নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদে বড়শি ফেলে ২৭ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ ধরেছেন মোহাম্মদ কাদের নামে এক জেলে। টেকনাফের ট্রানজিট জেটিঘাট থেকে আজ শনিবার দুপুরে মাছটি ধরা হয়। পরে এটি স্থানীয় বাজারে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন তিনি।
মোহাম্মদ কাদের জানান, চৌধুরীপাড়ার ট্রানজিট জেটিঘাটে নাফ নদের তীরে আজ দুপুরে বড়শি ফেলেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর তিনি বড়শি টেনে তুলছিলেন। বড়শিটি খুবই ভারী মনে হলে কৌশলে টেনে জেটির পাশে নিয়ে আসেন। একপর্যায়ে তিনি দেখতে পান, বড় একটি কোরাল মাছ বড়শিতে ধরা পড়েছে। পরে তিনি মাছটি পৌরসভার বাসস্টেশনের মাছবাজারে নিয়ে যান। সেখানে ২৫ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাজমপাড়ার ব্যবসায়ী শাহ জালাল।
মাছ ব্যবসায়ী শাহ জালাল বলেন, ২৭ কেজি ওজনের কোরাল মাছটি ২৫ হাজার টাকায় তিনি কিনেছেন। মাছটি কেটে বিক্রি করবেন। ভালো দামের আশায় মাছটি বরফ দিয়ে একটি ঝুড়িতে রেখেছেন। প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০ টাকা দরে বিক্রি করতে চান। আজ সন্ধ্যায় পর মাছটি বিক্রির জন্য বাসস্টেশন বাজারে আনা হবে।
উপজেলা মৎস্য সমবায় সমিতির সভাপতি আবদুস সালাম বলেন, ইয়াবা ও আইস পাচার রোধ করতে ২০১৭ সালে এপ্রিল থেকে নাফ নদে মাছ ধরা বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। তবে টেকনাফের ট্রানজিট জেটি, শাহপরীর দ্বীপ জেটি ও নাফ নদের বিভিন্ন স্থানে কিছু জেলে বড়শিতে মাছ ধরে জীবন-জীবিকা চালাচ্ছেন। মাছ ধরা বন্ধ থাকায় নৌকা ও জাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। লোকসান গুনতে হচ্ছে নৌকা ও জালের মালিকদের। সরকারি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পাশাপাশি জেলেদের মাছ ধরার সুযোগ দেওয়ার জন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।
টেকনাফ উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, নাফ নদের কোরাল মাছ খুবই সুস্বাদু। এই মাছ সাধারণত ৩০-৩৫ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। কোনো কোনো সময় এর বেশি ওজনের কোরালও পাওয়া যায়। প্রজনন মৌসুমসহ সরকারি বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা মেনে চলায় নাফ নদে এমন বড় কোরাল পাওয়া যাচ্ছে।

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদে বড়শি ফেলে ২৭ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ ধরেছেন মোহাম্মদ কাদের নামে এক জেলে। টেকনাফের ট্রানজিট জেটিঘাট থেকে আজ শনিবার দুপুরে মাছটি ধরা হয়। পরে এটি স্থানীয় বাজারে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন তিনি।
মোহাম্মদ কাদের জানান, চৌধুরীপাড়ার ট্রানজিট জেটিঘাটে নাফ নদের তীরে আজ দুপুরে বড়শি ফেলেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর তিনি বড়শি টেনে তুলছিলেন। বড়শিটি খুবই ভারী মনে হলে কৌশলে টেনে জেটির পাশে নিয়ে আসেন। একপর্যায়ে তিনি দেখতে পান, বড় একটি কোরাল মাছ বড়শিতে ধরা পড়েছে। পরে তিনি মাছটি পৌরসভার বাসস্টেশনের মাছবাজারে নিয়ে যান। সেখানে ২৫ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাজমপাড়ার ব্যবসায়ী শাহ জালাল।
মাছ ব্যবসায়ী শাহ জালাল বলেন, ২৭ কেজি ওজনের কোরাল মাছটি ২৫ হাজার টাকায় তিনি কিনেছেন। মাছটি কেটে বিক্রি করবেন। ভালো দামের আশায় মাছটি বরফ দিয়ে একটি ঝুড়িতে রেখেছেন। প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০ টাকা দরে বিক্রি করতে চান। আজ সন্ধ্যায় পর মাছটি বিক্রির জন্য বাসস্টেশন বাজারে আনা হবে।
উপজেলা মৎস্য সমবায় সমিতির সভাপতি আবদুস সালাম বলেন, ইয়াবা ও আইস পাচার রোধ করতে ২০১৭ সালে এপ্রিল থেকে নাফ নদে মাছ ধরা বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। তবে টেকনাফের ট্রানজিট জেটি, শাহপরীর দ্বীপ জেটি ও নাফ নদের বিভিন্ন স্থানে কিছু জেলে বড়শিতে মাছ ধরে জীবন-জীবিকা চালাচ্ছেন। মাছ ধরা বন্ধ থাকায় নৌকা ও জাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। লোকসান গুনতে হচ্ছে নৌকা ও জালের মালিকদের। সরকারি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পাশাপাশি জেলেদের মাছ ধরার সুযোগ দেওয়ার জন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।
টেকনাফ উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, নাফ নদের কোরাল মাছ খুবই সুস্বাদু। এই মাছ সাধারণত ৩০-৩৫ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। কোনো কোনো সময় এর বেশি ওজনের কোরালও পাওয়া যায়। প্রজনন মৌসুমসহ সরকারি বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা মেনে চলায় নাফ নদে এমন বড় কোরাল পাওয়া যাচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
১ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
২ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
২ ঘণ্টা আগে