কুবি প্রতিনিধি

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ৩৭ শিক্ষার্থী বহিষ্কারের ঘটনার প্রতিবাদ ও কুয়েট ভিসি পদত্যাগের দাবিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেছেন। আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণিত বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হান্নান রহিম বলেন, ‘কুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীদের যে বহিষ্কার আদেশ দিয়েছে এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর যে বর্বরোচিত হামলা হয়েছে তা আমরা সকলেই জানি এবং কারা হামলা করছে তাও সকলের জানা। তারপরও কুয়েটের ভিসির এমন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘কুয়েট কি বাংলাদেশের গাজা? গাজায় যেমন বর্বরোচিত হামলা চলতেছে কিন্তু ভুক্তভোগীরা বিচার পাচ্ছে না ঠিক তেমনি কুয়েটেও একই অবস্থা। আমরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কুয়েটের শিক্ষার্থীদের পাশে আছি। কুয়েট প্রশাসনের কাছে দাবি থাকবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু তদন্ত করে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করতে হবে এবং কুয়েটের ভিসিকে পদত্যাগ করতে হবে।’
ইংরেজি বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবির বলেন, ‘কুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীর দায় স্বীকারের পরও তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো সাধারণ শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার করা হয়েছে। কুয়েটের ভিসির এমন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমি কুয়েট প্রশাসনের কাছে দাবি জানাব এমন বিচারের নামে প্রহসন বন্ধ করুন।’
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী জামাল হোসেন রাজু বলেন, ‘আমরা দেখছি ঢাবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যেভাবে ফ্যাসিস্ট আচরণ করছে, কুয়েট ভিসি একই আচরণ করছে। আমরা আশা করব সে তার ফ্যাসিস্ট আচরণ পরিহার করবে। নতুন বাংলাদেশের সঙ্গে মানিয়ে নিবে। অন্যথায় পদত্যাগ করবে। আমরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এর তীব্র নিন্দা জানাই।’
প্রসঙ্গত, ১৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে কুয়েট ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের দাবি নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় ৩৭ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ৩৭ শিক্ষার্থী বহিষ্কারের ঘটনার প্রতিবাদ ও কুয়েট ভিসি পদত্যাগের দাবিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেছেন। আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণিত বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হান্নান রহিম বলেন, ‘কুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীদের যে বহিষ্কার আদেশ দিয়েছে এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর যে বর্বরোচিত হামলা হয়েছে তা আমরা সকলেই জানি এবং কারা হামলা করছে তাও সকলের জানা। তারপরও কুয়েটের ভিসির এমন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘কুয়েট কি বাংলাদেশের গাজা? গাজায় যেমন বর্বরোচিত হামলা চলতেছে কিন্তু ভুক্তভোগীরা বিচার পাচ্ছে না ঠিক তেমনি কুয়েটেও একই অবস্থা। আমরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কুয়েটের শিক্ষার্থীদের পাশে আছি। কুয়েট প্রশাসনের কাছে দাবি থাকবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু তদন্ত করে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করতে হবে এবং কুয়েটের ভিসিকে পদত্যাগ করতে হবে।’
ইংরেজি বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবির বলেন, ‘কুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীর দায় স্বীকারের পরও তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো সাধারণ শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার করা হয়েছে। কুয়েটের ভিসির এমন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমি কুয়েট প্রশাসনের কাছে দাবি জানাব এমন বিচারের নামে প্রহসন বন্ধ করুন।’
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী জামাল হোসেন রাজু বলেন, ‘আমরা দেখছি ঢাবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যেভাবে ফ্যাসিস্ট আচরণ করছে, কুয়েট ভিসি একই আচরণ করছে। আমরা আশা করব সে তার ফ্যাসিস্ট আচরণ পরিহার করবে। নতুন বাংলাদেশের সঙ্গে মানিয়ে নিবে। অন্যথায় পদত্যাগ করবে। আমরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এর তীব্র নিন্দা জানাই।’
প্রসঙ্গত, ১৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে কুয়েট ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের দাবি নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় ৩৭ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে