কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় আসামি ধরতে গিয়ে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে কর্ণফুলী থানার ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্য ও চার জন স্থানীয় বাসিন্দা আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার চাতরী চৌমুহনী বাজারের ভোজন বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এরআগে গত শুক্রবার আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় কর্ণফুলী থানায় মামলা হয়। এ মামলার আসামি মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করতে গেলে আনোয়ারা ও কর্ণফুলী থানার পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় লোকজনের সংঘর্ষ হয়। এ সময় লোকজন মোজাম্মেল হককে ছিনিয়ে নেয়। সংঘর্ষে আসহাব উদ্দিন, নয়ন সরকার, বাবু নামে তিনজন গুলিবিদ্ধসহ পুলিশের সদস্য জয়নাল আবেদীন, জ্ঞানতোষ চাকমা, জাকির হোসেন এবং কর্ণফুলী থানার ওসি মো. জহির হোসেন আহত হন।
এ সময় ঘটনাস্থল থেকে শাহেদ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১৮ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে বলে জানা গেছে। আজ রোববার দুপুর পর্যন্ত পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
মোজাম্মেল হক আনোয়ারা উপজেলার নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কাজী মোজাম্মেল হকের সমর্থক। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মোজাম্মেল হক অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খানের অনুসারী বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন জানান, গতকাল শনিবার বিকেলে আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর এলাকায় অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খানের সঙ্গে স্থানীয় লোকজনের একটি মতবিনিময় সভা ছিল। ওই অনুষ্ঠান শেষ করে আনোয়ারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মোজাম্মেল হক ও তাঁর কর্মী মোজাম্মেল হক চাতরী চৌমুহনী বাজারের একটি রেস্তোরাঁয় নাশতা করছিলেন। ওই সময় পুলিশ মোজাম্মেল হককে মামলার আসামি উল্লেখ করে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যেতে চায়। তবে উপস্থিত লোকজন তাঁকে ছিনিয়ে নেয়। মোজাম্মেলকে ছিনিয়ে নেওয়ার সময় পুলিশ ও জনতার মুখোমুখি সংঘর্ষ বাধে এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
ওই সময় চাতরী চৌমুহনী বাজারে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. সোহানুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল আহমেদ বলেন, ‘শুক্রবারের ঘটনায় থানায় মামলা হলে কর্ণফুলী থানার পুলিশসহ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করা হয় চাতরী চৌমুহনী বাজারে। ওই সময় এজাহারনামীয় প্রধান আসামি মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করি। কিন্তু আমাদের কাছ থেকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে লোকজন অভিযুক্ত আসামি মোজাম্মেল হককে হ্যান্ডকাপসহ ছিনিয়ে নেন।’
ওসি আরও বলেন, ওই সময় তাঁদের ইটপাটকেল ও লাঠির আঘাতে আনোয়ারা থানার তিনজন, কর্ণফুলী থানার ওসিসহ মোট ছয় পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ১৮টি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়।
এরআগে গত শুক্রবার বিকেল সোয়া চারটার সময় উপজেলার বন্দর সেন্টার এলাকায় অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান এবং সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ঘটনা ঘটে। এতে আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক এম.এ মান্নান চৌধুরীসহ এক পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের ১৮ জন আহত হন। এ ঘটনায় সাইফুজ্জামান চৌধুরীর অনুসারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক এম.এ মান্নান চৌধুরী কর্ণফুলী থানায় ২৬ জনের নাম উল্লেখসহ ১২০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহির হোসেন বলেন, শুক্রবার সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় মামলা হলে কর্ণফুলী, আনোয়ারা ও পটিয়া থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় আসামি মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করি। কিন্তু ওইসময় আমাদের কাছ থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী মোজাম্মেল হকসহ লোকজন অভিযুক্ত আসামি মোজাম্মেলকে হ্যান্ডকাপসহ ছিনিয়ে নেন।
রাতের পুলিশের অভিযান এবং গুলিতে স্থানীয় ১২জন সাধারণ মানুষসহ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলার নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কাজী মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, ‘আমি রেস্তোরাঁর ওয়াশরুমে ছিলাম তখন। সেখান থেকে এসে দেখি মোজাম্মেলকে ধরে গাড়িতে তুলে ফেলেছে পুলিশ। আমি তখন কথা বলতে চাইলে আনোয়ারা থানার ওসি আমার দিকে লাঠি হাতে তেড়ে এসে বলেন, মামলার আসামি, তাই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তখন উপস্থিত বিক্ষুব্ধ জনতা মোজাম্মেলকে কেড়ে নেয়।’

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় আসামি ধরতে গিয়ে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে কর্ণফুলী থানার ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্য ও চার জন স্থানীয় বাসিন্দা আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার চাতরী চৌমুহনী বাজারের ভোজন বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এরআগে গত শুক্রবার আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় কর্ণফুলী থানায় মামলা হয়। এ মামলার আসামি মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করতে গেলে আনোয়ারা ও কর্ণফুলী থানার পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় লোকজনের সংঘর্ষ হয়। এ সময় লোকজন মোজাম্মেল হককে ছিনিয়ে নেয়। সংঘর্ষে আসহাব উদ্দিন, নয়ন সরকার, বাবু নামে তিনজন গুলিবিদ্ধসহ পুলিশের সদস্য জয়নাল আবেদীন, জ্ঞানতোষ চাকমা, জাকির হোসেন এবং কর্ণফুলী থানার ওসি মো. জহির হোসেন আহত হন।
এ সময় ঘটনাস্থল থেকে শাহেদ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১৮ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে বলে জানা গেছে। আজ রোববার দুপুর পর্যন্ত পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
মোজাম্মেল হক আনোয়ারা উপজেলার নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কাজী মোজাম্মেল হকের সমর্থক। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মোজাম্মেল হক অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খানের অনুসারী বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন জানান, গতকাল শনিবার বিকেলে আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর এলাকায় অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খানের সঙ্গে স্থানীয় লোকজনের একটি মতবিনিময় সভা ছিল। ওই অনুষ্ঠান শেষ করে আনোয়ারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মোজাম্মেল হক ও তাঁর কর্মী মোজাম্মেল হক চাতরী চৌমুহনী বাজারের একটি রেস্তোরাঁয় নাশতা করছিলেন। ওই সময় পুলিশ মোজাম্মেল হককে মামলার আসামি উল্লেখ করে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যেতে চায়। তবে উপস্থিত লোকজন তাঁকে ছিনিয়ে নেয়। মোজাম্মেলকে ছিনিয়ে নেওয়ার সময় পুলিশ ও জনতার মুখোমুখি সংঘর্ষ বাধে এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
ওই সময় চাতরী চৌমুহনী বাজারে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. সোহানুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল আহমেদ বলেন, ‘শুক্রবারের ঘটনায় থানায় মামলা হলে কর্ণফুলী থানার পুলিশসহ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করা হয় চাতরী চৌমুহনী বাজারে। ওই সময় এজাহারনামীয় প্রধান আসামি মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করি। কিন্তু আমাদের কাছ থেকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে লোকজন অভিযুক্ত আসামি মোজাম্মেল হককে হ্যান্ডকাপসহ ছিনিয়ে নেন।’
ওসি আরও বলেন, ওই সময় তাঁদের ইটপাটকেল ও লাঠির আঘাতে আনোয়ারা থানার তিনজন, কর্ণফুলী থানার ওসিসহ মোট ছয় পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ১৮টি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়।
এরআগে গত শুক্রবার বিকেল সোয়া চারটার সময় উপজেলার বন্দর সেন্টার এলাকায় অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান এবং সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ঘটনা ঘটে। এতে আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক এম.এ মান্নান চৌধুরীসহ এক পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের ১৮ জন আহত হন। এ ঘটনায় সাইফুজ্জামান চৌধুরীর অনুসারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক এম.এ মান্নান চৌধুরী কর্ণফুলী থানায় ২৬ জনের নাম উল্লেখসহ ১২০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহির হোসেন বলেন, শুক্রবার সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় মামলা হলে কর্ণফুলী, আনোয়ারা ও পটিয়া থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় আসামি মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করি। কিন্তু ওইসময় আমাদের কাছ থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী মোজাম্মেল হকসহ লোকজন অভিযুক্ত আসামি মোজাম্মেলকে হ্যান্ডকাপসহ ছিনিয়ে নেন।
রাতের পুলিশের অভিযান এবং গুলিতে স্থানীয় ১২জন সাধারণ মানুষসহ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলার নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কাজী মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, ‘আমি রেস্তোরাঁর ওয়াশরুমে ছিলাম তখন। সেখান থেকে এসে দেখি মোজাম্মেলকে ধরে গাড়িতে তুলে ফেলেছে পুলিশ। আমি তখন কথা বলতে চাইলে আনোয়ারা থানার ওসি আমার দিকে লাঠি হাতে তেড়ে এসে বলেন, মামলার আসামি, তাই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তখন উপস্থিত বিক্ষুব্ধ জনতা মোজাম্মেলকে কেড়ে নেয়।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই জামায়াতের আমিরের আসনে প্রার্থী দিইনি। অ্যাডভোকেট হেলাল আমাদের আমিরের প্রতি সম্মান দেখিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন, এটাই রাজনীতির সৌন্দর্য।’
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সন্দেহের জেরে ‘মাদকাসক্ত’ একদল যুবকের হামলায় আহত কলেজছাত্র আশরাফুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
১১ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
১১ ঘণ্টা আগে