চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

চৈত্র মাসে মৃদু থেকে মাঝারি ও বৈশাখের শুরুতে তীব্র থেকে অতি তীব্র দাবদাহে পুড়ছে চুয়াডাঙ্গার জনজীবন। ২ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ১৫ দিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গা। গত সোমবার চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর গতকাল মঙ্গলবার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪০.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ বুধবার তা বেড়ে এ মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
টানা তীব্র দাবদাহে চুয়াডাঙ্গার জনজীবন বিপর্যস্ত। প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হচ্ছে না কেউ। একদিকে প্রচণ্ড রোদ, অন্যদিকে রমজান মাস—এই দুইয়ে মানুষের জীবন হাঁসফাঁস অবস্থা। এতে বেশি সমস্যায় পড়েছে খেটে খাওয়া দিনমজুর ও রিকশা-ভ্যানচালকেরা। সূর্যের গনগনে আঁচে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। সেই সঙ্গে হাসপাতালে বাড়ছে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ আবুল হোসেন বলেন, তীব্র গরমে হার্টের রোগীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় আছেন, বাড়ছে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি। চিকিৎসা নিতে আসা এসব রোগীর প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হতে বলা হচ্ছে। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান, খাওয়ার স্যালাইন, লেবুর শরবত ও তরলজাতীয় খাবার বেশি খাওয়া এবং রোদ থেকে বাঁচতে ছাতা ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত আবহাওয়া কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, এ অবস্থা আরও দু-তিন দিন অব্যাহত থাকবে। ২২ এপ্রিলের পর অবস্থার উন্নতি হবে। আজ চুয়াডাঙ্গায় এ মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ১৪ শতাংশ।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামিম ভূঁইয়া বলেন, তীব্র তাপপ্রবাহে খুব বেশি প্রয়োজন না হলে ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাসা থেকে বের না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তা ছাড়া, জেলা প্রশাসন থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। হিটস্ট্রোক প্রতিরোধে প্রচুর পরিমাণ নিরাপদ পানি, ফলের ঠান্ডা রস খাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। তা ছাড়া, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে খাবার স্যালাইন মজুত রয়েছে। সেখান থেকে নেওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

চৈত্র মাসে মৃদু থেকে মাঝারি ও বৈশাখের শুরুতে তীব্র থেকে অতি তীব্র দাবদাহে পুড়ছে চুয়াডাঙ্গার জনজীবন। ২ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ১৫ দিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গা। গত সোমবার চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর গতকাল মঙ্গলবার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪০.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ বুধবার তা বেড়ে এ মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
টানা তীব্র দাবদাহে চুয়াডাঙ্গার জনজীবন বিপর্যস্ত। প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হচ্ছে না কেউ। একদিকে প্রচণ্ড রোদ, অন্যদিকে রমজান মাস—এই দুইয়ে মানুষের জীবন হাঁসফাঁস অবস্থা। এতে বেশি সমস্যায় পড়েছে খেটে খাওয়া দিনমজুর ও রিকশা-ভ্যানচালকেরা। সূর্যের গনগনে আঁচে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। সেই সঙ্গে হাসপাতালে বাড়ছে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ আবুল হোসেন বলেন, তীব্র গরমে হার্টের রোগীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় আছেন, বাড়ছে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি। চিকিৎসা নিতে আসা এসব রোগীর প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হতে বলা হচ্ছে। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান, খাওয়ার স্যালাইন, লেবুর শরবত ও তরলজাতীয় খাবার বেশি খাওয়া এবং রোদ থেকে বাঁচতে ছাতা ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত আবহাওয়া কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, এ অবস্থা আরও দু-তিন দিন অব্যাহত থাকবে। ২২ এপ্রিলের পর অবস্থার উন্নতি হবে। আজ চুয়াডাঙ্গায় এ মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ১৪ শতাংশ।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামিম ভূঁইয়া বলেন, তীব্র তাপপ্রবাহে খুব বেশি প্রয়োজন না হলে ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাসা থেকে বের না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তা ছাড়া, জেলা প্রশাসন থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। হিটস্ট্রোক প্রতিরোধে প্রচুর পরিমাণ নিরাপদ পানি, ফলের ঠান্ডা রস খাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। তা ছাড়া, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে খাবার স্যালাইন মজুত রয়েছে। সেখান থেকে নেওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে