চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের চকরিয়ায় জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে একটি চিংড়িঘেরের কিশোর শ্রমিককে অপহরণের ৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার করেছে থানা-পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার বদরখালী এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া কিশোরের নাম মো. আরিফ (১৪)। সে উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নের চৈনম্যারঘোনা এলাকার মো. ইয়াছিনের ছেলে। গতকাল সকাল ১০টার দিকে চকরিয়া উপজেলার রামপুর মৌজার ৩ নম্বর হোল্ডিং ২৫ নম্বর প্লট থেকে আরিফকে অপহরণ করা হয়। পরে বিকল ৫টার দিকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। এসব তথ্য আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী।
ওসি মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘কিশোর আরিফকে উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় থানায় এজাহার পেয়েছি। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
থানা-পুলিশ ও ঘেরের চাষি সূত্রে জানা গেছে, পেকুয়ার শিলখালী ইউনিয়নের শাকেরা বেগমের মালিকানাধীন চিংড়িঘের বর্গা নেন চকরিয়া উপজেলার সাহারবিলের বাসিন্দা নুরুল হক। ওই চিংড়িঘেরে মহিষ চরানোর কাজ করে আরিফ। গতকাল সকাল ১০টার দিকে উপকূলীয় অঞ্চলের বদরখালী এলাকার ১০ থেকে ১১ জন দুর্বৃত্ত আরিফকে মারধর করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নৌকায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে অবরুদ্ধ করে রাখে।
খবর পেয়ে ঘেরচাষি নুরুল হক জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে পুলিশের সহায়তা চান। এরপর চকরিয়া থানার একদল পুলিশ অভিযান শুরু করে। অভিযানের একপর্যায়ে বিকেল ৫টার দিকে বদরখালী এলাকার নির্জন এলাকা থেকে পুলিশ আরিফকে উদ্ধার করে। পরে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় বলে জানায় পুলিশ।
এই ঘটনায় নুরুল হক বাদী হয়ে চকরিয়া উপজেলার পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে আরও ৫ থেকে ৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি দেখিয়ে চকরিয়া থানায় এজাহার জমা দিয়েছেন।
ঘের চাষি নুরুল হক বলেন, ‘মূলত চিংড়িঘের জবরদখলের উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসীরা জড়ো হওয়ার বিষয়টিকে দেখে ফেলায় শ্রমিক আরিফকে অপহরণ করা হয়।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে একটি চিংড়িঘেরের কিশোর শ্রমিককে অপহরণের ৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার করেছে থানা-পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার বদরখালী এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া কিশোরের নাম মো. আরিফ (১৪)। সে উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নের চৈনম্যারঘোনা এলাকার মো. ইয়াছিনের ছেলে। গতকাল সকাল ১০টার দিকে চকরিয়া উপজেলার রামপুর মৌজার ৩ নম্বর হোল্ডিং ২৫ নম্বর প্লট থেকে আরিফকে অপহরণ করা হয়। পরে বিকল ৫টার দিকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। এসব তথ্য আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী।
ওসি মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘কিশোর আরিফকে উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় থানায় এজাহার পেয়েছি। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
থানা-পুলিশ ও ঘেরের চাষি সূত্রে জানা গেছে, পেকুয়ার শিলখালী ইউনিয়নের শাকেরা বেগমের মালিকানাধীন চিংড়িঘের বর্গা নেন চকরিয়া উপজেলার সাহারবিলের বাসিন্দা নুরুল হক। ওই চিংড়িঘেরে মহিষ চরানোর কাজ করে আরিফ। গতকাল সকাল ১০টার দিকে উপকূলীয় অঞ্চলের বদরখালী এলাকার ১০ থেকে ১১ জন দুর্বৃত্ত আরিফকে মারধর করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নৌকায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে অবরুদ্ধ করে রাখে।
খবর পেয়ে ঘেরচাষি নুরুল হক জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে পুলিশের সহায়তা চান। এরপর চকরিয়া থানার একদল পুলিশ অভিযান শুরু করে। অভিযানের একপর্যায়ে বিকেল ৫টার দিকে বদরখালী এলাকার নির্জন এলাকা থেকে পুলিশ আরিফকে উদ্ধার করে। পরে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় বলে জানায় পুলিশ।
এই ঘটনায় নুরুল হক বাদী হয়ে চকরিয়া উপজেলার পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে আরও ৫ থেকে ৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি দেখিয়ে চকরিয়া থানায় এজাহার জমা দিয়েছেন।
ঘের চাষি নুরুল হক বলেন, ‘মূলত চিংড়িঘের জবরদখলের উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসীরা জড়ো হওয়ার বিষয়টিকে দেখে ফেলায় শ্রমিক আরিফকে অপহরণ করা হয়।

ফরিদপুরে নগরকান্দা উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের এক ইউনিয়ন নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ককে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল বুধবার রাতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁর ওপর হামলা চালিয়েছে।
৮ মিনিট আগে
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ দুই ঘণ্টা বন্ধ ছিল। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ৩টার দিকে গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার মশাখালী রেলস্টেশনের আউটার দেউলপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৩৯ মিনিট আগে
অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত ২০২৬—২০৫০ সালের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মহাপরিকল্পনার খসড়াকে ত্রুটিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) রিসার্চ ডিরেক্টর খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।
৪৪ মিনিট আগে
জুলাই জাতীয় সনদ পাস হলে সংবিধান থেকে ১৯৭১ সালের ইতিহাস মুছে ফেলা হবে কিংবা ‘বিসমিল্লাহ’ বাদ দেওয়া হবে—এমন প্রচারণার কোনো ভিত্তি নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও গণভোটসংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
১ ঘণ্টা আগে