নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে ঝাড়ুমিছিল করেছেন এলাকাবাসী। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, চেয়ারম্যান মিথ্যা মামলা দিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আতিক উল্লাহসহ কয়েকটি নিরীহ ছেলেকে হয়রানি করছেন। তাঁর দায়ের করা একটি মামলায় ইতিমধ্যে তিনজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার রাতে চাপরাশিরহাট বাজারের শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের সামনে থেকে ঝাড়ুমিছিলটি শুরু হয়ে বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে ওই স্থানে একটি বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তাঁরা।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘ধানশালিক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিনের মেয়েকে ইভটিজিং এবং তাঁর ছেলেকে মারধর করা হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে থানায় মামলা দায়ের করে কিছু নিরীহ মানুষকে হয়রানি করছেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তিনি সামান্য একটি বিষয়কে বড় করেছেন। আমরা চাই দ্রুত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে নেবেন তিনি।’
বক্তারা আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যে সাহাব উদ্দিন চেয়ারম্যানের ছেলের নেতৃত্বে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় গুরুতর আহত নিরীহ দীপুর বাবা বাদী হয়ে কবিরহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আমরা প্রশাসনের প্রতি দাবি জানাচ্ছি, অতি দ্রুত দীপুর ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।’
এ বিষয়ে কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম রফিক আজকের পত্রিকাকে জানান, সাহাব উদ্দিন চেয়ারম্যান মারামারির ঘটনায় একটি মামলা করেছেন। সেই মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর ভাতিজি বাদী হয়ে একটি ইভটিজিং মামলা দায়ের করেছেন। এ ছাড়া দীপুর বাবার একটি লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। সেটি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে ঝাড়ুমিছিল করেছেন এলাকাবাসী। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, চেয়ারম্যান মিথ্যা মামলা দিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আতিক উল্লাহসহ কয়েকটি নিরীহ ছেলেকে হয়রানি করছেন। তাঁর দায়ের করা একটি মামলায় ইতিমধ্যে তিনজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার রাতে চাপরাশিরহাট বাজারের শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের সামনে থেকে ঝাড়ুমিছিলটি শুরু হয়ে বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে ওই স্থানে একটি বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তাঁরা।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘ধানশালিক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিনের মেয়েকে ইভটিজিং এবং তাঁর ছেলেকে মারধর করা হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে থানায় মামলা দায়ের করে কিছু নিরীহ মানুষকে হয়রানি করছেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তিনি সামান্য একটি বিষয়কে বড় করেছেন। আমরা চাই দ্রুত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে নেবেন তিনি।’
বক্তারা আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যে সাহাব উদ্দিন চেয়ারম্যানের ছেলের নেতৃত্বে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় গুরুতর আহত নিরীহ দীপুর বাবা বাদী হয়ে কবিরহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আমরা প্রশাসনের প্রতি দাবি জানাচ্ছি, অতি দ্রুত দীপুর ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।’
এ বিষয়ে কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম রফিক আজকের পত্রিকাকে জানান, সাহাব উদ্দিন চেয়ারম্যান মারামারির ঘটনায় একটি মামলা করেছেন। সেই মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর ভাতিজি বাদী হয়ে একটি ইভটিজিং মামলা দায়ের করেছেন। এ ছাড়া দীপুর বাবার একটি লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। সেটি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে