টেকনাফ (কক্সবাজার)

কক্সবাজারের টেকনাফ থানা ও আর্মড পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে তিন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় রামদাসহ ৭টি দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোররাতে সাবরাং ইউনিয়নের ডেইলপাড়া ও ২৭ নম্বর জাদিমুড়া শিবিরে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক এসপি তারিকুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় একদল দুর্বৃত্ত জাদিমুড়া রোহিঙ্গা শিবিরের সি ব্লকে ১০-১৫ জনের একটি দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এমন সংবাদের ভিত্তিতে জাদিমুড়া এপিবিএন ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বেশ কিছু রোহিঙ্গা পালিয়ে যায়।
এ সময় একই শিবিরের মোস্তফা কামাল (২৪), মোহাম্মদ তাহের (২৬), মো. কামাল হোসেন (২৩) নামের তিন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছে থাকা বিভিন্ন আকৃতির তিনটি রামদা জব্দ করা হয়। অপর ১২-১৩ জন অজ্ঞাতনামা ডাকাত পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায় ৷ গ্রেপ্তার হওয়া ১ ও ২ নম্বর রোহিঙ্গা টেকনাফ থানার নিয়মিত মামলার এজাহারনামীয় আসামি এবং ২ ও ৩ নম্বর রোহিঙ্গা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী।
অপরদিকে টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি হাফিজুর রহমান জানান ভোররাতে সাবরাং ইউনিয়নের ডেইলপাড়া এলাকা কিছু লোক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করছিল। এমন সংবাদ পেয়ে উপপরিদর্শক রাফীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় ৪টি রামদাসহ স্থানীয় মো. আব্দুল্লাহ (৩৪), মো. ইউনুছ (৫৭) ও রামু এলাকার মো. ইমরানসহ (২৩) মোট তিনজনকে আটক করে।
ওসি হাফিজুর রহমান জানান, তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কক্সবাজারের টেকনাফ থানা ও আর্মড পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে তিন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় রামদাসহ ৭টি দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোররাতে সাবরাং ইউনিয়নের ডেইলপাড়া ও ২৭ নম্বর জাদিমুড়া শিবিরে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক এসপি তারিকুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় একদল দুর্বৃত্ত জাদিমুড়া রোহিঙ্গা শিবিরের সি ব্লকে ১০-১৫ জনের একটি দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এমন সংবাদের ভিত্তিতে জাদিমুড়া এপিবিএন ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বেশ কিছু রোহিঙ্গা পালিয়ে যায়।
এ সময় একই শিবিরের মোস্তফা কামাল (২৪), মোহাম্মদ তাহের (২৬), মো. কামাল হোসেন (২৩) নামের তিন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছে থাকা বিভিন্ন আকৃতির তিনটি রামদা জব্দ করা হয়। অপর ১২-১৩ জন অজ্ঞাতনামা ডাকাত পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায় ৷ গ্রেপ্তার হওয়া ১ ও ২ নম্বর রোহিঙ্গা টেকনাফ থানার নিয়মিত মামলার এজাহারনামীয় আসামি এবং ২ ও ৩ নম্বর রোহিঙ্গা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী।
অপরদিকে টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি হাফিজুর রহমান জানান ভোররাতে সাবরাং ইউনিয়নের ডেইলপাড়া এলাকা কিছু লোক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করছিল। এমন সংবাদ পেয়ে উপপরিদর্শক রাফীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় ৪টি রামদাসহ স্থানীয় মো. আব্দুল্লাহ (৩৪), মো. ইউনুছ (৫৭) ও রামু এলাকার মো. ইমরানসহ (২৩) মোট তিনজনকে আটক করে।
ওসি হাফিজুর রহমান জানান, তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
৪ মিনিট আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
উল্লাসরত নেতা-কর্মীরা বলেন, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য নতুন করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারেননি।
১ ঘণ্টা আগে
ধুনট উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আব্দুল করিম জানান, শনিবার বিকেলে এলেঙ্গী বাজারে জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে