কুমিল্লা প্রতিনিধি

পেশিশক্তি ব্যবহার করে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। আজ রোববার বেলা ১১টায় কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে কুসিক নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব প্রার্থীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। কুমিল্লার নির্বাচনের মধ্য দিয়ে কমিশন একটি সুন্দর সূচনা করতে চায়। পেশিশক্তি ব্যবহার করে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সুযোগ নেই। এ রকম কিছু প্রমাণ পেলে প্রার্থিতা বাতিল করা হবে।
সহিংসতা হলে নির্বাচন বাতিল করার মতো সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার করতে চাইলে কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হবে। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে এর দায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকেই নিতে হবে।
কাজী হাবিবুল আউয়াল আরও বলেন, ‘কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে আনন্দময় একটি পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে সবার সহযোগিতা চাই। আচরণ বিধিমালা সবাইকে মেনে চলতে হবে, প্রয়োজনে কমিশন কঠোর অবস্থানে যাবে। প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে, এমনকি নির্বাচনের পর তা চলমান থাকবে।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর, নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান, রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহেদুন্নাবী চৌধুরী, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. দুলাল তালুকদার ও কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহাম্মদ। সভায় মেয়র ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থীরা তাঁদের বিভিন্ন অভিযোগ ও আবেদন তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পাঁচ মেয়র পদপ্রার্থীসহ ১৪৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নগরীর ২৭টি সাধারণ ও ৯টি সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে মোট ভোটার ২ লাখ ২৭ হাজার ৭৯২ জন। আগামী ১৫ জুন ১০৫টি কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এই সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

পেশিশক্তি ব্যবহার করে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। আজ রোববার বেলা ১১টায় কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে কুসিক নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব প্রার্থীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। কুমিল্লার নির্বাচনের মধ্য দিয়ে কমিশন একটি সুন্দর সূচনা করতে চায়। পেশিশক্তি ব্যবহার করে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সুযোগ নেই। এ রকম কিছু প্রমাণ পেলে প্রার্থিতা বাতিল করা হবে।
সহিংসতা হলে নির্বাচন বাতিল করার মতো সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার করতে চাইলে কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হবে। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে এর দায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকেই নিতে হবে।
কাজী হাবিবুল আউয়াল আরও বলেন, ‘কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে আনন্দময় একটি পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে সবার সহযোগিতা চাই। আচরণ বিধিমালা সবাইকে মেনে চলতে হবে, প্রয়োজনে কমিশন কঠোর অবস্থানে যাবে। প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে, এমনকি নির্বাচনের পর তা চলমান থাকবে।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর, নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান, রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহেদুন্নাবী চৌধুরী, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. দুলাল তালুকদার ও কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহাম্মদ। সভায় মেয়র ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থীরা তাঁদের বিভিন্ন অভিযোগ ও আবেদন তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পাঁচ মেয়র পদপ্রার্থীসহ ১৪৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নগরীর ২৭টি সাধারণ ও ৯টি সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে মোট ভোটার ২ লাখ ২৭ হাজার ৭৯২ জন। আগামী ১৫ জুন ১০৫টি কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এই সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে