চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের চকরিয়া মহাসড়কে ব্যারিকেড দিয়ে ১৮টি মহিষ লুট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে ৩টি মহিষ উদ্ধার ও এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ডুলাহাজারার মালুমঘাট বাজারের কাছে এ ঘটনা ঘটে।
আটক আব্দু শুক্কুর (৫৭) চকরিয়া পৌরসভার ভরামুহুরী এলাকার মৃত রওশন আলীর ছেলে।
এ ঘটনায় মহিষের মালিক ও ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও এক থেকে দুজনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজারের উখিয়া ও মরিচ্যাবাজার থেকে ১৮টি মহিষ কেনেন ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম। ট্রাকভর্তি মহিষগুলো নিয়ে চট্টগ্রামের আনোয়ারা যাচ্ছিল। গাড়ি চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট বাজারে পৌঁছালে ২০-৩০ জন সন্ত্রাসী অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে গতিরোধ করে। এ সময় নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ট্রাকটি সন্ত্রাসীরা বনের ভেতর নিয়ে যায়। গাড়িতে থাকা ব্যবসায়ী, চালক ও হেলপারের মোবাইল ফোন–টাকা কেড়ে নেয়। এরপর ১৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা মূল্যের ১৮টি মহিষ লুট করে নিয়ে যায়।
বাদী আব্দুর রহিম বলেন, ‘কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকার হাট থেকে মহিষ ও গরু কিনে আনোয়ারার সরকার হাট বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করি। আমার ব্যবসায়িক অংশীদারসহ কয়েকজন উখিয়া ও মরিচ্যাবাজার থেকে ১৮টি মহিষ কিনে ফিরছিলাম। পথিমধ্যে সন্ত্রাসীদের কবলে পড়ে সব মহিষ লুট করে নিয়ে যায়। আমি থানায় মামলা দায়ের করেছি।’
এ ব্যাপারে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘বুধবার রাতে মহিষ লুটের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ যাওয়ায় সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এরপর পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৩টি মহিষ উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত আব্দু শুক্কুরকে গ্রেপ্তার করে। মহিষের মালিক বাদী হয়ে এজাহার দিলে মামলা হিসেবে রুজু করা হয়। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

কক্সবাজারের চকরিয়া মহাসড়কে ব্যারিকেড দিয়ে ১৮টি মহিষ লুট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে ৩টি মহিষ উদ্ধার ও এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ডুলাহাজারার মালুমঘাট বাজারের কাছে এ ঘটনা ঘটে।
আটক আব্দু শুক্কুর (৫৭) চকরিয়া পৌরসভার ভরামুহুরী এলাকার মৃত রওশন আলীর ছেলে।
এ ঘটনায় মহিষের মালিক ও ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও এক থেকে দুজনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজারের উখিয়া ও মরিচ্যাবাজার থেকে ১৮টি মহিষ কেনেন ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম। ট্রাকভর্তি মহিষগুলো নিয়ে চট্টগ্রামের আনোয়ারা যাচ্ছিল। গাড়ি চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট বাজারে পৌঁছালে ২০-৩০ জন সন্ত্রাসী অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে গতিরোধ করে। এ সময় নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ট্রাকটি সন্ত্রাসীরা বনের ভেতর নিয়ে যায়। গাড়িতে থাকা ব্যবসায়ী, চালক ও হেলপারের মোবাইল ফোন–টাকা কেড়ে নেয়। এরপর ১৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা মূল্যের ১৮টি মহিষ লুট করে নিয়ে যায়।
বাদী আব্দুর রহিম বলেন, ‘কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকার হাট থেকে মহিষ ও গরু কিনে আনোয়ারার সরকার হাট বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করি। আমার ব্যবসায়িক অংশীদারসহ কয়েকজন উখিয়া ও মরিচ্যাবাজার থেকে ১৮টি মহিষ কিনে ফিরছিলাম। পথিমধ্যে সন্ত্রাসীদের কবলে পড়ে সব মহিষ লুট করে নিয়ে যায়। আমি থানায় মামলা দায়ের করেছি।’
এ ব্যাপারে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘বুধবার রাতে মহিষ লুটের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ যাওয়ায় সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এরপর পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৩টি মহিষ উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত আব্দু শুক্কুরকে গ্রেপ্তার করে। মহিষের মালিক বাদী হয়ে এজাহার দিলে মামলা হিসেবে রুজু করা হয়। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে