কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি

রাঙামাটির কাপ্তাই লেকের জেটিঘাটের পন্টুন সংলগ্ন এক কিলোমিটার এলাকায় কচুরিপানার জট বেঁধেছে। এতে চলাচলের দুর্ভোগ হওয়ায় গতকাল মঙ্গলবার থেকে কাপ্তাই-বিলাইছড়ি রুটে নৌ-চলাচল বন্ধ রয়েছে।
নৌ-চলাচল বন্ধ থাকার বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট বোট মালিক সমিতির লাইনম্যান শীতল সরকার। তিনি বলেন, ‘বন্ধ থাকার পরেও আজ বুধবার সকালে একটি ইঞ্জিনচালিত বোট জেটিঘাট থেকে বিলাইছড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হলে মাঝপথে কচুরিপানার মধ্যে আটকে যায়। পরে গন্তব্যে যেতে না পেরে পন্টুনে ফিরে আসে বোটটি।’
আজ বিকেলে কাপ্তাই উপজেলার ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র আপস্ট্রিম জেটিঘাট এলাকা সংলগ্ন কাপ্তাই লেকে গিয়ে দেখা গেছে, ‘দেখলে মনে হয় কোনো কচুরিপানার ডোবা। যেখানে বসে নানা প্রজাতির পাখি খেলা করছে।’
কাপ্তাই জেটিঘাট এলাকার মাছচাষি মো. ইউনুস জানান, লাগাতার বৃষ্টিতে এক সপ্তাহ ধরে কাপ্তাই লেক ও এর আশপাশে জট বাঁধে কচুরিপানার। লেকের বিভিন্ন এলাকা থেকে কচুরিপানা এসে জেটিঘাট পন্টুন, কার্গো এলাকা, জেলেপাড়া, স’মিল, কাপ্তাই বাঁধ, শহীদ শামসুদ্দিনঘাটসহ জেটিঘাটের আশপাশের এলাকায় এসে জলজট সৃষ্টি হয়। যার ফলে কাপ্তাই-বিলাইছড়ি উপজেলায় নৌ-চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কোনো নৌ চলাচল করতে না পারায় সীমাহীন দুর্ভোগ পড়ছে সাধারণ মানুষ।
মৌসুমি ব্যবসায়ী কালাম ও কনা তনচংগ্যা বলেন, ‘বিশাল কচুরিপানার জটের ফলে পাহাড়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎপাদিত ফসল কৃষকেরা বাজারে আনতে পারছেন না।’
কাপ্তাই উপজেলার ৪ নম্বর কাপ্তাই ইউপির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল লতিফ বলেন, ‘কচুরিপানা জটের ফলে এলাকার সর্বস্তরের লোকজনের ক্ষতি হচ্ছে। ইতিমধ্যে একটি পরিবার লেকে আটকে পড়ায় তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র ব্যবস্থাপকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি লেক থেকে কচুরিপানা অপসারণের জন্য। ইতিমধ্যে কাপ্তাই পানি-বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ কিছু কচুরিপানা অপসারণ করেছে।’

রাঙামাটির কাপ্তাই লেকের জেটিঘাটের পন্টুন সংলগ্ন এক কিলোমিটার এলাকায় কচুরিপানার জট বেঁধেছে। এতে চলাচলের দুর্ভোগ হওয়ায় গতকাল মঙ্গলবার থেকে কাপ্তাই-বিলাইছড়ি রুটে নৌ-চলাচল বন্ধ রয়েছে।
নৌ-চলাচল বন্ধ থাকার বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট বোট মালিক সমিতির লাইনম্যান শীতল সরকার। তিনি বলেন, ‘বন্ধ থাকার পরেও আজ বুধবার সকালে একটি ইঞ্জিনচালিত বোট জেটিঘাট থেকে বিলাইছড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হলে মাঝপথে কচুরিপানার মধ্যে আটকে যায়। পরে গন্তব্যে যেতে না পেরে পন্টুনে ফিরে আসে বোটটি।’
আজ বিকেলে কাপ্তাই উপজেলার ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র আপস্ট্রিম জেটিঘাট এলাকা সংলগ্ন কাপ্তাই লেকে গিয়ে দেখা গেছে, ‘দেখলে মনে হয় কোনো কচুরিপানার ডোবা। যেখানে বসে নানা প্রজাতির পাখি খেলা করছে।’
কাপ্তাই জেটিঘাট এলাকার মাছচাষি মো. ইউনুস জানান, লাগাতার বৃষ্টিতে এক সপ্তাহ ধরে কাপ্তাই লেক ও এর আশপাশে জট বাঁধে কচুরিপানার। লেকের বিভিন্ন এলাকা থেকে কচুরিপানা এসে জেটিঘাট পন্টুন, কার্গো এলাকা, জেলেপাড়া, স’মিল, কাপ্তাই বাঁধ, শহীদ শামসুদ্দিনঘাটসহ জেটিঘাটের আশপাশের এলাকায় এসে জলজট সৃষ্টি হয়। যার ফলে কাপ্তাই-বিলাইছড়ি উপজেলায় নৌ-চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কোনো নৌ চলাচল করতে না পারায় সীমাহীন দুর্ভোগ পড়ছে সাধারণ মানুষ।
মৌসুমি ব্যবসায়ী কালাম ও কনা তনচংগ্যা বলেন, ‘বিশাল কচুরিপানার জটের ফলে পাহাড়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎপাদিত ফসল কৃষকেরা বাজারে আনতে পারছেন না।’
কাপ্তাই উপজেলার ৪ নম্বর কাপ্তাই ইউপির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল লতিফ বলেন, ‘কচুরিপানা জটের ফলে এলাকার সর্বস্তরের লোকজনের ক্ষতি হচ্ছে। ইতিমধ্যে একটি পরিবার লেকে আটকে পড়ায় তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র ব্যবস্থাপকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি লেক থেকে কচুরিপানা অপসারণের জন্য। ইতিমধ্যে কাপ্তাই পানি-বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ কিছু কচুরিপানা অপসারণ করেছে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে