কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার-১ (চকরিয়া ও পেকুয়া) আসনে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির হাতঘড়ি মার্কার প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন জানিয়েছে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ।
আজ শনিবার বিকেলে চকরিয়া আবাসিক মহিলা কলেজ মিলনায়তনে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই সমর্থনের কথা জানান জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী।
সভায় ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘আগামী ৭ জানুয়ারি ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে হাতঘড়ি মার্কাকে বিজয়ী করে সন্ত্রাস ও ডাকাতমুক্ত চকরিয়া পেকুয়া গড়ে তোলার অঙ্গীকার করতে হবে।’
কল্যাণ পার্টির সভাপতি সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, ‘এই আসনে যেহেতু নৌকার প্রার্থী নেই, তাই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা আমাকে সমর্থন দিয়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা এবং দলের নেতৃবৃন্দকে এ জন্য ধন্যবাদ জানাই।’
সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের সমর্থনে চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরি আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
এতে বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রেজাউল করিম, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা জিয়াউদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী, চকরিয়া পৌর মেয়র আলমগীর চৌধুরী, পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতারা।
এর আগে এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ সিআইপির মনোনয়নপত্র ঋণখেলাপির অভিযোগে বাতিল করা হয়। অন্যদিকে মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে বর্তমান সংসদ সদস্য জাফর আলম ট্রাক মার্কা প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তিনি চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তাঁকে গত বুধবার রাতে শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে অসৌজন্যমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে দলের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার-১ (চকরিয়া ও পেকুয়া) আসনে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির হাতঘড়ি মার্কার প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন জানিয়েছে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ।
আজ শনিবার বিকেলে চকরিয়া আবাসিক মহিলা কলেজ মিলনায়তনে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই সমর্থনের কথা জানান জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী।
সভায় ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘আগামী ৭ জানুয়ারি ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে হাতঘড়ি মার্কাকে বিজয়ী করে সন্ত্রাস ও ডাকাতমুক্ত চকরিয়া পেকুয়া গড়ে তোলার অঙ্গীকার করতে হবে।’
কল্যাণ পার্টির সভাপতি সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, ‘এই আসনে যেহেতু নৌকার প্রার্থী নেই, তাই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা আমাকে সমর্থন দিয়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা এবং দলের নেতৃবৃন্দকে এ জন্য ধন্যবাদ জানাই।’
সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের সমর্থনে চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরি আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
এতে বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রেজাউল করিম, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা জিয়াউদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী, চকরিয়া পৌর মেয়র আলমগীর চৌধুরী, পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতারা।
এর আগে এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ সিআইপির মনোনয়নপত্র ঋণখেলাপির অভিযোগে বাতিল করা হয়। অন্যদিকে মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে বর্তমান সংসদ সদস্য জাফর আলম ট্রাক মার্কা প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তিনি চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তাঁকে গত বুধবার রাতে শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে অসৌজন্যমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে দলের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

বাদীর অভিযোগ, ওই বক্তব্যের মাধ্যমে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো, তাঁর পরিবার, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের চরমভাবে মানহানি করা হয়েছে। এতে সামাজিকভাবে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও নালিশে উল্লেখ করা হয়।
৩ মিনিট আগে
এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
২৭ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১ ঘণ্টা আগে