কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে বিপুল পরিমাণ হ্যান্ডগ্রেনেড, ওয়াকিটকি, অস্ত্র, গুলিসহ মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরকান স্যালভেশন আর্মির (আরসা) চার সদস্যকে আটক করা হয়েছে। আজ রোববার ভোরে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এ অভিযান চালায়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—উখিয়া উপজেলার ১৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ-৮১ ব্লকের দ্বীন মোহাম্মদের ছেলে আমির হোসেন (২৯), একই ক্যাম্পের এইচ-১০০ ব্লকের ফজল করিমের ছেলে জিয়াউর রহমান (৩২), ৪ নম্বর ক্যাম্পের সি-৪ ব্লকের আব্দু সালামের ছেলে সৈয়দুল আমিন (৩০) ও ৭ নম্বর ক্যাম্পের এ-১ ব্লকের বাদশা মিয়ার ছেলে মো. হারুন (২২)।
অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সহ-অধিনায়ক পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল।
তিনি বলেন, উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের ২০ নম্বর বর্ধিত ক্যাম্পে কতিপয় অস্ত্রধারী লোকজন অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছে খবর পেয়ে এপিবিএন পুলিশের একাধিক দল সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে। এতে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দুষ্কৃতকারীরা এপিবিএন সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে এপিবিএন সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছোড়ে। গোলাগুলির একপর্যায়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় চারজন দুর্বৃত্তকে আটক করতে সক্ষম।
পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল জানান, আটকেরা মিয়ানমারের সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন আরসার সদস্য এবং একাধিক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পরে আটকদের দেওয়া তথ্যমতে, আরসার আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে চারটি হ্যান্ডগ্রেনেড, দেশীয় তৈরি সাতটি বন্দুক, চার্জারসহ দুটি ওয়াকিটকি, ৯টি গুলি, হ্যান্ডগ্রেনেডে ব্যবহৃত দুই প্যাকেট লোহার বল, দুটি কিরিচ ও কয়েকটি হেলমেট জব্দ করা হয়।
অভিযানের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য বিকেলে ১৪ এপিবিএন কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে গণমাধ্যমের কাছে জানানো হবে বলে জানান পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল।

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে বিপুল পরিমাণ হ্যান্ডগ্রেনেড, ওয়াকিটকি, অস্ত্র, গুলিসহ মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরকান স্যালভেশন আর্মির (আরসা) চার সদস্যকে আটক করা হয়েছে। আজ রোববার ভোরে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এ অভিযান চালায়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—উখিয়া উপজেলার ১৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ-৮১ ব্লকের দ্বীন মোহাম্মদের ছেলে আমির হোসেন (২৯), একই ক্যাম্পের এইচ-১০০ ব্লকের ফজল করিমের ছেলে জিয়াউর রহমান (৩২), ৪ নম্বর ক্যাম্পের সি-৪ ব্লকের আব্দু সালামের ছেলে সৈয়দুল আমিন (৩০) ও ৭ নম্বর ক্যাম্পের এ-১ ব্লকের বাদশা মিয়ার ছেলে মো. হারুন (২২)।
অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সহ-অধিনায়ক পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল।
তিনি বলেন, উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের ২০ নম্বর বর্ধিত ক্যাম্পে কতিপয় অস্ত্রধারী লোকজন অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছে খবর পেয়ে এপিবিএন পুলিশের একাধিক দল সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে। এতে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দুষ্কৃতকারীরা এপিবিএন সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে এপিবিএন সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছোড়ে। গোলাগুলির একপর্যায়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় চারজন দুর্বৃত্তকে আটক করতে সক্ষম।
পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল জানান, আটকেরা মিয়ানমারের সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন আরসার সদস্য এবং একাধিক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পরে আটকদের দেওয়া তথ্যমতে, আরসার আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে চারটি হ্যান্ডগ্রেনেড, দেশীয় তৈরি সাতটি বন্দুক, চার্জারসহ দুটি ওয়াকিটকি, ৯টি গুলি, হ্যান্ডগ্রেনেডে ব্যবহৃত দুই প্যাকেট লোহার বল, দুটি কিরিচ ও কয়েকটি হেলমেট জব্দ করা হয়।
অভিযানের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য বিকেলে ১৪ এপিবিএন কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে গণমাধ্যমের কাছে জানানো হবে বলে জানান পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে