কুবি প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) কার্যালয়ে সদলবলে ঢুকে উপাচার্যকে শাসালেন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ। জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন অতিথির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলাকালে এই ঘটনা ঘটে। একই কমিটির সাধারণ সম্পাদকসহ বেশ কিছু নেতাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি না দেওয়া হলে সন্ধ্যায় সভা ডেকে তাঁর সমর্থকদের উপাচার্যের বিরুদ্ধে উসকে দেওয়ার হুমকিও দেন এই নেতা।
আজ মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।
ঘটনা চলাকালীন উপাচার্যের কার্যালয়ে অবস্থান করা কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, নানা দাবি নিয়ে দুইবার সেখানে প্রবেশ করেন ইলিয়াস ও তাঁর নেতা-কর্মীরা। এই সময় বর্তমান শাখা ছাত্রলীগ কমিটির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদ, সহসভাপতি হাসান বিদ্যুৎ, কাজী নজরুল ইসলাম হলের শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইমরান হোসেনসহ বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীকে বিভিন্ন পদে চাকরিতে নিয়োগ দেওয়ার জন্য তিনি চাপ প্রয়োগ করেন।
একপর্যায়ে ইলিয়াস ও হাসান বিদ্যুৎ উপাচার্যের সঙ্গে উঁচুগলায় বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এতে যুক্ত হন দত্ত হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সালমান চৌধুরী। এ সময় ইলিয়াস উপাচার্যকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসির বিরুদ্ধে মিছিল হয়েছে বলে হুমকি দেন এবং বলেন, ‘আপনার বিরুদ্ধে করতে পারব না আমরা?’
এ সময় ইলিয়াস আরও বলেন, ‘আপনার কারণে চাকরি না পেয়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে। তাদের চাকরির বয়স শেষ হয়ে যাচ্ছে অথচ তারা চাকরি পাচ্ছে না।’
এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনার সময় উপাচার্য ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের আবেদন করতে বলেন এবং পরীক্ষার মাধ্যমে পাস করে মেধার প্রমাণ দিতে পারলে চাকরি পাবে বলে তাদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন। তবে ইলিয়াস তাঁর হুমকি-ধমকি অব্যাহত রাখেন। একপর্যায়ে সন্ধ্যায় সব হলে জরুরি সভা ডেকে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের উপাচার্যের বিরুদ্ধে উসকে দেওয়ার হুমকিও দেন বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
উপাচার্যের কার্যালয়ে চলা মতবিনিময় সভায় ছিলেন-কুমিল্লা জেলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের কয়েকজন শিক্ষক, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, প্রক্টরসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ বলেন, ‘এই উপাচার্য স্যার ছাত্রলীগকে সুবিধা দিতে চান না। উনি নীতিনৈতিকতার কথা বলেন, অথচ শিক্ষক নিয়োগেই উনি নির্দিষ্ট কয়েকজনকে নিয়োগের জন্য সার্কুলারে বিশেষ শর্ত দিয়ে দিয়েছেন। ছাত্রলীগের থেকে কথা বলতে গেলেই ওনার সমস্যা।’
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি যদি প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে, অবৈধভাবে চাকরি দেওয়ার কথা বলে তাহলে আমি চাকরি দেব না। বিশ্ববিদ্যালয় মেধার জায়গা, মেধার ভিত্তিতে যোগ্যতায় চাকরি পাবে। এটা অনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তার করার জায়গা না। তাদের এসব দাবি অযৌক্তিক।’
বিশেষ শর্ত প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, ‘ইউজিসির নির্দেশনাতেই অধিকতর যোগ্যতা সম্পন্ন প্রার্থী অগ্রাধিকারের বিষয়ে বলা আছে। আমরা এখানে রিসার্চ, পিএইচডি, টিচিং এক্সপেরিয়েন্সের মতো অধিকতর যোগ্যতার বিষয়গুলোর উল্লেখ করেছি, যা ইউজিসির নিয়মের মধ্যে থেকেই করা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, এর আগেও ইলিয়াস বিভিন্ন সময় তাঁর স্ত্রী এবং নেতা-কর্মীদের চাকরিসহ বিভিন্ন টেন্ডারের জন্য উপাচার্যের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়েছেন। গত ৩১ মার্চ একই কারণে তাঁর সমর্থকদের নিয়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে উপাচার্যের গাড়ি আটকে রাখেন এবং উপাচার্যকে বিভিন্ন আক্রমণাত্মক কথা বলেন। প্রায় ১৫ বছর ধরে ক্যাম্পাসে অবস্থান করছেন তিনি।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) কার্যালয়ে সদলবলে ঢুকে উপাচার্যকে শাসালেন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ। জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন অতিথির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলাকালে এই ঘটনা ঘটে। একই কমিটির সাধারণ সম্পাদকসহ বেশ কিছু নেতাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি না দেওয়া হলে সন্ধ্যায় সভা ডেকে তাঁর সমর্থকদের উপাচার্যের বিরুদ্ধে উসকে দেওয়ার হুমকিও দেন এই নেতা।
আজ মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।
ঘটনা চলাকালীন উপাচার্যের কার্যালয়ে অবস্থান করা কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, নানা দাবি নিয়ে দুইবার সেখানে প্রবেশ করেন ইলিয়াস ও তাঁর নেতা-কর্মীরা। এই সময় বর্তমান শাখা ছাত্রলীগ কমিটির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদ, সহসভাপতি হাসান বিদ্যুৎ, কাজী নজরুল ইসলাম হলের শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইমরান হোসেনসহ বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীকে বিভিন্ন পদে চাকরিতে নিয়োগ দেওয়ার জন্য তিনি চাপ প্রয়োগ করেন।
একপর্যায়ে ইলিয়াস ও হাসান বিদ্যুৎ উপাচার্যের সঙ্গে উঁচুগলায় বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এতে যুক্ত হন দত্ত হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সালমান চৌধুরী। এ সময় ইলিয়াস উপাচার্যকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসির বিরুদ্ধে মিছিল হয়েছে বলে হুমকি দেন এবং বলেন, ‘আপনার বিরুদ্ধে করতে পারব না আমরা?’
এ সময় ইলিয়াস আরও বলেন, ‘আপনার কারণে চাকরি না পেয়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে। তাদের চাকরির বয়স শেষ হয়ে যাচ্ছে অথচ তারা চাকরি পাচ্ছে না।’
এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনার সময় উপাচার্য ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের আবেদন করতে বলেন এবং পরীক্ষার মাধ্যমে পাস করে মেধার প্রমাণ দিতে পারলে চাকরি পাবে বলে তাদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন। তবে ইলিয়াস তাঁর হুমকি-ধমকি অব্যাহত রাখেন। একপর্যায়ে সন্ধ্যায় সব হলে জরুরি সভা ডেকে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের উপাচার্যের বিরুদ্ধে উসকে দেওয়ার হুমকিও দেন বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
উপাচার্যের কার্যালয়ে চলা মতবিনিময় সভায় ছিলেন-কুমিল্লা জেলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের কয়েকজন শিক্ষক, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, প্রক্টরসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ বলেন, ‘এই উপাচার্য স্যার ছাত্রলীগকে সুবিধা দিতে চান না। উনি নীতিনৈতিকতার কথা বলেন, অথচ শিক্ষক নিয়োগেই উনি নির্দিষ্ট কয়েকজনকে নিয়োগের জন্য সার্কুলারে বিশেষ শর্ত দিয়ে দিয়েছেন। ছাত্রলীগের থেকে কথা বলতে গেলেই ওনার সমস্যা।’
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি যদি প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে, অবৈধভাবে চাকরি দেওয়ার কথা বলে তাহলে আমি চাকরি দেব না। বিশ্ববিদ্যালয় মেধার জায়গা, মেধার ভিত্তিতে যোগ্যতায় চাকরি পাবে। এটা অনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তার করার জায়গা না। তাদের এসব দাবি অযৌক্তিক।’
বিশেষ শর্ত প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, ‘ইউজিসির নির্দেশনাতেই অধিকতর যোগ্যতা সম্পন্ন প্রার্থী অগ্রাধিকারের বিষয়ে বলা আছে। আমরা এখানে রিসার্চ, পিএইচডি, টিচিং এক্সপেরিয়েন্সের মতো অধিকতর যোগ্যতার বিষয়গুলোর উল্লেখ করেছি, যা ইউজিসির নিয়মের মধ্যে থেকেই করা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, এর আগেও ইলিয়াস বিভিন্ন সময় তাঁর স্ত্রী এবং নেতা-কর্মীদের চাকরিসহ বিভিন্ন টেন্ডারের জন্য উপাচার্যের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়েছেন। গত ৩১ মার্চ একই কারণে তাঁর সমর্থকদের নিয়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে উপাচার্যের গাড়ি আটকে রাখেন এবং উপাচার্যকে বিভিন্ন আক্রমণাত্মক কথা বলেন। প্রায় ১৫ বছর ধরে ক্যাম্পাসে অবস্থান করছেন তিনি।

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সন্দেহের জেরে ‘মাদকাসক্ত’ একদল যুবকের হামলায় আহত কলেজছাত্র আশরাফুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
৯ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
৯ ঘণ্টা আগে
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
১০ ঘণ্টা আগে