প্রতিনিধি, কুতুবদিয়া, (কক্সবাজার)

করোনা মহামারি বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার গত বছরের মার্চের ১৮ তারিখ বন্ধ ঘোষণা করে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ ১৭ মাস বন্ধ থাকার পর ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
সারা দেশের ন্যায় কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার সকল প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুরু হয়েছে পাঠদান কার্যক্রম। কিন্তু সকাল থেকে কুতুবদিয়া উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো ঘুরে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী আসলেও অনুপস্থিত ছিলেন শিক্ষক-শিক্ষিকা।
এ দিকে কুতুবদিয়া উপজেলার বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিত ছিল বেশি, তবে হয়নি ক্লাস। দেখাও যায়নি কোনো শিক্ষককে। একই চিত্র দক্ষিণ ধূরুং জলিলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। দেখা মেলেনি একজন শিক্ষকেরও, শিক্ষার্থীরা জানান তাঁদের শিক্ষক উপজেলায় মিটিং গেছে।
উত্তর লেমশীখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় কয়েকজন শিক্ষক ক্লাস নিলেও, তাড়াহুড়ো করে শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দেয়। তাড়াহুড়ো করে ছুটি দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে স্কুলের সহকারী শিক্ষক ছাইফুল্লাহ খালেক বলেন, সকল শিক্ষককে নির্বাচনের ট্রেনিং এ যোগ দিতে হবে।
কুতুবদিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, আগামী ইউপি নির্বাচন উপলক্ষে তাঁর স্কুলে নির্বাচনে দায়িত্ব প্রাপ্তদের ট্রেনিং চলছে তাই ক্লাস কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
জানা গেছে, আগামী ২০ সেপ্টেম্বর কুতুবদিয়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত নির্বাচনে ৭৮১ জন ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করবেন। ১২ সেপ্টেম্বর রোববার কুতুবদিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা হয়। নির্বাচনে বেশির ভাগ প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষকেরা দায়িত্ব পালন করে। শিক্ষকেরা নির্বাচনের ট্রেনিং এ অংশ নেওয়ায় ক্লাস রুমে অংশ নিতে পারেনি।
তবে কুতুবদিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যবিধি ছিল চোখে পড়ার মত, স্কুল আঙিনায় ঢুকে বেসিনে হাত পরিষ্কার করছে শিক্ষার্থীরা। স্কুলের শিক্ষক দাঁড়িয়ে রয়েছে তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র নিয়ে এবং একে একে সবার তাপমাত্রা মেপে মাস্ক পরিয়ে প্রবেশ করানো হচ্ছে ক্লাস রুমে। এক বেঞ্চে দুজন করে শিক্ষার্থী বসানো হচ্ছে। দীর্ঘ দিন পর সহপাঠীদের পেয়ে খুশি শিক্ষার্থীরাও।

করোনা মহামারি বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার গত বছরের মার্চের ১৮ তারিখ বন্ধ ঘোষণা করে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ ১৭ মাস বন্ধ থাকার পর ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
সারা দেশের ন্যায় কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার সকল প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুরু হয়েছে পাঠদান কার্যক্রম। কিন্তু সকাল থেকে কুতুবদিয়া উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো ঘুরে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী আসলেও অনুপস্থিত ছিলেন শিক্ষক-শিক্ষিকা।
এ দিকে কুতুবদিয়া উপজেলার বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিত ছিল বেশি, তবে হয়নি ক্লাস। দেখাও যায়নি কোনো শিক্ষককে। একই চিত্র দক্ষিণ ধূরুং জলিলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। দেখা মেলেনি একজন শিক্ষকেরও, শিক্ষার্থীরা জানান তাঁদের শিক্ষক উপজেলায় মিটিং গেছে।
উত্তর লেমশীখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় কয়েকজন শিক্ষক ক্লাস নিলেও, তাড়াহুড়ো করে শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দেয়। তাড়াহুড়ো করে ছুটি দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে স্কুলের সহকারী শিক্ষক ছাইফুল্লাহ খালেক বলেন, সকল শিক্ষককে নির্বাচনের ট্রেনিং এ যোগ দিতে হবে।
কুতুবদিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, আগামী ইউপি নির্বাচন উপলক্ষে তাঁর স্কুলে নির্বাচনে দায়িত্ব প্রাপ্তদের ট্রেনিং চলছে তাই ক্লাস কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
জানা গেছে, আগামী ২০ সেপ্টেম্বর কুতুবদিয়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত নির্বাচনে ৭৮১ জন ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করবেন। ১২ সেপ্টেম্বর রোববার কুতুবদিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা হয়। নির্বাচনে বেশির ভাগ প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষকেরা দায়িত্ব পালন করে। শিক্ষকেরা নির্বাচনের ট্রেনিং এ অংশ নেওয়ায় ক্লাস রুমে অংশ নিতে পারেনি।
তবে কুতুবদিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যবিধি ছিল চোখে পড়ার মত, স্কুল আঙিনায় ঢুকে বেসিনে হাত পরিষ্কার করছে শিক্ষার্থীরা। স্কুলের শিক্ষক দাঁড়িয়ে রয়েছে তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র নিয়ে এবং একে একে সবার তাপমাত্রা মেপে মাস্ক পরিয়ে প্রবেশ করানো হচ্ছে ক্লাস রুমে। এক বেঞ্চে দুজন করে শিক্ষার্থী বসানো হচ্ছে। দীর্ঘ দিন পর সহপাঠীদের পেয়ে খুশি শিক্ষার্থীরাও।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে