
রাঙামাটির নানিয়ারচরে একটি স্কুলের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ সম্পর্কিত প্রশ্ন নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল বুধবার নানিয়ারচর মডেল সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রশ্নপত্র নিয়ে এ ঘটনা ঘটে। এই নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
প্রশ্নপত্রে সৃজনশীল প্রশ্নে ছিল, ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ সম্পর্কে যা জানো লিখো’ এবং বহুনির্বাচনী প্রশ্নে ছিল ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নামের দেশের প্রথম স্যাটেলাইট মহাকাশ যানটি কবে উৎক্ষেপণ করা হয়?’
এ বিষয়ে কথা বলতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অঙ্গদ চাকমার মোবাইল ফোনে সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুম বলেন, ‘প্রশ্নে এই ধরনের প্রশ্ন আসা সেই পুরোনো স্বৈরাচারী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ বলে আমি মনে করি। এই নিয়ে যদি ত্বরিত কোনো সিদ্ধান্ত কর্তৃপক্ষ গ্রহণ না করা হয়, তাহলে আমরা দলীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে পদক্ষেপ গ্রহণ করব।’
উল্লেখ্য, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে থাকা বিভিন্ন স্থাপনার নাম পরিবর্তন করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় স্যাটেলাইটটির নামও পরিবর্তন করা হয়।
২০২৫ সালের ৩ মার্চ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ (BS-1)’ রাখা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনটি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এবং প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদিত ছিল।

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চাকরি দেওয়ার কথা বলে এক গ্রামের ২২ জনকে ডাকা হয়েছিল ঢাকায়। এমন চাকরির আশায় আজ বুধবার ঢাকা এসেছিলেন তাঁরা মৌলভীবাজার থেকে। তবে বিমানবন্দরে এসে জানতে পারলেন, সবই ভুয়া।
২ ঘণ্টা আগে
হোসেনপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে ‘মিথ্যা’ মামলায় ২৪ দিন ধরে কারাবন্দী খায়রুল ইসলাম ফকির (৪০) নামের এক সাংবাদিক। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে তাঁর পরিবার। আজ বুধবার খায়রুলের মুক্তি ও মামলা থেকে অব্যাহতির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্বজনেরা।
৩ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ বন্ধ রাখতে ৫০ কোটি টাকা ঘুষের প্রস্তাব দেওয়া ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় প্রকাশের জন্য সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে নোটিশ প্রাপ্তির সাত দিনের মধ্যে ওই ব্যক্তিদের নাম জনসম্মুখে প্রকাশ অথবা আইনের হাতে তুলে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
‘বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন এবং আমরা ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটিকে এটি অবহিত করেছি। হার্ডড্রাইভ রিপ্লেসের বিষয়টি আমরা সিসলক এবং রেজিস্ট্রারে দেখতে পেয়েছি।’
৪ ঘণ্টা আগে