কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারে বনের ভেতর উন্মুক্ত কারাগার ও সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের কাজ বন্ধে তিন সচিবসহ ১৮ জন সরকারি কর্মকর্তাকে চিঠি দিয়েছে কক্সবাজারের পরিবেশবিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘এনভায়রনমেন্ট পিপল’। সংগঠনটি বলছে, জেলার উখিয়া ও রামুতে পাহাড়-টিলা-ঝরনা-ছড়াসমৃদ্ধ রক্ষিত বনভূমিতে উন্মুক্ত কারাগার ও সড়ক নির্মাণ করা হলে পরিবেশ-প্রতিবেশ হুমকির মুখে পড়বে।
আজ রোববার ডাকযোগে ভূমি, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিবসহ ১৮টি দপ্তরের কর্মকর্তাদের চিঠি দেওয়া হয়। চিঠিতে রক্ষিত ও সংরক্ষিত বনভূমিতে গৃহীত প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধ করে সব শ্রেণির বনভূমির বন্দোবস্ত বাতিলের দাবি জানানো হয়।
তিন সচিব ছাড়াও কারা অধিদপ্তরের কারা মহাপরিদর্শক, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক, বন সংরক্ষক চট্টগ্রাম, এলজিইডি কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উখিয়া ও রামু, সহকারী কমিশনার (ভূমি) উখিয়া ও রামু, পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের পরিচালক এবং কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে এই চিঠি দেওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়, উখিয়া উপজেলার পাগলিরবিল মৌজার আরএস ৬০২ দাগসহ বিভিন্ন দাগের পাহাড়/টিলা শ্রেণির ভূমিকে গেজেট নোটিফিকেশন মূলে ১৯৩৫ সালে রক্ষিত বনভূমি হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। এরপর থেকে বন বিভাগ গেজেটভুক্ত বনভূমিতে বনায়ন ও ব্যবস্থাপনা করে আসছে। কিন্তু ভূমি মন্ত্রণালয় ‘উন্মুক্ত কারাগার’ নির্মাণে ১৬০ একর পাহাড় শ্রেণির রক্ষিত বনভূমি কারা অধিদপ্তরের নামে বন্দোবস্ত দেয়।
কারা কর্তৃপক্ষ সেখানে সীমানা নির্ধারণে কাজ করছে। অথচ এটি বৈলাম, গর্জন, জাম, তেলসুর, চাপালিশ, আকাশমণি, গামারি, আছারগোল, ডুমুর, মোস, কড়ই, বাটনা, ভাদি, বহেড়া, বটসহ বিভিন্ন প্রজাতির ছোট বড় লক্ষাধিক গাছসমৃদ্ধ এক বনাঞ্চল। এ ছাড়া এশিয়ান হাতি, অজগর, হরিণ, বানর, শিয়াল, সাপ, শজারু, শূকরসহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্য প্রাণী ও পাখির আবাসস্থল।
অপরদিকে রামুর সংরক্ষিত বনে শহীদ এটিএম জাফর আলম মাল্টিডিসিপ্লিন একাডেমি থেকে মেরিন ড্রাইভ পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। এটিও একটি সমৃদ্ধ বনাঞ্চল এবং সংরক্ষিত বনভূমি।
পরিবেশবিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘এনভায়রনমেন্ট পিপল’-এর প্রধান নির্বাহী রাশেদুল মজিদ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, পাহাড়-টিলা, ছড়া, বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্যে ভরপুর বনভূমিতে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এতে করে আশপাশের বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল ঝুঁকির মধ্যে পড়বে এবং প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র বিপন্ন হবে।

কক্সবাজারে বনের ভেতর উন্মুক্ত কারাগার ও সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের কাজ বন্ধে তিন সচিবসহ ১৮ জন সরকারি কর্মকর্তাকে চিঠি দিয়েছে কক্সবাজারের পরিবেশবিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘এনভায়রনমেন্ট পিপল’। সংগঠনটি বলছে, জেলার উখিয়া ও রামুতে পাহাড়-টিলা-ঝরনা-ছড়াসমৃদ্ধ রক্ষিত বনভূমিতে উন্মুক্ত কারাগার ও সড়ক নির্মাণ করা হলে পরিবেশ-প্রতিবেশ হুমকির মুখে পড়বে।
আজ রোববার ডাকযোগে ভূমি, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিবসহ ১৮টি দপ্তরের কর্মকর্তাদের চিঠি দেওয়া হয়। চিঠিতে রক্ষিত ও সংরক্ষিত বনভূমিতে গৃহীত প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধ করে সব শ্রেণির বনভূমির বন্দোবস্ত বাতিলের দাবি জানানো হয়।
তিন সচিব ছাড়াও কারা অধিদপ্তরের কারা মহাপরিদর্শক, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক, বন সংরক্ষক চট্টগ্রাম, এলজিইডি কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উখিয়া ও রামু, সহকারী কমিশনার (ভূমি) উখিয়া ও রামু, পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের পরিচালক এবং কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে এই চিঠি দেওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়, উখিয়া উপজেলার পাগলিরবিল মৌজার আরএস ৬০২ দাগসহ বিভিন্ন দাগের পাহাড়/টিলা শ্রেণির ভূমিকে গেজেট নোটিফিকেশন মূলে ১৯৩৫ সালে রক্ষিত বনভূমি হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। এরপর থেকে বন বিভাগ গেজেটভুক্ত বনভূমিতে বনায়ন ও ব্যবস্থাপনা করে আসছে। কিন্তু ভূমি মন্ত্রণালয় ‘উন্মুক্ত কারাগার’ নির্মাণে ১৬০ একর পাহাড় শ্রেণির রক্ষিত বনভূমি কারা অধিদপ্তরের নামে বন্দোবস্ত দেয়।
কারা কর্তৃপক্ষ সেখানে সীমানা নির্ধারণে কাজ করছে। অথচ এটি বৈলাম, গর্জন, জাম, তেলসুর, চাপালিশ, আকাশমণি, গামারি, আছারগোল, ডুমুর, মোস, কড়ই, বাটনা, ভাদি, বহেড়া, বটসহ বিভিন্ন প্রজাতির ছোট বড় লক্ষাধিক গাছসমৃদ্ধ এক বনাঞ্চল। এ ছাড়া এশিয়ান হাতি, অজগর, হরিণ, বানর, শিয়াল, সাপ, শজারু, শূকরসহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্য প্রাণী ও পাখির আবাসস্থল।
অপরদিকে রামুর সংরক্ষিত বনে শহীদ এটিএম জাফর আলম মাল্টিডিসিপ্লিন একাডেমি থেকে মেরিন ড্রাইভ পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। এটিও একটি সমৃদ্ধ বনাঞ্চল এবং সংরক্ষিত বনভূমি।
পরিবেশবিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘এনভায়রনমেন্ট পিপল’-এর প্রধান নির্বাহী রাশেদুল মজিদ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, পাহাড়-টিলা, ছড়া, বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্যে ভরপুর বনভূমিতে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এতে করে আশপাশের বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল ঝুঁকির মধ্যে পড়বে এবং প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র বিপন্ন হবে।

ফরিদপুরে নগরকান্দা উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের এক ইউনিয়ন নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ককে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল বুধবার রাতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁর ওপর হামলা চালিয়েছে।
৮ মিনিট আগে
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ দুই ঘণ্টা বন্ধ ছিল। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ৩টার দিকে গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার মশাখালী রেলস্টেশনের আউটার দেউলপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৩৯ মিনিট আগে
অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত ২০২৬—২০৫০ সালের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মহাপরিকল্পনার খসড়াকে ত্রুটিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) রিসার্চ ডিরেক্টর খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।
৪৪ মিনিট আগে
জুলাই জাতীয় সনদ পাস হলে সংবিধান থেকে ১৯৭১ সালের ইতিহাস মুছে ফেলা হবে কিংবা ‘বিসমিল্লাহ’ বাদ দেওয়া হবে—এমন প্রচারণার কোনো ভিত্তি নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও গণভোটসংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
১ ঘণ্টা আগে