চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় হামলাকারীরা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ ও চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করেছে। এতে বিএনপির ইউনিয়ন পর্যায়ের ৩০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের রাস্তার মাথা এলাকায় এ হামলা হয়। বিএনপির অভিযোগ, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা এই হামলা চালিয়েছেন। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু মুছা।
উপজেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪২ তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের রাস্তার মাথায় একটি কমিউনিটি সেন্টারে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপির ৬০০ নেতা-কর্মীর জন্য খাবারের আয়োজন করা হয়।
খাওয়ার সময় আওয়ামী লীগের ৩০-৪০ নেতা-কর্মী অতর্কিতভাবে হামলায় চালান। কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ ও চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করেন। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জসিম উদ্দিন দানু, মাহমুদুর হাসান, মোস্তাক আহমদ, শাহাদাত হোছাইন সামির, মোক্তার আহমদ, সাহাব উদ্দিন, নুরহান উদ্দিন, আবুল হাশেম, জালাল উদ্দিন, জাকের হোছাইন, নাজেম উদ্দিন, আবদুল কাদের ও আবু ছালামসহ ৩০ জনকে পিটিয়ে আহত করেছেন।
বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালানো অভিযোগ অস্বীকার করে চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু মুছা বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বিএনপির ওপর হামলার প্রশ্নই ওঠে না। এই অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।’ তাঁর দাবি, খাবার বণ্টন নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষ হাতাহাতি করেছে।
চকরিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এনামুল হক দৈনিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান শাহাদাতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উপলক্ষে উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নে খতমে কোরআন, মিলাদ মাহফিল ও খাবারের আয়োজন করা হয়। বেলা ১১টার দিকে ১০-১২টি গাড়িতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা এসে আমাদের দলীয় লোকজনের ওপর হামলা করে। খাবারসামগ্রী ফেলে নষ্ট করা হয়।’
এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘বিএনপি কর্মসূচি পালন করার বিষয়ে আমাদের অবহিত করেনি। এ ব্যাপারে কেউ পুলিশকে জানায়নি।’

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় হামলাকারীরা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ ও চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করেছে। এতে বিএনপির ইউনিয়ন পর্যায়ের ৩০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের রাস্তার মাথা এলাকায় এ হামলা হয়। বিএনপির অভিযোগ, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা এই হামলা চালিয়েছেন। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু মুছা।
উপজেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪২ তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের রাস্তার মাথায় একটি কমিউনিটি সেন্টারে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপির ৬০০ নেতা-কর্মীর জন্য খাবারের আয়োজন করা হয়।
খাওয়ার সময় আওয়ামী লীগের ৩০-৪০ নেতা-কর্মী অতর্কিতভাবে হামলায় চালান। কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ ও চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করেন। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জসিম উদ্দিন দানু, মাহমুদুর হাসান, মোস্তাক আহমদ, শাহাদাত হোছাইন সামির, মোক্তার আহমদ, সাহাব উদ্দিন, নুরহান উদ্দিন, আবুল হাশেম, জালাল উদ্দিন, জাকের হোছাইন, নাজেম উদ্দিন, আবদুল কাদের ও আবু ছালামসহ ৩০ জনকে পিটিয়ে আহত করেছেন।
বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালানো অভিযোগ অস্বীকার করে চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু মুছা বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বিএনপির ওপর হামলার প্রশ্নই ওঠে না। এই অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।’ তাঁর দাবি, খাবার বণ্টন নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষ হাতাহাতি করেছে।
চকরিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এনামুল হক দৈনিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান শাহাদাতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উপলক্ষে উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নে খতমে কোরআন, মিলাদ মাহফিল ও খাবারের আয়োজন করা হয়। বেলা ১১টার দিকে ১০-১২টি গাড়িতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা এসে আমাদের দলীয় লোকজনের ওপর হামলা করে। খাবারসামগ্রী ফেলে নষ্ট করা হয়।’
এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘বিএনপি কর্মসূচি পালন করার বিষয়ে আমাদের অবহিত করেনি। এ ব্যাপারে কেউ পুলিশকে জানায়নি।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে