কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারে অভিযান চালিয়ে বিদেশী পিস্তল ও আধুনিক থ্রি নট থ্রি রাইফেলসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এ সময় তাদের কাছ থেকে গুলি, নগদ টাকা ও মোবাইল জব্দ করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার সদর উপজেলার পিএমখালী এবং পর্যটন জোন কলাতলীর মেরিন ইকো রিসোর্ট থেকে তাদের আটক করা হয়।
আজ বুধবার র্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে সহকারী পুলিশ সুপার জামিলুর রহমান এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের ধাওনখালী গ্রামের হুমায়ুন কবির (৩০) ও কক্সবাজার শহরের বাহারছড়ার বাসিন্দা কাজী জাফর সাদেক রাজু (৪০)।
আটক ব্যক্তিরা আবাসিক হোটেল ব্যবসার আড়ালে অস্ত্র ও মাদক বেচাকেনায় জড়িত। এর আগেও একাধিকবার তারা মাদক নিয়ে গ্রেপ্তার হয়ে জেল খেটেছেন বলে র্যাব সূত্র জানায়।
সহকারী পুলিশ সুপার মো. জামিলুল হক বলেন, গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে র্যাবের একটি দল কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের ধাওনখালী গ্রামে অভিযান চালিয়ে হুমায়ুন কবির নামে এক যুবককে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়।
পরে তার স্বীকারোক্তি মতে, কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় মেরিন ইকো রিসোর্ট নামে একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটির মালিক কাজী জাফর সাদেক রাজুকে আটক করে র্যাব। হোটেলে রাজুর ব্যক্তিগত রুম থেকে একটি মোডিফাইড থ্রি নট থ্রি রাইফেল উদ্ধার করা হয়।’
সহকারী পুলিশ সুপার বলেন, ‘আটক দুজন দীর্ঘদিন ধরে দেশি-বিদেশি অস্ত্র বেচাকেনায় জড়িত। তাঁরা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও খাগড়াছড়ি কেন্দ্রিক একটি অস্ত্র চোরাচালান চক্রের সদস্য। খাগড়াছড়ি সীমান্ত থেকে দেশি-বিদেশি অস্ত্র এনে তাঁরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাসী গ্রুপের কাছে অস্ত্র সরবরাহ করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা স্বীকার করেছে, অস্ত্র দুটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সন্ত্রাসীদের কাছে বিক্রি করার জন্য আনা হয়েছিল। আটক রাজু শহরের বাহারছড়া এলাকার ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান এবং হোটেল ব্যবসার আড়ালে অস্ত্র ও ইয়াবা কারবারে জড়িত। এর আগেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ইয়াবা ও অস্ত্রসহ রাজু একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়।’ আটকদের বিরুদ্ধে সদর থানায় অস্ত্র আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান র্যাবের এই কর্মকর্তা।

কক্সবাজারে অভিযান চালিয়ে বিদেশী পিস্তল ও আধুনিক থ্রি নট থ্রি রাইফেলসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এ সময় তাদের কাছ থেকে গুলি, নগদ টাকা ও মোবাইল জব্দ করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার সদর উপজেলার পিএমখালী এবং পর্যটন জোন কলাতলীর মেরিন ইকো রিসোর্ট থেকে তাদের আটক করা হয়।
আজ বুধবার র্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে সহকারী পুলিশ সুপার জামিলুর রহমান এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের ধাওনখালী গ্রামের হুমায়ুন কবির (৩০) ও কক্সবাজার শহরের বাহারছড়ার বাসিন্দা কাজী জাফর সাদেক রাজু (৪০)।
আটক ব্যক্তিরা আবাসিক হোটেল ব্যবসার আড়ালে অস্ত্র ও মাদক বেচাকেনায় জড়িত। এর আগেও একাধিকবার তারা মাদক নিয়ে গ্রেপ্তার হয়ে জেল খেটেছেন বলে র্যাব সূত্র জানায়।
সহকারী পুলিশ সুপার মো. জামিলুল হক বলেন, গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে র্যাবের একটি দল কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের ধাওনখালী গ্রামে অভিযান চালিয়ে হুমায়ুন কবির নামে এক যুবককে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়।
পরে তার স্বীকারোক্তি মতে, কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় মেরিন ইকো রিসোর্ট নামে একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটির মালিক কাজী জাফর সাদেক রাজুকে আটক করে র্যাব। হোটেলে রাজুর ব্যক্তিগত রুম থেকে একটি মোডিফাইড থ্রি নট থ্রি রাইফেল উদ্ধার করা হয়।’
সহকারী পুলিশ সুপার বলেন, ‘আটক দুজন দীর্ঘদিন ধরে দেশি-বিদেশি অস্ত্র বেচাকেনায় জড়িত। তাঁরা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও খাগড়াছড়ি কেন্দ্রিক একটি অস্ত্র চোরাচালান চক্রের সদস্য। খাগড়াছড়ি সীমান্ত থেকে দেশি-বিদেশি অস্ত্র এনে তাঁরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাসী গ্রুপের কাছে অস্ত্র সরবরাহ করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা স্বীকার করেছে, অস্ত্র দুটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সন্ত্রাসীদের কাছে বিক্রি করার জন্য আনা হয়েছিল। আটক রাজু শহরের বাহারছড়া এলাকার ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান এবং হোটেল ব্যবসার আড়ালে অস্ত্র ও ইয়াবা কারবারে জড়িত। এর আগেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ইয়াবা ও অস্ত্রসহ রাজু একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়।’ আটকদের বিরুদ্ধে সদর থানায় অস্ত্র আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান র্যাবের এই কর্মকর্তা।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে