কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের উখিয়া আশ্রয়শিবিরে পৃথক সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় আরসা কমান্ডারসহ দুজন নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার ভোরে উখিয়ার ৫ নম্বর ও ২ ইস্ট ক্যাম্পে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজন হলেন ক্যাম্প-৭-এর ডি-৫ ব্লকের মীর আহমদের ছেলে সাকিবুল হাসান প্রকাশ সানা উল্লাহ এবং একই ক্যাম্পের এ ব্লকের আব্দুল গফুরের ছেলে মোহাম্মদ হোসেন।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, আজ ভোরে উপজেলার কুতুপালং আশ্রয়শিবিরের ২ ইস্ট ও ৫ নম্বর ক্যাম্পের দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে পৃথক সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। তাতে দুই আরসা সন্ত্রাসী নিহত হয়। খবর পেয়ে ক্যাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে দুজনের লাশ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আরসা ও আরসাবিরোধী সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। নিহত সানাউল্লাহ কুতুপালং ক্যাম্পের আরসার শীর্ষ সন্ত্রাসী। তিনি ক্যাম্প-২ /ইস্টে আবুল কালাম মাঝি, তাহের মাঝি হত্যাসহ একাধিক হত্যার ঘটনায় জড়িত ছিলেন।
এদিকে টেকনাফের উনছিপ্রাং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে তিন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক ও অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ হাসান বারী নুর। তিনি বলেন, আজ সোমবার ভোরে এপিবিএনের একটি দল টেকনাফের উনছিপ্রাং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি ৫ ব্লকে এ অভিযান চালায়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে তিনটি দেশীয় ওয়ান শুটার গান (এলজি) ও ১৪৬ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। আটক রোহিঙ্গারা হলেন কামাল হোসেন, অজিউর রহমান ও মুজিবুর রহমান।
অতিরিক্ত ডিআইজি আরও বলেন, আটক তিন রোহিঙ্গা আরএসওর সদস্য। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কক্সবাজারের উখিয়া আশ্রয়শিবিরে পৃথক সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় আরসা কমান্ডারসহ দুজন নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার ভোরে উখিয়ার ৫ নম্বর ও ২ ইস্ট ক্যাম্পে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজন হলেন ক্যাম্প-৭-এর ডি-৫ ব্লকের মীর আহমদের ছেলে সাকিবুল হাসান প্রকাশ সানা উল্লাহ এবং একই ক্যাম্পের এ ব্লকের আব্দুল গফুরের ছেলে মোহাম্মদ হোসেন।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, আজ ভোরে উপজেলার কুতুপালং আশ্রয়শিবিরের ২ ইস্ট ও ৫ নম্বর ক্যাম্পের দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে পৃথক সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। তাতে দুই আরসা সন্ত্রাসী নিহত হয়। খবর পেয়ে ক্যাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে দুজনের লাশ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আরসা ও আরসাবিরোধী সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। নিহত সানাউল্লাহ কুতুপালং ক্যাম্পের আরসার শীর্ষ সন্ত্রাসী। তিনি ক্যাম্প-২ /ইস্টে আবুল কালাম মাঝি, তাহের মাঝি হত্যাসহ একাধিক হত্যার ঘটনায় জড়িত ছিলেন।
এদিকে টেকনাফের উনছিপ্রাং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে তিন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক ও অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ হাসান বারী নুর। তিনি বলেন, আজ সোমবার ভোরে এপিবিএনের একটি দল টেকনাফের উনছিপ্রাং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি ৫ ব্লকে এ অভিযান চালায়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে তিনটি দেশীয় ওয়ান শুটার গান (এলজি) ও ১৪৬ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। আটক রোহিঙ্গারা হলেন কামাল হোসেন, অজিউর রহমান ও মুজিবুর রহমান।
অতিরিক্ত ডিআইজি আরও বলেন, আটক তিন রোহিঙ্গা আরএসওর সদস্য। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ফরিদপুরে নগরকান্দা উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের এক ইউনিয়ন নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ককে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল বুধবার রাতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁর ওপর হামলা চালিয়েছে।
৭ মিনিট আগে
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ দুই ঘণ্টা বন্ধ ছিল। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ৩টার দিকে গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার মশাখালী রেলস্টেশনের আউটার দেউলপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৩৮ মিনিট আগে
অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত ২০২৬—২০৫০ সালের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মহাপরিকল্পনার খসড়াকে ত্রুটিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) রিসার্চ ডিরেক্টর খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।
৪৩ মিনিট আগে
জুলাই জাতীয় সনদ পাস হলে সংবিধান থেকে ১৯৭১ সালের ইতিহাস মুছে ফেলা হবে কিংবা ‘বিসমিল্লাহ’ বাদ দেওয়া হবে—এমন প্রচারণার কোনো ভিত্তি নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও গণভোটসংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
১ ঘণ্টা আগে