ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় শুরু হয়েছে নবান্নের আমেজ। মাঠে মাঠে আমন ধান কাটা ও মাড়াইয়ের ধুম পড়েছে। সোনালি ফসল ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন কৃষক-কৃষাণীরা।
উপজেলা কৃষি কার্যালয় জানায়, এ উপজেলায় চলতি মৌসুমে আমন ধান চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ৪২৭ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৫ হাজার ৪৩০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তরের দাবি, ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা এবার ছাড়িয়ে যাবে।
উপজেলার বিভিন্ন বিল ও গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, মাঠে মাঠে ম ম গন্ধ ছড়াচ্ছে পাকা ধান। হেমন্তে শীতের সকালে সোনালি ধানের মিষ্টি গন্ধে মুখে তৃপ্তির হাসি নিয়ে কৃষক-কৃষাণীরা ধান কাটা, মাড়াই-ঝাড়াই আর খড় শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। অনেকে আবার বাড়ির উঠানে ছড়িয়ে রেখে ধান শুকাচ্ছেন। কিউবা শুকনো ধান গোলায় তুলছেন।
কৃষকেরা জানান, এবার রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এ বছর কাঙ্ক্ষিত ফসল ঘরে উঠবে।
উপজেলার কৃষক সরাফত আলী জানান, চলতি মৌসুমে তিনি ৫৫ শতক জমিতে রোপা আমন ধান চাষা করেছেন। ধান কাটা শুরু করেছেন। আগামী দশ দিনের মধ্যে সব ধান ঘরে তুলতে পারবেন।
উপজেলার বেজুরা গ্রামের আরেক কৃষক রমজান আলী বলেন, ‘ধার-দেনা করে এ মৌসুমে ৭২ শতক জমিতে ধানের আবাদ করেছিলাম। ফলনও ভালো হয়েছে। ধান তোলা শেষ হলে বিক্রি করে ধার-দেনা মিটিয়ে যা থাকবে তা দিয়েই সংসার চালাব।’
রমজান আলী আরও বলেন, ‘প্রতি বছর ধান তোলার সময় দাম কমে যায়। ধানের দাম স্বাভাবিক থাকলে এবার ঋণ শোধ করতে সমস্যা হবে না।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহবুবুল হাসান বলেন, ‘আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে। কৃষকেরা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সব ধান ঘরে তুলতে পারবেন। এ বছর ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করি।’
মাহবুবুল হাসান আরও বলেন, চলিত মৌসুমে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রদর্শনী ও প্রণোদনার বীজ সার দেওয়া হয়েছে।
ধান বিক্রয়ের বিষয়ে এই কর্মকর্তা বলেন, উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের মাধ্যমে খাদ্য গুদাম কর্তৃপক্ষের কাছে কৃষকেরা ধান বিক্রি করলে তাঁরা ধানের সঠিক দাম পাবেন। অথবা এসব ধান সংগ্রহ করে এখন রেখে দিলে তা কিছুদিন পর পাইকারদের কাছে ভালো দামে বিক্রি করতে পারবেন।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় শুরু হয়েছে নবান্নের আমেজ। মাঠে মাঠে আমন ধান কাটা ও মাড়াইয়ের ধুম পড়েছে। সোনালি ফসল ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন কৃষক-কৃষাণীরা।
উপজেলা কৃষি কার্যালয় জানায়, এ উপজেলায় চলতি মৌসুমে আমন ধান চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ৪২৭ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৫ হাজার ৪৩০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তরের দাবি, ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা এবার ছাড়িয়ে যাবে।
উপজেলার বিভিন্ন বিল ও গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, মাঠে মাঠে ম ম গন্ধ ছড়াচ্ছে পাকা ধান। হেমন্তে শীতের সকালে সোনালি ধানের মিষ্টি গন্ধে মুখে তৃপ্তির হাসি নিয়ে কৃষক-কৃষাণীরা ধান কাটা, মাড়াই-ঝাড়াই আর খড় শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। অনেকে আবার বাড়ির উঠানে ছড়িয়ে রেখে ধান শুকাচ্ছেন। কিউবা শুকনো ধান গোলায় তুলছেন।
কৃষকেরা জানান, এবার রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এ বছর কাঙ্ক্ষিত ফসল ঘরে উঠবে।
উপজেলার কৃষক সরাফত আলী জানান, চলতি মৌসুমে তিনি ৫৫ শতক জমিতে রোপা আমন ধান চাষা করেছেন। ধান কাটা শুরু করেছেন। আগামী দশ দিনের মধ্যে সব ধান ঘরে তুলতে পারবেন।
উপজেলার বেজুরা গ্রামের আরেক কৃষক রমজান আলী বলেন, ‘ধার-দেনা করে এ মৌসুমে ৭২ শতক জমিতে ধানের আবাদ করেছিলাম। ফলনও ভালো হয়েছে। ধান তোলা শেষ হলে বিক্রি করে ধার-দেনা মিটিয়ে যা থাকবে তা দিয়েই সংসার চালাব।’
রমজান আলী আরও বলেন, ‘প্রতি বছর ধান তোলার সময় দাম কমে যায়। ধানের দাম স্বাভাবিক থাকলে এবার ঋণ শোধ করতে সমস্যা হবে না।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহবুবুল হাসান বলেন, ‘আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে। কৃষকেরা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সব ধান ঘরে তুলতে পারবেন। এ বছর ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করি।’
মাহবুবুল হাসান আরও বলেন, চলিত মৌসুমে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রদর্শনী ও প্রণোদনার বীজ সার দেওয়া হয়েছে।
ধান বিক্রয়ের বিষয়ে এই কর্মকর্তা বলেন, উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের মাধ্যমে খাদ্য গুদাম কর্তৃপক্ষের কাছে কৃষকেরা ধান বিক্রি করলে তাঁরা ধানের সঠিক দাম পাবেন। অথবা এসব ধান সংগ্রহ করে এখন রেখে দিলে তা কিছুদিন পর পাইকারদের কাছে ভালো দামে বিক্রি করতে পারবেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে