চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার আটটি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২৯ ডিসেম্বর। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হামলা, সংঘর্ষ, হুমকিসহ পেশি শক্তির তৎপরতা বেড়ে চলছে। এতে সুষ্ঠু ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কিত সাধারণ প্রার্থী ও ভোটাররা।
উপজেলার রায়কোট উত্তর, রায়কোট দক্ষিণ, বটতলী, দৌলখাঁড়, জোড্ডা পূর্ব, জোড্ডা পশ্চিম, আদ্রা উত্তর ও আদ্রা দক্ষিণ ইউপিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এ সব ইউপির পাশাপাশি আশপাশের জেলার চৌদ্দগ্রাম, লাকসাম, মনোহরগন্জ এবং নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী, সেনবাগ ইউপির অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর লোকজন ভাড়া করে নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করতে পারে বলে সাধারণ প্রার্থী ও ভোটারদের। তাঁরা বলছেন, গত ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় এ ধরনের বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিদ্বন্দ্বী সাধারণ প্রার্থী ও ভোটারদের মাঝে ভীতি কাজ করছে।
গত শনিবার দুপুরে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম ও পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) মত বিনিময়ের সময় অনেক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বহিরাগত সন্ত্রাসীরা ভয়ভীতি ও হুমকি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। এ সময় ডিসি ও এসপি একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেন।
বটতলী ইউপির নৌকার প্রার্থী আব্দুল জলিলের নির্বাচনী এজেন্ট গোলাম মাওলা গত ১৭ ডিসেম্বার সংবাদ সম্মেলনে সন্ত্রাসীদের তৎপরতায় সুষ্ঠু ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। তা ছাড়া একই ইউপির স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মঈন উদ্দিন তালুকদার মিন্টুও সংবাদ সম্মেলনে ইউপি নির্বাচনে সন্ত্রাস বাহিনী দিয়ে প্রতিপক্ষের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোটকেন্দ্র দখলসহ সহিংস ঘটনা ঘটার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
এ ছাড়া আদ্রা উত্তর ইউপি স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী নাছির উদ্দীন রতন অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বহিরাগত সন্ত্রাসী দ্বারা তার ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে বাধা ও কেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিয়েছে। জোড্ডা পশ্চিম ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুদ রানা ভূইয়া, ডা. শাহজাহান ভূইয়া, জোড্ডা পূর্ব ইউপির স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল আওয়াল ফিরোজ, রায়কোট উত্তর ইউপি স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী শাহআলম, জাফর আহাম্মদ মজুমদার ও রায়কোট দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম ভূইয়া মিনু সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
এদিকে গত ১২ ডিসেম্বর রাতে জোড্ডা পশ্চিম ইউপির মান্দ্রা বাজারে নৌকার সমর্থক ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৭ জন আহত হন। ২০ ডিসেম্বর দৌলখাঁড় ইউপির স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সৈয়দ এহতেশাম হায়দারের গাড়ি ভাঙচুর ও কর্মীদের মারধরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
২১ ডিসেম্বর জোড্ডা পূর্ব ইউপি স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মিয়াজির পক্ষে টিপু নামের এক যুবক ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়াকে কেন্দ্র করে নৌকার প্রার্থী নুরুল আফসারের মামাতো ভাই মিজান মিয়ার বাজারে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেন।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি শেষ হওয়া উপজেলার ৮ ইউপি নির্বাচনের আগে পেরিয়া ও সাতবাড়ীয়া ইউনিয়ন থেকে বিপুল পরিমাণ দেশি অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। ভোটগ্রহণের দিন বুধবার বেলা ৩টা ১০ মিনিটে আওয়ামী লীগের মনোনীত সাতবাড়ীয়া ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শেখ কবির মজুমদার তাঁর অনুসারীদের নিয়ে উত্তর সাতবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র দখল করতে যান।
এদিকে খবর পেয়ে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আনারস প্রতীকের প্রার্থী কাজী ইয়াছিনের অনুসারীরা সেখানে গিয়ে বাধা দেন। তখন ডাকাতিয়া নদীর পাড় থেকে শেখ কবির মজুমদারের অনুসারীরা সড়কের পাশের ভোটকেন্দ্র লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।
এ সময় ভোটকেন্দ্রের সামনের সড়ক দিয়ে পরিদর্শনে যাচ্ছিলেন কুমিল্লার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটে শারমিন রিমা। তাঁর মাইক্রোবাসের পেছনের অংশে গুলি লাগে। মাইক্রোবাসের কাচ ভেঙে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসাও উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নাঙ্গলকোট থানার উপপরিদর্শক আতিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেন। পরে মামলাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশে হস্তান্তর করেন। ডিবি পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করলেও বন্দুকধারীকে গত এক বছরেও শনাক্ত করতে পারেনি।
কুমিল্লা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) বলেন, এ নির্বাচনে কোনো প্রার্থী পেশি শক্তি ব্যবহার করতে চাই পুলিশ তাঁদের প্রতিহত করবে। প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ কঠোর অবস্থানে থাকবে।

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার আটটি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২৯ ডিসেম্বর। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হামলা, সংঘর্ষ, হুমকিসহ পেশি শক্তির তৎপরতা বেড়ে চলছে। এতে সুষ্ঠু ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কিত সাধারণ প্রার্থী ও ভোটাররা।
উপজেলার রায়কোট উত্তর, রায়কোট দক্ষিণ, বটতলী, দৌলখাঁড়, জোড্ডা পূর্ব, জোড্ডা পশ্চিম, আদ্রা উত্তর ও আদ্রা দক্ষিণ ইউপিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এ সব ইউপির পাশাপাশি আশপাশের জেলার চৌদ্দগ্রাম, লাকসাম, মনোহরগন্জ এবং নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী, সেনবাগ ইউপির অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর লোকজন ভাড়া করে নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করতে পারে বলে সাধারণ প্রার্থী ও ভোটারদের। তাঁরা বলছেন, গত ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় এ ধরনের বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিদ্বন্দ্বী সাধারণ প্রার্থী ও ভোটারদের মাঝে ভীতি কাজ করছে।
গত শনিবার দুপুরে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম ও পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) মত বিনিময়ের সময় অনেক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বহিরাগত সন্ত্রাসীরা ভয়ভীতি ও হুমকি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। এ সময় ডিসি ও এসপি একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেন।
বটতলী ইউপির নৌকার প্রার্থী আব্দুল জলিলের নির্বাচনী এজেন্ট গোলাম মাওলা গত ১৭ ডিসেম্বার সংবাদ সম্মেলনে সন্ত্রাসীদের তৎপরতায় সুষ্ঠু ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। তা ছাড়া একই ইউপির স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মঈন উদ্দিন তালুকদার মিন্টুও সংবাদ সম্মেলনে ইউপি নির্বাচনে সন্ত্রাস বাহিনী দিয়ে প্রতিপক্ষের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোটকেন্দ্র দখলসহ সহিংস ঘটনা ঘটার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
এ ছাড়া আদ্রা উত্তর ইউপি স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী নাছির উদ্দীন রতন অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বহিরাগত সন্ত্রাসী দ্বারা তার ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে বাধা ও কেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিয়েছে। জোড্ডা পশ্চিম ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুদ রানা ভূইয়া, ডা. শাহজাহান ভূইয়া, জোড্ডা পূর্ব ইউপির স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল আওয়াল ফিরোজ, রায়কোট উত্তর ইউপি স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী শাহআলম, জাফর আহাম্মদ মজুমদার ও রায়কোট দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম ভূইয়া মিনু সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
এদিকে গত ১২ ডিসেম্বর রাতে জোড্ডা পশ্চিম ইউপির মান্দ্রা বাজারে নৌকার সমর্থক ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৭ জন আহত হন। ২০ ডিসেম্বর দৌলখাঁড় ইউপির স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সৈয়দ এহতেশাম হায়দারের গাড়ি ভাঙচুর ও কর্মীদের মারধরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
২১ ডিসেম্বর জোড্ডা পূর্ব ইউপি স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মিয়াজির পক্ষে টিপু নামের এক যুবক ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়াকে কেন্দ্র করে নৌকার প্রার্থী নুরুল আফসারের মামাতো ভাই মিজান মিয়ার বাজারে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেন।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি শেষ হওয়া উপজেলার ৮ ইউপি নির্বাচনের আগে পেরিয়া ও সাতবাড়ীয়া ইউনিয়ন থেকে বিপুল পরিমাণ দেশি অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। ভোটগ্রহণের দিন বুধবার বেলা ৩টা ১০ মিনিটে আওয়ামী লীগের মনোনীত সাতবাড়ীয়া ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শেখ কবির মজুমদার তাঁর অনুসারীদের নিয়ে উত্তর সাতবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র দখল করতে যান।
এদিকে খবর পেয়ে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আনারস প্রতীকের প্রার্থী কাজী ইয়াছিনের অনুসারীরা সেখানে গিয়ে বাধা দেন। তখন ডাকাতিয়া নদীর পাড় থেকে শেখ কবির মজুমদারের অনুসারীরা সড়কের পাশের ভোটকেন্দ্র লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।
এ সময় ভোটকেন্দ্রের সামনের সড়ক দিয়ে পরিদর্শনে যাচ্ছিলেন কুমিল্লার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটে শারমিন রিমা। তাঁর মাইক্রোবাসের পেছনের অংশে গুলি লাগে। মাইক্রোবাসের কাচ ভেঙে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসাও উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নাঙ্গলকোট থানার উপপরিদর্শক আতিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেন। পরে মামলাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশে হস্তান্তর করেন। ডিবি পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করলেও বন্দুকধারীকে গত এক বছরেও শনাক্ত করতে পারেনি।
কুমিল্লা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) বলেন, এ নির্বাচনে কোনো প্রার্থী পেশি শক্তি ব্যবহার করতে চাই পুলিশ তাঁদের প্রতিহত করবে। প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ কঠোর অবস্থানে থাকবে।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৫ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে