চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাটল ট্রেন ভুল লাইনে যাওয়ার ঘটনায় ষোলোশহর স্টেশনের সহকারী মাস্টার অভি সেনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রেলওয়ের পরিবহন বিভাগ বরখাস্তের আদেশের চিঠি দিলেও এটি জানাজানি হয়নি। আজ রোববার রেলওয়ে সহকারী পরিবহন কর্মকর্তা (পাহাড়তলী) মো. ফেরদৌস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বরখাস্তের আদেশে করা হয়, বরখাস্তকালীন অভিযুক্ত ষোলোশহর স্টেশনের সহকারী মাস্টার অভি সেন বিভাগীয় পরিবহন দপ্তর, চট্টগ্রামে উপস্থিত থাকবেন। ওই সময়ে তিনি প্রচলিত বিধি মোতাবেক বেতন-ভাতাদি পাবেন।
ষোলোশহর স্টেশন মাস্টার জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘ষোলোশহর স্টেশন থেকে দুদিকে রেললাইন গেছে। একটি দোহাজারী, আরেকটি হাটহাজারী। গত ২৪ এপ্রিল দোহাজারী লাইনে একটি তেলবাহী ট্রেনকে সংকেত দেওয়া হয়, পরে ওই লাইনটি পুনরায় আগের অবস্থায় ফিরে আনা হয়নি।
ফলে ওই দিন রাত ৯টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে চবির শাটল ট্রেনটি দোহাজারী লাইনে ঢুকে যায়। এতে ট্রেনটি ষোলোশহর ফরেস্ট গেট পর্যন্ত চলে যায়।
ট্রেনচালক বিষয়টি বুঝতে পারেন। তিনি তৎক্ষণাৎ শাটলটি থামিয়ে দেন। পরে ট্রেনটি পেছনে নিয়ে এসে পুনরায় নির্ধারিত লাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ে যায়। এ ঘটনায় সহকারী স্টেশন মাস্টারকে বরখাস্ত করা হয়েছে।’ এই বিষয়ে অভি সেনের মোবাইল ফোনে কয়েকবার কল দিয়েও সংযোগ না পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

দুপুরে গোসল সেরে নতুন পোশাক পরে বাবার সঙ্গে মোটরসাইকেলের সামনে বসেছিল সাড়ে পাঁচ বছরের শিশু বন্ধন চন্দ্র রায়। মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিলেন বাবা প্রশান্ত চন্দ্র রায়, আর পেছনে বসেছিলেন দাদা নির্মল চন্দ্র রায়। গন্তব্য ছিল তুলসীহাটের একটি বিয়েবাড়ি। কিন্তু সেই পথ আর শেষ করা হলো না তাঁদের।
৪ মিনিট আগে
মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সুপেয় পানি সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার স্থাপনের প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। সেই কাজ একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে বাগিয়ে নেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ড্রাফটসম্যান শাহিন আলম। এখন সেই প্রতিষ্ঠান লাপাত্তা।
৫ ঘণ্টা আগে
পরীক্ষার কক্ষে সবাই বেঞ্চে বসে লিখে যাচ্ছেন খাতায়। তাঁদের পাশে বসে লিখছেন আরেক শিক্ষার্থী কলি রানী। তাঁকে দেওয়া হয়েছে ছোট বেঞ্চ। আর সেখানে বসেই মনোযোগসহকারে পা দিয়ে উত্তর লিখে যাচ্ছেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারে তীব্র ওষুধসংকট, জনবল ঘাটতি, দায়িত্বে অবহেলাসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো। ফলে জেলার প্রত্যন্ত এলাকার প্রায় ১১ লাখ মানুষ এসব ক্লিনিক থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধসহ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের বয়স্ক, গর্ভবতী নারী ও নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী।
৬ ঘণ্টা আগে