কক্সবাজারের উখিয়ায় কুতুপালং শরণার্থীশিবিরে এক রোহিঙ্গা নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও দুই রোহিঙ্গা নেতা।
রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে কুতুপালং ক্যাম্প-২ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রোহিঙ্গা নেতা আবুল কালাম কুতুপালং শিবিরের বাসিন্দা। এ ঘটনায় আহতরা হলেন ক্যাম্পের হেড মাঝি মো. আমিন ও সাব-মাঝি মো. জাফর।
ওই ক্যাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) পুলিশ সুপার নাইমুল হক বলেন, ‘নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ক্যাম্পে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় পুলিশ কাজ করছে।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন রোহিঙ্গা নেতা জানান, ‘কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের তিনজন মাঝিকে ধরে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। পরে তাঁদের হাত-পা কুপিয়ে জখম করে। এর মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কাজ করায় আগে থেকেই তাঁদের হুমকি দিয়ে আসছিল সন্ত্রাসীরা।’
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) গাজী সালাহ উদ্দিন বলেন, কক্সবাজার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোহিঙ্গা মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পদ্মায় নতুন পানি আসায় স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয় জেলেদের মধ্যেও। নদীতে জাল ফেলে চলছে মাছ ধরার ব্যস্ততা। বিভিন্ন ঘাটে বসেছে অস্থায়ী মাছের বাজার। নদী থেকে ধরে আনা তাজা মাছ কিনতে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। চোখের সামনে নদী থেকে তুলে আনা জীবন্ত মাছ দরদাম করে কেনার মধ্যেও আলাদা আনন্দ খুঁজে পাচ্ছেন অনেকে।
১০ মিনিট আগে
চাঁদপুরের আট উপজেলায় ৯২টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে কাগজে-কলমে চিকিৎসক রয়েছেন। অথচ সেসব চিকিৎসক সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সংযুক্তিতে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে সামান্য সেবা পেতেও ছুটতে হচ্ছে উপজেলা কিংবা জেলা সদরে।
৫ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের চিতলমারীতে অবৈধ ড্রেজার ও রুট পারমিটবিহীন বাল্কহেড দিয়ে ভূগর্ভ থেকে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের মহোৎসব চলছে। প্রশাসনের জরিমানার পরেও উপজেলার ১০ থেকে ১২ জন চিহ্নিত ড্রেজার ও বাল্কহেডের মালিক ভূগর্ভ থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট বালু উত্তোলন ও পরিবহন করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভয়াল গ্রাসে প্রতিনিয়ত ঘরবাড়ি হারাচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষেরা। গত ৭২ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর আকস্মিক ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে ৮৩টি পরিবারের বসতভিটা। এর মধ্যে ১২টি পরিবারের অন্তত সাতটি টিনের ঘর পুরোপুরি নদীতে তলিয়ে গেছে এবং কয়েকটি ঘরের আংশিক নদীতে চলে গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে