সার্ভেয়ার চাইথোয়াই মার্মা, ফটোগ্রাফার শঙ্খনীল দাশ ও পটারী রেকর্ডার রিপন মিয়া।
খননকাজ–সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, স্থাপনাটি কোনো রাজা বা জমিদার আমলের স্থাপনার অংশ। তবে চূড়ান্ত তথ্য নিশ্চিত হতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের বিশ্লেষণ ও গবেষণা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ১০ থেকে ১২ একর এলাকাজুড়ে খননকাজ পরিচালনা করা গেলে শালবন বিহার, আনন্দ বিহার কিংবা রূপবান মুড়ার মতো আরও একটি নিদর্শন উন্মোচিত হতে পারে। এমনকি ব্যতিক্রমী কোনো নিদর্শন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রত্নতত্ত্ব বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, শালবন বৌদ্ধবিহারের দক্ষিণে এই প্রথম কোনো প্রত্নক্ষেত্র পাওয়া গেল। খ্রিষ্টীয় সপ্তম-অষ্টম শতাব্দীর কুমিল্লা ময়নামতি অঞ্চলে পট্টিকেরা জনপদের অংশও হতে পারে এটি। পট্টিকেরা সমতটের পাঁচটি রাজধানীর একটি ছিল। বিভিন্ন সময় প্রত্নতাত্ত্বিকেরা এই অঞ্চলে পট্টিকেরার বিষয়ে উল্লেখ করলেও তার নিদর্শন উন্মুক্ত হয়নি।

কুমিল্লা ময়নামতি জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান ও খননকাজ পরিচালনার সদস্য মো. শাহীন আলম জানান, পরিদর্শনকালে দেখা যায়, বড় বড় ইট দিয়ে তৈরি প্রায় ছয় ফুট চওড়া প্রাচীন একটি দেয়ালের অংশবিশেষ উন্মোচিত হয়েছে, যা হয়তো কোনো স্থাপনার কর্নার। খননকালে মৃৎপাত্রের ভাঙা টুকরোবিশিষ্ট তিন-চার ফুট পুরো একাধিক মাটির স্তর সরানোর পরে প্রাচীন সভ্যতার এই ধ্বংসাবশেষের সন্ধান মেলে।
বালাগাজীর মুড়া নামে পরিচিত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানটিতে উন্মোচিত প্রাচীন স্থাপনার ধ্বংসাবশেষ লালমাই ময়নামতিতে আবিষ্কৃত হাজার বছর আগের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান শালবন বিহার, আনন্দ বিহার, ভোজ বিহার, ইটাখোলা ও রূপবান মুড়ার প্রাচীন মন্দির ও বিহারের ধ্বংসাবশেষের সমসাময়িক হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও অনুসন্ধান দল।

মো. শাহীন আলম আরও জানান, বালাগাজীর মুড়ায় মাত্রই তো খনন ও অনুসন্ধানকাজ শুরু হয়েছে। এটির প্রকৃত সময়কাল সম্পূর্ণ খনন ও গবেষণাকাজ সম্পন্ন করার পরে জানা যাবে। বালাগাজীর মুড়া স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে চারাবাড়ি নামে সুপরিচিত। মূলত এ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানটির উপরিভাগে প্রচুর চারা অর্থাৎ মৃৎপাত্রের ভগ্ন টুকরো থাকায় স্থানীয়ভাবে এই নামকরণ হয়।
খনন ও অনুসন্ধানকাজের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (মাঠ কর্মকর্তা) মো. আবু সাইদ ইনাম তানভীর বলেন, বালাগাজীর মুড়ায় প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও অনুসন্ধানকাজ শুরু করা হয়েছে। আগামী জুন পর্যন্ত তা চলবে।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক ড. মোছা. নাহিদ সুলতানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব বিবেচনা করে প্রায় ৮০ বছর আগে বালাগাজীর মুড়াকে সংরক্ষিত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান ঘোষণা করা হয়; যা ১৯৪৫ সালের শিমলা গেজেটে প্রকাশ করা হয়। নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে মহাপরিচালক সাবিনা আলমের অনুমোদন ও নির্দেশনা নিয়ে এ বছর কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলায় অবস্থিত বালাগাজীর মুড়ায় খনন ও অনুসন্ধানকাজ পরিচালনা করা হচ্ছে।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়ছার বলেন, কুমিল্লার লালমাই বৌদ্ধবিহারের মতো এখানেও প্রত্নতত্ত্বের সন্ধান মিলেছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের লোকজন খননকাজ চালাচ্ছেন। খননকাজ শেষ হলে স্থাপনার পরিধি বোঝা যাবে। এখানে আরেকটি প্রত্নতত্ত্ব সাইট উন্মুক্ত হবে আশা করছি।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণে লালমাই পাহাড়ে আবারও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের সন্ধান মিলেছে। উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামে (চারাবাড়ি) বসতঘর নির্মাণের জন্য মাটি খননের সময় ঘরের দেয়াল ও প্রাচীন কাঠামোর অংশবিশেষ পাওয়া যায়। শালবন বৌদ্ধবিহারের দক্ষিণে এই প্রথম কোনো প্রত্নক্ষেত্র পাওয়া গেল।
গত শনিবার থেকে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত ও খননকাজ শুরু করেছে। গতকাল রোববার ও আজ সোমবারও খননকাজ করা হয়।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কুমিল্লা আঞ্চলিক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের আঞ্চলিক দপ্তর ও কুমিল্লার একটি প্রত্নতাত্ত্বিক দল বালাগাজী মুড়ায় খনন ও অনুসন্ধানকাজ পরিচালনা করছে।
আঞ্চলিক পরিচালক ড. মোছা. নাহিদ সুলতানার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত সাত সদস্যের খনন টিমে আরও আছেন মাঠ কর্মকর্তা মো. আবু সাইদ ইনাম তানভীর, ময়নামতি জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মো. শাহীন আলম, গবেষণা সহকারী মো. ওমর ফারুক, সার্ভেয়ার চাইথোয়াই মার্মা, ফটোগ্রাফার শঙ্খনীল দাশ ও পটারী রেকর্ডার রিপন মিয়া।
খননকাজ–সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, স্থাপনাটি কোনো রাজা বা জমিদার আমলের স্থাপনার অংশ। তবে চূড়ান্ত তথ্য নিশ্চিত হতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের বিশ্লেষণ ও গবেষণা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ১০ থেকে ১২ একর এলাকাজুড়ে খননকাজ পরিচালনা করা গেলে শালবন বিহার, আনন্দ বিহার কিংবা রূপবান মুড়ার মতো আরও একটি নিদর্শন উন্মোচিত হতে পারে। এমনকি ব্যতিক্রমী কোনো নিদর্শন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রত্নতত্ত্ব বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, শালবন বৌদ্ধবিহারের দক্ষিণে এই প্রথম কোনো প্রত্নক্ষেত্র পাওয়া গেল। খ্রিষ্টীয় সপ্তম-অষ্টম শতাব্দীর কুমিল্লা ময়নামতি অঞ্চলে পট্টিকেরা জনপদের অংশও হতে পারে এটি। পট্টিকেরা সমতটের পাঁচটি রাজধানীর একটি ছিল। বিভিন্ন সময় প্রত্নতাত্ত্বিকেরা এই অঞ্চলে পট্টিকেরার বিষয়ে উল্লেখ করলেও তার নিদর্শন উন্মুক্ত হয়নি।

কুমিল্লা ময়নামতি জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান ও খননকাজ পরিচালনার সদস্য মো. শাহীন আলম জানান, পরিদর্শনকালে দেখা যায়, বড় বড় ইট দিয়ে তৈরি প্রায় ছয় ফুট চওড়া প্রাচীন একটি দেয়ালের অংশবিশেষ উন্মোচিত হয়েছে, যা হয়তো কোনো স্থাপনার কর্নার। খননকালে মৃৎপাত্রের ভাঙা টুকরোবিশিষ্ট তিন-চার ফুট পুরো একাধিক মাটির স্তর সরানোর পরে প্রাচীন সভ্যতার এই ধ্বংসাবশেষের সন্ধান মেলে।
বালাগাজীর মুড়া নামে পরিচিত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানটিতে উন্মোচিত প্রাচীন স্থাপনার ধ্বংসাবশেষ লালমাই ময়নামতিতে আবিষ্কৃত হাজার বছর আগের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান শালবন বিহার, আনন্দ বিহার, ভোজ বিহার, ইটাখোলা ও রূপবান মুড়ার প্রাচীন মন্দির ও বিহারের ধ্বংসাবশেষের সমসাময়িক হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও অনুসন্ধান দল।

মো. শাহীন আলম আরও জানান, বালাগাজীর মুড়ায় মাত্রই তো খনন ও অনুসন্ধানকাজ শুরু হয়েছে। এটির প্রকৃত সময়কাল সম্পূর্ণ খনন ও গবেষণাকাজ সম্পন্ন করার পরে জানা যাবে। বালাগাজীর মুড়া স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে চারাবাড়ি নামে সুপরিচিত। মূলত এ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানটির উপরিভাগে প্রচুর চারা অর্থাৎ মৃৎপাত্রের ভগ্ন টুকরো থাকায় স্থানীয়ভাবে এই নামকরণ হয়।
খনন ও অনুসন্ধানকাজের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (মাঠ কর্মকর্তা) মো. আবু সাইদ ইনাম তানভীর বলেন, বালাগাজীর মুড়ায় প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও অনুসন্ধানকাজ শুরু করা হয়েছে। আগামী জুন পর্যন্ত তা চলবে।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক ড. মোছা. নাহিদ সুলতানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব বিবেচনা করে প্রায় ৮০ বছর আগে বালাগাজীর মুড়াকে সংরক্ষিত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান ঘোষণা করা হয়; যা ১৯৪৫ সালের শিমলা গেজেটে প্রকাশ করা হয়। নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে মহাপরিচালক সাবিনা আলমের অনুমোদন ও নির্দেশনা নিয়ে এ বছর কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলায় অবস্থিত বালাগাজীর মুড়ায় খনন ও অনুসন্ধানকাজ পরিচালনা করা হচ্ছে।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়ছার বলেন, কুমিল্লার লালমাই বৌদ্ধবিহারের মতো এখানেও প্রত্নতত্ত্বের সন্ধান মিলেছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের লোকজন খননকাজ চালাচ্ছেন। খননকাজ শেষ হলে স্থাপনার পরিধি বোঝা যাবে। এখানে আরেকটি প্রত্নতত্ত্ব সাইট উন্মুক্ত হবে আশা করছি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৫ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৫ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৫ ঘণ্টা আগে