নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম নগরীতে পাহাড় কেটে অবৈধভাবে নির্মাণাধীন একটি আবাসন কোম্পানির ছয়তলার বহুতল ভবন ভাঙার কাজ শুরু করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। আজ সোমবার সকালে নগরীর আসকারদীঘির পাড়ে এস এস খালেদ রোডসংলগ্ন নির্মাণাধীন ভবনটিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ভাঙার কাজ শুরু হয়। অভিযানে সিডিএ চেয়ারম্যান, ম্যাজিস্ট্রেটসহ অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
‘স্বপ্নীল ফ্যামিলি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’ নামের একটি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান ৯২টি পরিবারের জন্য সেখানে তিনটি আলাদা ভবন নির্মাণকাজ করছিল। তবে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে মালিকদের কাউকে পাওয়া যায়নি।
সিডিএ জানায়, ২০১৯ সালে পাহাড়টি কেনার পর ২০২৩ সালের ১৩ এপ্রিল সিডিএর ইমারত নির্মাণ কমিটির কাছ থেকে তিনটি বেসমেন্ট ও ১৪ তলা (পাহাড়ে বেসমেন্ট হয় না; বাস্তবে তিনটি পার্কিং ফ্লোর, ১৪ তলা আবাসিকসহ মোট ১৭ তলা) ভবনের অনুমোদন নেওয়া হয়। এ সময় পাহাড় না কাটাসহ ৮৭টি শর্ত দিয়েছিল সিডিএ। এসব শর্তের কোনোটিই মানেনি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানটি।
অভিযোগ রয়েছে, টিন দিয়ে উঁচু প্রাচীর তুলে পাহাড়টিকে দৃষ্টির আড়ালে নেওয়া হয়। এরপর সেটি ধীরে ধীরে প্রায় কেটে ফেলা হয়। পাশাপাশি শর্ত না মেনে পুরো জায়গায় ভবন নির্মাণকাজ শুরু হয়। ইতিমধ্যে সেখানে বেসমেন্টসহ ভবনের ছয়তলা নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া সিডিএর বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘স্বপ্নীল ফ্যামিলি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন আসকারদীঘির পাড়ের এই পাহাড় কেটে ১৪ তলা ভবন নির্মাণ করছিল। অবৈধভাবে ভবন নির্মাণের বিষয়ে সিডিএর পক্ষ থেকে তাঁদের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এ নোটিশের বিরুদ্ধে ভবনমালিকেরা ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। হাইকোর্ট সিডিএর আদেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিলে তাঁরা কাজ চালিয়ে যান। সিডিএ পরে চেম্বার জজ আদালতে আপিল করে। গত রোববার চেম্বার জজ তাঁদের পক্ষের হাইকোর্টের যে আদেশ ছিল, তা ভ্যাকেট করে দিয়েছেন। এই আদেশ পাওয়ার পরপরই আমরা অভিযান পরিচালনা করছি।’

চট্টগ্রাম নগরীতে পাহাড় কেটে অবৈধভাবে নির্মাণাধীন একটি আবাসন কোম্পানির ছয়তলার বহুতল ভবন ভাঙার কাজ শুরু করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। আজ সোমবার সকালে নগরীর আসকারদীঘির পাড়ে এস এস খালেদ রোডসংলগ্ন নির্মাণাধীন ভবনটিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ভাঙার কাজ শুরু হয়। অভিযানে সিডিএ চেয়ারম্যান, ম্যাজিস্ট্রেটসহ অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
‘স্বপ্নীল ফ্যামিলি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’ নামের একটি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান ৯২টি পরিবারের জন্য সেখানে তিনটি আলাদা ভবন নির্মাণকাজ করছিল। তবে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে মালিকদের কাউকে পাওয়া যায়নি।
সিডিএ জানায়, ২০১৯ সালে পাহাড়টি কেনার পর ২০২৩ সালের ১৩ এপ্রিল সিডিএর ইমারত নির্মাণ কমিটির কাছ থেকে তিনটি বেসমেন্ট ও ১৪ তলা (পাহাড়ে বেসমেন্ট হয় না; বাস্তবে তিনটি পার্কিং ফ্লোর, ১৪ তলা আবাসিকসহ মোট ১৭ তলা) ভবনের অনুমোদন নেওয়া হয়। এ সময় পাহাড় না কাটাসহ ৮৭টি শর্ত দিয়েছিল সিডিএ। এসব শর্তের কোনোটিই মানেনি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানটি।
অভিযোগ রয়েছে, টিন দিয়ে উঁচু প্রাচীর তুলে পাহাড়টিকে দৃষ্টির আড়ালে নেওয়া হয়। এরপর সেটি ধীরে ধীরে প্রায় কেটে ফেলা হয়। পাশাপাশি শর্ত না মেনে পুরো জায়গায় ভবন নির্মাণকাজ শুরু হয়। ইতিমধ্যে সেখানে বেসমেন্টসহ ভবনের ছয়তলা নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া সিডিএর বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘স্বপ্নীল ফ্যামিলি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন আসকারদীঘির পাড়ের এই পাহাড় কেটে ১৪ তলা ভবন নির্মাণ করছিল। অবৈধভাবে ভবন নির্মাণের বিষয়ে সিডিএর পক্ষ থেকে তাঁদের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এ নোটিশের বিরুদ্ধে ভবনমালিকেরা ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। হাইকোর্ট সিডিএর আদেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিলে তাঁরা কাজ চালিয়ে যান। সিডিএ পরে চেম্বার জজ আদালতে আপিল করে। গত রোববার চেম্বার জজ তাঁদের পক্ষের হাইকোর্টের যে আদেশ ছিল, তা ভ্যাকেট করে দিয়েছেন। এই আদেশ পাওয়ার পরপরই আমরা অভিযান পরিচালনা করছি।’

তিন দিন ধরে রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে কুমির বিচরণ করতে দেখা গেছে। এতে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তীরবর্তী এলাকায় নদীতে কখনো সকালে, কখনো দুপুরে কুমির ভেসে উঠছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। হঠাৎ পদ্মায় কুমির বিচরণের খবর শুনে তা দেখতে নদীতীরে ভিড় করছে উৎসুক জনতা।
১৫ মিনিট আগে
দীর্ঘ এক দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে হাসি ফিরেছে সুমন-এনি দম্পতির ঘরে। আজ মঙ্গলবার একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাঁচ নবজাতককে নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন তাঁরা। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ওই প্রসূতি পাঁচ সন্তান জন্ম দেন। তার মধ্যে তিনজন মেয়ে ও দুজন ছেলে।
৪১ মিনিট আগে
ট্রেড ইউনিয়নের নামে হয়রানি, খাদ্য মূল্যস্ফীতি, ওয়ান স্টপ সার্ভিসের অভাব ও নিয়মবহির্ভূত স্ট্রিট ফুডের বিস্তারে দেশের রেস্তোরাঁ খাত আগে থেকেই সংকটে ছিল। নতুন করে যোগ হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চরম সংকট। বাড়তি দাম দিয়েও সময়মতো মিলছে না এলপিজি। এতে অনেক রেস্তোরাঁই বন্ধের পথে রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
শরীয়তপুর সদর উপজেলায় আলোচিত শিশু হৃদয় খান নিবিড় হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে ২১ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে শরীয়তপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
২ ঘণ্টা আগে