
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে একের পর এক রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড এবং নির্বাচনের আগের দিন মুহুর্মুহু ফাঁকা গুলির ঘটনায় আতঙ্ক থাকলেও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পেরেছেন চট্টগ্রামের রাউজানের ভোটাররা।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এ সময়ে উপজেলাটির কোনো ভোটকেন্দ্রে সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি।
চট্টগ্রাম-৬ আসনের একমাত্র উপজেলাটিতে গতকাল বুধবার কদলপুর এলাকায় মুহুর্মুহু ফাঁকা গুলির ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ২৫-৩০ জনের একদল দুর্বৃত্তের গুলি ছোড়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর রাউজানে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সেনাবাহিনীর সদস্যেরও কড়া নজরদারি ছিল।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর রাউজানে সংঘাতে ১৯ জন নিহত হন। এর মধ্যে ৯ জনই বিএনপির দলীয় নেতা-কর্মী। এসব ঘটনায় রক্তাক্ত জনপদ হিসেবে পরিচিতি পায় রাউজান।
আসনটিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী (পদ স্থগিত) ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক (কমিটি বিলুপ্ত) গোলাম আকবর পক্ষের অনুসারীদের মধ্যে বিরোধ দীর্ঘদিনের। সেই বিরোধের জেরে একের পর এক সংঘাতের ঘটনা ঘটে।
এবারের নির্বাচনে বিএনপি প্রথম দফায় সারা দেশে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করলেও চট্টগ্রাম-৬ আসনে কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। পরে গত ৫ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। আবার ২৭ ডিসেম্বর দলের মহাসচিব উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক গোলাম আকবর খোন্দকারকে দলীয় মনোনয়নপত্র দেয় দলটি। এর পর থেকে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়। তবে শেষ পর্যন্ত গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীকেই চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক দেয় বিএনপি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হান চট্টগ্রাম মহানগরী ও রাউজানে একাধিক হত্যা মামলায় পলাতক আসামি। একটি রাজনৈতিক নেতার প্রশ্রয়ে থাকা শীর্ষ এই সন্ত্রাসীর ২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে একের পর এক হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য এলে তাঁকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রায়হানই ওই গুলিবর্ষণের সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।
এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এস এম রাহাতুল ইসলাম জানান, রাউজানের কোথাও কোনো ধরনের গন্ডগোল হয়নি। সবখানে একেবারে শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে।

বান্দরবান-৩০০ আসনে মোট ১৮৭টি কেন্দ্রের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৬৩টির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী বিএনপি প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী ধানের শীষ প্রতীকে ৫১,৫২৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।
৪ মিনিট আগে
নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসুদ ৫০টি কেন্দ্রে ৪৪ হাজার ৯০১ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের মাহবুবের রহমান শামীম পেয়েছেন ২৫ হাজার ৩২৮ ভোট।
৭ মিনিট আগে
নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনে মোট ৯১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫টির ফলাফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মঈন খান ২৫,০৬২ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।
৯ মিনিট আগে
ফরিদপুর জেলার চারটি সংসদীয় আসনের প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে—তিনটিতে বিএনপি প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন এবং একটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী শীর্ষে অবস্থান করছেন। প্রাপ্ত কেন্দ্রগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণে এ চিত্র পাওয়া গেছে।
১০ মিনিট আগে