
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে জীবননগর উপজেলার কেডিকে ইউনিয়নের দেহাটি গ্রামে স্বতন্ত্র প্রার্থী মীর্জা শাহরিয়ার মাহমুদ লাল্টুর (ঢেঁকি) কর্মী মো. লাল্টু খাঁকে (৪৩) মারধরের অভিযোগে থানায় মামলা করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে মামলাটি করার পর তিন নম্বর আসামি মো. রাজুকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মামলার আসামিরা হলেন শাকিল (২২), আকাশ (২২), রাজু হোসেন (৩২), সাগর (২৫) ও জুয়েল (৪২)।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার রাত ৮টার দিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আলী আজগার টগরের সমর্থক ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের ভাই মো. জুয়েলের নেতৃত্বে লাল্টুর ওপর হামলা করা হয়। লাল্টু একই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। জুয়েলও একই গ্রামের বাসিন্দা।
স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক লাল্টু বলেন, ‘আমি বসে ছিলাম। এ সময় আমাদের মিঠু মেম্বার ফোন দেয়। ভালোভাবেই বলে জুয়েল ডাকছে, দুই আয়। আমি তখন বলি, চাচা যাব না। আমি একজনের ভোট করছি। জুয়েলের কাছে কী করতে যাব বলেন তো? আর জুয়েল হুন্ডা-মুন্ডা নিয়ে রিপনের দোকানে আছে। এবার জুয়েল আমার কাছে ফোন দিয়েছে। দিয়ে গালি দিয়ে বলছে, ভোটটা বেরিয়ে যাক। তোর ব্যবস্থা করছি। তোর হাড়-গোড় এক করে ফেলব। তুই জুয়েলের নাম শুনিসনি, জুয়েলকে তুই চিনিসনে? আমি তখন বলি, আমি আপনার কী করলাম। আমি রাজা চাচার ভোট করছি। আমি লাল্টু চাচার জন্য ভোট করছি। আমার জীবন চলে যাক, তাও আপনার ভোট করতে পারব না।’
লাল্টু আরও বলেন, ‘এই কথা বলে যেই বেরিয়ে এসেছি, তখন কয়েকজন আমাকে ধাক্কা মারতে মারতে বলে, “বের হ।” এ সময় জুয়েল আমাকে মারতে মারতে তাড়া করে দিয়েছে। ওরা প্রত্যেকবার ভোটের সময় এমনই করে। ওর ভাইয়ের ভোটের সময়ও এমন করে। এখনো এমন করছে। ওদের কোনো জনপ্রিয়তা নেই। এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী মীর্জা শাহরিয়ার মাহমুদ তাঁর হাত ধরে বলেন, “লাল্টু, আপনার কাছে অনুরোধ, আপনি মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ান। আপনার জয় হবেই। ওদের কেউ চাচ্ছে না। ওরা আত্মীয়করণ ছাড়া কোনো দল করে না।’
রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ বিষয়ে জানতে ফোন করা হলে মীর্জা শাহরিয়ার মাহমুদ লাল্টু বলেন, ‘এখন আমি থানায় রয়েছি। মারধরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করব।’ মামলার আসামিদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জুয়েল ও তাঁর অনুসারীদের আসামি করা হবে।
কর্মীদের উদ্দেশে স্বতন্ত্র প্রার্থী মীর্জা শাহরিয়ার মাহমুদ লাল্টু বলেন, ‘ওসি সাহেবের কথায় তো আপনার খুশি হয়েছেন। এখন আইনের লড়াই করতে হবে। আপনি আমাকে থাপ্পড় দিয়েছেন, আমি তো আপনাকে থাপ্পড় দিতে পারব না। এর জন্য আইন আছে। আইনের লোক আছে। তারা এর বিচার করবে।’
গতরাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবীদ হাসান। তিনি বলেন, ‘রাতেই হামলার ঘটনায় থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা সাত-আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। অভিযান চালিয়ে ওই মামলার ৩ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে জীবননগর উপজেলার কেডিকে ইউনিয়নের দেহাটি গ্রামে স্বতন্ত্র প্রার্থী মীর্জা শাহরিয়ার মাহমুদ লাল্টুর (ঢেঁকি) কর্মী মো. লাল্টু খাঁকে (৪৩) মারধরের অভিযোগে থানায় মামলা করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে মামলাটি করার পর তিন নম্বর আসামি মো. রাজুকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মামলার আসামিরা হলেন শাকিল (২২), আকাশ (২২), রাজু হোসেন (৩২), সাগর (২৫) ও জুয়েল (৪২)।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার রাত ৮টার দিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আলী আজগার টগরের সমর্থক ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের ভাই মো. জুয়েলের নেতৃত্বে লাল্টুর ওপর হামলা করা হয়। লাল্টু একই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। জুয়েলও একই গ্রামের বাসিন্দা।
স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক লাল্টু বলেন, ‘আমি বসে ছিলাম। এ সময় আমাদের মিঠু মেম্বার ফোন দেয়। ভালোভাবেই বলে জুয়েল ডাকছে, দুই আয়। আমি তখন বলি, চাচা যাব না। আমি একজনের ভোট করছি। জুয়েলের কাছে কী করতে যাব বলেন তো? আর জুয়েল হুন্ডা-মুন্ডা নিয়ে রিপনের দোকানে আছে। এবার জুয়েল আমার কাছে ফোন দিয়েছে। দিয়ে গালি দিয়ে বলছে, ভোটটা বেরিয়ে যাক। তোর ব্যবস্থা করছি। তোর হাড়-গোড় এক করে ফেলব। তুই জুয়েলের নাম শুনিসনি, জুয়েলকে তুই চিনিসনে? আমি তখন বলি, আমি আপনার কী করলাম। আমি রাজা চাচার ভোট করছি। আমি লাল্টু চাচার জন্য ভোট করছি। আমার জীবন চলে যাক, তাও আপনার ভোট করতে পারব না।’
লাল্টু আরও বলেন, ‘এই কথা বলে যেই বেরিয়ে এসেছি, তখন কয়েকজন আমাকে ধাক্কা মারতে মারতে বলে, “বের হ।” এ সময় জুয়েল আমাকে মারতে মারতে তাড়া করে দিয়েছে। ওরা প্রত্যেকবার ভোটের সময় এমনই করে। ওর ভাইয়ের ভোটের সময়ও এমন করে। এখনো এমন করছে। ওদের কোনো জনপ্রিয়তা নেই। এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী মীর্জা শাহরিয়ার মাহমুদ তাঁর হাত ধরে বলেন, “লাল্টু, আপনার কাছে অনুরোধ, আপনি মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ান। আপনার জয় হবেই। ওদের কেউ চাচ্ছে না। ওরা আত্মীয়করণ ছাড়া কোনো দল করে না।’
রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ বিষয়ে জানতে ফোন করা হলে মীর্জা শাহরিয়ার মাহমুদ লাল্টু বলেন, ‘এখন আমি থানায় রয়েছি। মারধরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করব।’ মামলার আসামিদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জুয়েল ও তাঁর অনুসারীদের আসামি করা হবে।
কর্মীদের উদ্দেশে স্বতন্ত্র প্রার্থী মীর্জা শাহরিয়ার মাহমুদ লাল্টু বলেন, ‘ওসি সাহেবের কথায় তো আপনার খুশি হয়েছেন। এখন আইনের লড়াই করতে হবে। আপনি আমাকে থাপ্পড় দিয়েছেন, আমি তো আপনাকে থাপ্পড় দিতে পারব না। এর জন্য আইন আছে। আইনের লোক আছে। তারা এর বিচার করবে।’
গতরাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবীদ হাসান। তিনি বলেন, ‘রাতেই হামলার ঘটনায় থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা সাত-আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। অভিযান চালিয়ে ওই মামলার ৩ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪৪ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে