আবদুল মান্নান, মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি)

মেঘে মেঘে বেলা শেষ। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি শেষে আজ বুধবার পাহাড়ে কোরবানির হাটে পশু বেচাকেনায় কিছুটা গতি এসেছে। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও বৃষ্টি না হওয়ায় গরু দেখতে আসছেন ক্রেতারা। আজ খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী উপজেলা থেকেও তিনটহরী বাজারে অনেক গরু তোলা হয়। বিকেল নাগাদ হাজারের বেশি গরু বিক্রি হয়েছে। ছোট ও মাঝারি গরু বিক্রি হয়েছে বেশি। বড় গরু বিক্রি নেই বললেই চলে। তবে বিক্রেতারা বলেছেন, টানা বৃষ্টির কারণে এবার ক্রেতা কম হওয়ায়; বিশেষ করে শহরের পাইকারেরা না আসায় অনেক গরু অবিক্রীত থেকে যাবে। এই গরু নিয়ে তাঁদের কাঁদতে হবে।
আজ তিনটহরী বাজার ঘুরে দেখা যায়, মুসলিমপাড়ার মো. হুমায়ুন মোটাতাজা করা বড় একটি ও মাঝারি কয়েকটি গরু এনেছেন। তিনি বড় গরুটি (৭০০ কেজি) দাম ৩ লাখ টাকা হাঁকিয়েছেন। এক ক্রেতা একবার ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা বলে আর আসেননি। হুমায়ুন জানান, বড় গরুর চাহিদা এবার নেই। হাসিল গ্রহীতা আলমগীর হোসেন বলেন, ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা আজকের বাজারে বেশি। এ ছাড়া কোরবানির ঈদ সন্নিকটে হওয়ায় এবং বৃষ্টির কারণে শহরের পাইকার আসা কমে যাওয়ায় পাহাড়ে এবার অনেক গরু অবিক্রীত থেকে যাবে। মরাডলু থেকে গরু নিয়ে বাজারে আসা মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘মাঝারি তিনটি গরু নিয়ে সকালে বাজারে আসলাম। দুপুর পর্যন্ত দু-তিনজন ছাড়া কেউই দাম হাঁকেনি। হাঁকানো দামও সন্তোষজনক নয়। গরু এবার আমাদের কাঁদাবে।’
মো. মহিউদ্দীন নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘বাজারে এখনো প্রচুর গরু। কিন্তু ক্রেতা কম। ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ বা দেড় লাখ টাকার গরু বেচাকেনা বেশি। আমি ১ লাখ ৫ হাজার টাকায় একটি নিয়েছি। ভাইয়েরা মিলে কোরবানি দিব।’ স্থানীয় গরু ব্যবসায়ী মো. আমির হোসেন বলেন, ‘গরু এবার আমাদের কাঁদিয়ে ছাড়বে। অনেক আশা নিয়ে কয়েকটি বড় গরু মোটাতাজা করেছিলাম। কিন্তু এখনো কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় বিক্রি করিনি। বিশেষ করে এলাকার প্রভাবশালী কোরবানিদাতারা এলাকার বাইরে থাকায় বড় গরুর কদর নেই। দেখি শেষ মুহূর্তে বেচতে না পারলে গরু শহরে নেওয়া যায় কি না।’
এদিকে পশুর বাজারে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংক পিএলসি নকল টাকা শনাক্তকরণ সেবা এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা গরুর স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বুথ বসিয়ে সেবা দিচ্ছেন। এ ছাড়া পশুর হাট-বাজারের নিরাপত্তায় পুলিশ কাজ করছে। মানিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেন, কোরবানির বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতার নিরাপত্তায় পুলিশের একটি দল দায়িত্ব পালন করছে।

মেঘে মেঘে বেলা শেষ। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি শেষে আজ বুধবার পাহাড়ে কোরবানির হাটে পশু বেচাকেনায় কিছুটা গতি এসেছে। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও বৃষ্টি না হওয়ায় গরু দেখতে আসছেন ক্রেতারা। আজ খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী উপজেলা থেকেও তিনটহরী বাজারে অনেক গরু তোলা হয়। বিকেল নাগাদ হাজারের বেশি গরু বিক্রি হয়েছে। ছোট ও মাঝারি গরু বিক্রি হয়েছে বেশি। বড় গরু বিক্রি নেই বললেই চলে। তবে বিক্রেতারা বলেছেন, টানা বৃষ্টির কারণে এবার ক্রেতা কম হওয়ায়; বিশেষ করে শহরের পাইকারেরা না আসায় অনেক গরু অবিক্রীত থেকে যাবে। এই গরু নিয়ে তাঁদের কাঁদতে হবে।
আজ তিনটহরী বাজার ঘুরে দেখা যায়, মুসলিমপাড়ার মো. হুমায়ুন মোটাতাজা করা বড় একটি ও মাঝারি কয়েকটি গরু এনেছেন। তিনি বড় গরুটি (৭০০ কেজি) দাম ৩ লাখ টাকা হাঁকিয়েছেন। এক ক্রেতা একবার ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা বলে আর আসেননি। হুমায়ুন জানান, বড় গরুর চাহিদা এবার নেই। হাসিল গ্রহীতা আলমগীর হোসেন বলেন, ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা আজকের বাজারে বেশি। এ ছাড়া কোরবানির ঈদ সন্নিকটে হওয়ায় এবং বৃষ্টির কারণে শহরের পাইকার আসা কমে যাওয়ায় পাহাড়ে এবার অনেক গরু অবিক্রীত থেকে যাবে। মরাডলু থেকে গরু নিয়ে বাজারে আসা মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘মাঝারি তিনটি গরু নিয়ে সকালে বাজারে আসলাম। দুপুর পর্যন্ত দু-তিনজন ছাড়া কেউই দাম হাঁকেনি। হাঁকানো দামও সন্তোষজনক নয়। গরু এবার আমাদের কাঁদাবে।’
মো. মহিউদ্দীন নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘বাজারে এখনো প্রচুর গরু। কিন্তু ক্রেতা কম। ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ বা দেড় লাখ টাকার গরু বেচাকেনা বেশি। আমি ১ লাখ ৫ হাজার টাকায় একটি নিয়েছি। ভাইয়েরা মিলে কোরবানি দিব।’ স্থানীয় গরু ব্যবসায়ী মো. আমির হোসেন বলেন, ‘গরু এবার আমাদের কাঁদিয়ে ছাড়বে। অনেক আশা নিয়ে কয়েকটি বড় গরু মোটাতাজা করেছিলাম। কিন্তু এখনো কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় বিক্রি করিনি। বিশেষ করে এলাকার প্রভাবশালী কোরবানিদাতারা এলাকার বাইরে থাকায় বড় গরুর কদর নেই। দেখি শেষ মুহূর্তে বেচতে না পারলে গরু শহরে নেওয়া যায় কি না।’
এদিকে পশুর বাজারে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংক পিএলসি নকল টাকা শনাক্তকরণ সেবা এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা গরুর স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বুথ বসিয়ে সেবা দিচ্ছেন। এ ছাড়া পশুর হাট-বাজারের নিরাপত্তায় পুলিশ কাজ করছে। মানিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেন, কোরবানির বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতার নিরাপত্তায় পুলিশের একটি দল দায়িত্ব পালন করছে।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে