Ajker Patrika

চট্টগ্রামে বিস্ফোরণের ঘটনায় স্বামীর পর মারা গেলেন স্ত্রী, নিহত বেড়ে ৪

ঢামেক প্রতিবেদক
চট্টগ্রামে বিস্ফোরণের ঘটনায় স্বামীর পর মারা গেলেন স্ত্রী, নিহত বেড়ে ৪
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম হালিশহরের এক বাসায় বিস্ফোরণে একই পরিবারের নারী ও শিশুসহ ৯ জন দগ্ধের ঘটনায় স্বামী সামির আহমেদ সুমনের (৪০) পর স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি (৩৫) মারা গেলেন। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল চারজনে।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মারা যায় শাওন (১৬)। গতকাল সোমবার মারা যান শাওনের মা নুরজাহান আক্তার রানী (৪০)।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান পাখি। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, পাখির শতভাগ দগ্ধ হয়েছিল। সঙ্গে শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

বর্তমানে মো. সাখাওয়াত হোসেন ১০০ শতাংশ, মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা ৩৮ শতাংশ, আয়েশা ৪৫ শতাংশ, ফারহান আহমেদ আনাস ৩০ শতাংশ এবং শিপন ৮০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এর আগে গতকাল সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে হালিশহরের বাসায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার দিকে তাদের বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসে স্বজনেরা। এই ঘটনায় দগ্ধ হয় মো. সাখাওয়াত হোসেন (৪৬), তাঁর স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী (৪০), ছেলে শাওন (১৬) মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা (১০), সাখাওয়াতের ছোট ভাই সামির আহমেদ সুমন (৪০), তাঁর স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি (৩৫), মেয়ে আয়েশা (৪), ছেলে ফারহান আহমেদ আনাস (৬) এবং সাখাওয়াতের আরেক ছোট ভাই শিপন হোসেন (৩০)।

দগ্ধ সাখাওয়াতের চাচাতো ভাই মো. মিলন জানান, তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার বাগমারা গ্রামে। সাখাওয়াত হোসেন হালিশহরে মোটর পার্টসের ব্যবসা করে। ভাই সুমন পর্তুগালপ্রবাসী। চলতি মাসের ৪ তারিখে দেশে আসে। ১৮ তারিখে চট্টগ্রামে সাখাওয়াতের বাসায় সুমন পরিবার নিয়ে ডাক্তার দেখাতে আসে। আরেক ছোট ভাই শিপন হালিশহরেই থাকে।

মিলন আরও জানান, ভোরে তারা সাহরি খায়। এর কিছুক্ষণ পরপরই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস থেকে জানতে পেরেছি জমা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ ঘটেছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত