কক্সবাজার প্রতিনিধি

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের কারণে সাগর উত্তাল থাকায় দুদিন ধরে কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ সময় দ্বীপে নিত্যপণ্যের নৌযানও চলাচল করতে পারেনি। এ অবস্থায় সেন্ট মার্টিনে বেড়াতে গিয়ে আটকা পড়া তিন শতাধিক পর্যটক খাবার-দাবার নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন।
গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন বৈরী আবহাওয়া কাটিয়ে না ওঠা পর্যন্ত বুধবার থেকে এই রুটে সব ধরনের নৌচলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানায়। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের কারণে সাগর উত্তাল রয়েছে। এতে কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে মাছ ধরাও বন্ধ রয়েছে।
কুমিল্লার মুরাদ নগর থেকে পাঁচ বন্ধুসহ সেন্টমার্টিন বেড়াতে এসেছেন আরাফাত হোসেন। তাঁরা মঙ্গলবার থেকে সেন্ট মার্টিন অবস্থান করছেন। আরাফাত হোসেন বলেন, ‘গতকাল বুধবার রাতে ডাল, আলুভর্তা দিয়ে কোনো মতে ভাত খেয়েছি। ভালোভাবে খেতে না পারলেও ঘোরাঘুরি করে দিন কাটছে।’
তাঁদের মতো অন্তত তিন শতাধিক পর্যটক গত দুদিন ধরে খাবার-দাবার নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সেন্টমার্টিন উত্তর পাড়ার বাসিন্দা নুর হোসেন বলেন, গত এক সপ্তাহে বৈরি আবহাওয়ার কারণে দুইদফা সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়। এতে দ্বীপে নিত্যপণ্যের নৌযান চলতে পারেনি। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চাল, ডাল, ডিম, সবজিসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের তিনটি ট্রলার সেন্টমার্টিন পৌঁছেছে।
এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আদনান চৌধুরী বলেন, নিত্যপণ্যের সংকট যেন না হয় তার জন্য দ্বীপে পণ্যবাহী ট্রলার যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো যাত্রী বহন না করা যাবে না। অবশ্যই আটকে পড়া পর্যটকদের দেখভাল করার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মোহাম্মদ আদনান চৌধুরী আরও বলেন, বৈরী আবহাওয়ায় সাগর উত্তাল থাকায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি আবহাওয়া অধিদপ্তর কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে উপকূলের নৌযান সমূহকে সাবধানে চলাচল করতে নির্দেশনা দিয়েছে। এ কারণে গতকাল বুধবার সকাল থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ইউএনও বলেন, আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সেন্টমার্টিনে আটকে পড়া পর্যটকদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পরীক্ষামূলকভাবে বার আউলিয়া নামের পর্যটকবাহী একটি জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। এই জাহাজে করে টেকনাফের দমদমিয়া ঘাট থেকে পর্যটকরা সেন্টমার্টিনে আসা-যাওয়া করে আসছে।
এর মধ্যে বৈরী আবহাওয়ার কারণে গত শনি ও রোববার জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ছিল। এই দুদিন দ্বীপে দুই শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছিল। গত সোম ও মঙ্গলবার দুদিন চলাচলের পর আবারও নৌযান বন্ধ রয়েছে।
বার আউলিয়া জাহাজের পরিচালক হোসাইনুল ইসলাম বাহাদুর বলেন, আবহাওয়া অধিদপ্তর সংকেত না নামা পর্যন্ত জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকবে।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের কারণে সাগর উত্তাল থাকায় দুদিন ধরে কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ সময় দ্বীপে নিত্যপণ্যের নৌযানও চলাচল করতে পারেনি। এ অবস্থায় সেন্ট মার্টিনে বেড়াতে গিয়ে আটকা পড়া তিন শতাধিক পর্যটক খাবার-দাবার নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন।
গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন বৈরী আবহাওয়া কাটিয়ে না ওঠা পর্যন্ত বুধবার থেকে এই রুটে সব ধরনের নৌচলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানায়। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের কারণে সাগর উত্তাল রয়েছে। এতে কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে মাছ ধরাও বন্ধ রয়েছে।
কুমিল্লার মুরাদ নগর থেকে পাঁচ বন্ধুসহ সেন্টমার্টিন বেড়াতে এসেছেন আরাফাত হোসেন। তাঁরা মঙ্গলবার থেকে সেন্ট মার্টিন অবস্থান করছেন। আরাফাত হোসেন বলেন, ‘গতকাল বুধবার রাতে ডাল, আলুভর্তা দিয়ে কোনো মতে ভাত খেয়েছি। ভালোভাবে খেতে না পারলেও ঘোরাঘুরি করে দিন কাটছে।’
তাঁদের মতো অন্তত তিন শতাধিক পর্যটক গত দুদিন ধরে খাবার-দাবার নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সেন্টমার্টিন উত্তর পাড়ার বাসিন্দা নুর হোসেন বলেন, গত এক সপ্তাহে বৈরি আবহাওয়ার কারণে দুইদফা সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়। এতে দ্বীপে নিত্যপণ্যের নৌযান চলতে পারেনি। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চাল, ডাল, ডিম, সবজিসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের তিনটি ট্রলার সেন্টমার্টিন পৌঁছেছে।
এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আদনান চৌধুরী বলেন, নিত্যপণ্যের সংকট যেন না হয় তার জন্য দ্বীপে পণ্যবাহী ট্রলার যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো যাত্রী বহন না করা যাবে না। অবশ্যই আটকে পড়া পর্যটকদের দেখভাল করার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মোহাম্মদ আদনান চৌধুরী আরও বলেন, বৈরী আবহাওয়ায় সাগর উত্তাল থাকায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি আবহাওয়া অধিদপ্তর কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে উপকূলের নৌযান সমূহকে সাবধানে চলাচল করতে নির্দেশনা দিয়েছে। এ কারণে গতকাল বুধবার সকাল থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ইউএনও বলেন, আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সেন্টমার্টিনে আটকে পড়া পর্যটকদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পরীক্ষামূলকভাবে বার আউলিয়া নামের পর্যটকবাহী একটি জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। এই জাহাজে করে টেকনাফের দমদমিয়া ঘাট থেকে পর্যটকরা সেন্টমার্টিনে আসা-যাওয়া করে আসছে।
এর মধ্যে বৈরী আবহাওয়ার কারণে গত শনি ও রোববার জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ছিল। এই দুদিন দ্বীপে দুই শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছিল। গত সোম ও মঙ্গলবার দুদিন চলাচলের পর আবারও নৌযান বন্ধ রয়েছে।
বার আউলিয়া জাহাজের পরিচালক হোসাইনুল ইসলাম বাহাদুর বলেন, আবহাওয়া অধিদপ্তর সংকেত না নামা পর্যন্ত জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে