ফেনী প্রতিনিধি

ফেনী সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান মিশু ও সহসভাপতি শুভসহ অন্তত ১০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। আজ বুধবার ফেনী সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ক্যাম্পাসে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনা শুনে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে মারামারির বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে ইনস্টিটিউটের শহীদ সাহাব উদ্দিন ছাত্রাবাসের সামনের পুকুর পাড়ে ছাত্রলীগের দুই নেতা-কর্মীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। তাঁদের দুজনের পক্ষ নেন শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি হাবিবুর রহমান মিশু ও সহসভাপতি শুভ। এ সময় তাঁরা নিজেদের বিবাদে জড়িয়ে হাতাহাতি করেন। একপর্যায়ে মিশু ও শুভর সমর্থকেরা জড়ো হলে মারামারি শুরু হয়।
সংঘর্ষে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান মিশু, সহসভাপতি শুভ ছাড়াও সংগঠনের উপদপ্তর সম্পাদক ও আর্কিটেকচার দ্বিতীয় পর্বের রেদওয়ান আহমেদ (১৯), মেকানিক্যাল অষ্টম পর্বের শিক্ষার্থী ইমরান হোসেন (২৩), চতুর্থ পর্বের তন্ময় মজুমদার (২০), ষষ্ঠ পর্বের আনোয়ারুল আজিম আরাফাত (২০), সিভিল ষষ্ঠ পর্বের স্বপন (২২) ও সজীব (১৯) আহত হন। বাকি আহতরা ফেনী সদর হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে যান।
এদিকে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ফেনী জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি তোফায়েল আহম্মদ তপু ও সাধারণ সম্পাদক নুর করিম জাবেদ ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় তাঁরা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেউ দোষী হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শহীদ সাহাব উদ্দিন ছাত্রাবাসের সুপার আক্তারুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শিক্ষকেরা সবাই পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত। এর মধ্যে আজ দুপুরে ছাত্রাবাস-সংলগ্ন মুক্তমঞ্চের সামনে থেকে দুই পক্ষের ঝগড়ার কথা শুনেছি।’
ফেনী সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে অধ্যক্ষ প্রকৌশলী প্রদীপ্ত খীসা আজকের পত্রিকাকে বলেন, দুই পক্ষের মারামারির সময় তিনি বাসায় ছিলেন। প্রকৃত ঘটনা জানতে দুজন শিক্ষককে দায়িত্ব দিয়েছেন।

ফেনী সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান মিশু ও সহসভাপতি শুভসহ অন্তত ১০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। আজ বুধবার ফেনী সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ক্যাম্পাসে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনা শুনে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে মারামারির বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে ইনস্টিটিউটের শহীদ সাহাব উদ্দিন ছাত্রাবাসের সামনের পুকুর পাড়ে ছাত্রলীগের দুই নেতা-কর্মীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। তাঁদের দুজনের পক্ষ নেন শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি হাবিবুর রহমান মিশু ও সহসভাপতি শুভ। এ সময় তাঁরা নিজেদের বিবাদে জড়িয়ে হাতাহাতি করেন। একপর্যায়ে মিশু ও শুভর সমর্থকেরা জড়ো হলে মারামারি শুরু হয়।
সংঘর্ষে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান মিশু, সহসভাপতি শুভ ছাড়াও সংগঠনের উপদপ্তর সম্পাদক ও আর্কিটেকচার দ্বিতীয় পর্বের রেদওয়ান আহমেদ (১৯), মেকানিক্যাল অষ্টম পর্বের শিক্ষার্থী ইমরান হোসেন (২৩), চতুর্থ পর্বের তন্ময় মজুমদার (২০), ষষ্ঠ পর্বের আনোয়ারুল আজিম আরাফাত (২০), সিভিল ষষ্ঠ পর্বের স্বপন (২২) ও সজীব (১৯) আহত হন। বাকি আহতরা ফেনী সদর হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে যান।
এদিকে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ফেনী জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি তোফায়েল আহম্মদ তপু ও সাধারণ সম্পাদক নুর করিম জাবেদ ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় তাঁরা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেউ দোষী হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শহীদ সাহাব উদ্দিন ছাত্রাবাসের সুপার আক্তারুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শিক্ষকেরা সবাই পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত। এর মধ্যে আজ দুপুরে ছাত্রাবাস-সংলগ্ন মুক্তমঞ্চের সামনে থেকে দুই পক্ষের ঝগড়ার কথা শুনেছি।’
ফেনী সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে অধ্যক্ষ প্রকৌশলী প্রদীপ্ত খীসা আজকের পত্রিকাকে বলেন, দুই পক্ষের মারামারির সময় তিনি বাসায় ছিলেন। প্রকৃত ঘটনা জানতে দুজন শিক্ষককে দায়িত্ব দিয়েছেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে