
কক্সবাজারের উখিয়ায় ডাম্পার ট্রাকের চাপায় বন কর্মকর্তা সাজ্জাদুজ্জামান হত্যা মামলার প্রধান আসামি মোহাম্মদ বাপ্পীকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. মাহাফুজুল ইসলাম। এর আগে মামলার ৫ নম্বর আসামি ছৈয়দ করিমকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সুপার জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চট্টগ্রাম শহর থেকে আজ (সোমবার) বন কর্মকর্তা হত্যা মামলার প্রধান আসামি ডাম্পার ট্রাকচালক বাপ্পীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। তাঁকে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার নিয়ে আসা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান তিনি।
গ্রেপ্তার ডাম্পার ট্রাকচালক উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের পশ্চিম হরিণমারা এলাকার মোহাম্মদ কাশেমের ছেলে।
এর আগে ৩১ মার্চ মধ্যরাতে উখিয়ায় সংরক্ষিত বনের পাহাড় কেটে মাটি পাচারের খবর পেয়ে অভিযানে গেলে বনবিট কর্মকর্তা সাজ্জাদুজ্জামানকে (৩০) ডাম্পার ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যা করা হয়। হামলায় মোহাম্মদ আলী (২৭) নামে আরও এক বনরক্ষী আহত হয়েছেন।
নিহত বিট কর্মকর্তা কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের উখিয়া রেঞ্জের দোছড়ি বনবিটের দায়িত্বে ছিলেন এবং মুন্সিগঞ্জ জেলার গজরিয়া উপজেলার মোহাম্মদ শাহজাহানের ছেলে। এ ঘটনার পরদিন থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. শফিউল আলম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আ. খালেকের বাড়ি উপজেলার ধারা ইউনিয়নের কয়রাহাটি এলাকায়। দুই বছর আগেও পরিবারটি ছিল স্বাভাবিক। ভ্যানচালক খালেক ভোরে বের হয়ে সন্ধ্যায় ফিরতেন। সেই আয়েই চলত সংসার। স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে ছোট হলেও ছিল স্থিতিশীল জীবন। দুই মেয়ের বিয়েও দিয়েছেন তিনি।
৩ মিনিট আগে
মাধবী মার্মা ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সহকারী আইন কর্মকর্তা (এপিপি) ছিলেন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তিনি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপির কোনো পদে না থেকেও দলটির মনোনয়ন পাওয়ায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা যায়।
১ ঘণ্টা আগে
পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে ৬৭ শতক জমির ওপর ছয়তলা সুপার মার্কেট নির্মাণ শুরু হয়। প্রকল্পে কিডস জোন, উদ্যোক্তা কর্নার, জিমনেসিয়াম, কমিউনিটি সেন্টার, মিনি আইটি পার্ক ও আধুনিক পার্কিং সুবিধাসহ নানা পরিকল্পনা ছিল। তবে জমিতে আগে পার্ক থাকায় উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে ২০২০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর
২ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের কারণে লোডশেডিং বেড়েছে। গত বৃহস্পতিবার ১৩৪ দশমিক ৫ মেগাওয়াট থেকে ১৭২ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হয়েছে। এবার এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে পানি সরবরাহে। চট্টগ্রাম ওয়াসা জানিয়েছে, লোডশেডিংয়ের কারণে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় পানি উৎপাদন কমেছে ৪ কোটি লিটার।
২ ঘণ্টা আগে