কক্সবাজার প্রতিনিধি

কেনা শাড়ি বদলিয়ে আরেকটি নিতে চাওয়ায় দোকানদার এক নারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে ভুক্তভোগী নারী দীপু বড়ুয়া (৪৯) বাদী হয়ে কক্সবাজারের উখিয়া থানায় মামলা করেছেন। মামলার আসামিরা হলেন উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক রুমখাঁ ক্লাসপাড়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ হাশেম ওরফে লুলু এবং তাঁর ছেলে আব্দুল হক। তাঁরা কোটবাজার স্টেশনের চৌধুরী মার্কেটের জাহানারা বস্ত্র বিতানের স্বত্বাধিকারী। উখিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল খালেক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এসআই আব্দুল খালেক জানান, উখিয়ার রত্নাপালং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম রত্না এলাকার অনন্ত বড়ুয়ার স্ত্রী দীপু বড়ুয়া ৮ জুলাই বিকেলে জাহানারা বস্ত্র বিতান থেকে দুটি শাড়িসহ আরও কিছু কাপড়চোপড় কেনেন। এর মধ্যে একটি শাড়ি অপছন্দ হওয়ায় পরদিন সন্ধ্যায় সেটি বদলে আরেকটি নিতে দোকানটিতে যান। এ নিয়ে দোকানদারের সঙ্গে দীপু বড়ুয়ার তর্কাতর্কির হয়। একপর্যায়ে দোকানের মালিক ও কর্মচারী মিলে তাঁকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল খালেক বলেন, ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে ভুক্তভোগী নারী দীপু বড়ুয়া বলেন, ‘একটি শাড়ি বাড়িতে নেওয়ার পর অপছন্দ হওয়ায় পরদিন দোকানদারের কাছে আরেকটি পাল্টে দেওয়ার অনুরোধ করি। কিন্তু দোকানদার শাড়ি পাল্টে না দিয়ে উল্টো খেপে গিয়ে আমাকে অশ্রাব্য গালাগাল করতে থাকে। এ সময় প্রতিবাদ করলে দোকানদার আব্দুল হক ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে কিলঘুষি ও লাথি মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। আমার মেয়ে ও দেবরের স্ত্রী উদ্ধারে এগিয়ে এলে তাদেরও হেনস্তা করা হয়। একপর্যায়ে আব্দুল হক চুলের মুঠি ধরে আমাকে টানাহেঁচড়া করে একপ্রকার বিবস্ত্র অবস্থায় দোকান থেকে বের করে দেয়।’
এদিকে মামলা তুলে নিতে কয়েকজন প্রভাবশালী লোক নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নারীর দেবর অজিত বড়ুয়া। তিনি বলেন, ‘এ অবস্থায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও এসআই আব্দুল খালেক জানান, মামলাটি তদন্তের পাশাপাশি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
এদিকে ভুক্তভোগী নারীকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে দোকানদার আব্দুল হক বলেন, ‘যে শাড়ি ফেরত দিতে এনেছিল, সেটির ভাঁজ ভাঙা ছিল। এ বিষয়টি ওই নারীকে নানাভাবে চেষ্টা করেও বোঝাতে পারিনি। আমি নই, ওই নারীই আমাকে আগে মারতে উঠে।’

কেনা শাড়ি বদলিয়ে আরেকটি নিতে চাওয়ায় দোকানদার এক নারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে ভুক্তভোগী নারী দীপু বড়ুয়া (৪৯) বাদী হয়ে কক্সবাজারের উখিয়া থানায় মামলা করেছেন। মামলার আসামিরা হলেন উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক রুমখাঁ ক্লাসপাড়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ হাশেম ওরফে লুলু এবং তাঁর ছেলে আব্দুল হক। তাঁরা কোটবাজার স্টেশনের চৌধুরী মার্কেটের জাহানারা বস্ত্র বিতানের স্বত্বাধিকারী। উখিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল খালেক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এসআই আব্দুল খালেক জানান, উখিয়ার রত্নাপালং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম রত্না এলাকার অনন্ত বড়ুয়ার স্ত্রী দীপু বড়ুয়া ৮ জুলাই বিকেলে জাহানারা বস্ত্র বিতান থেকে দুটি শাড়িসহ আরও কিছু কাপড়চোপড় কেনেন। এর মধ্যে একটি শাড়ি অপছন্দ হওয়ায় পরদিন সন্ধ্যায় সেটি বদলে আরেকটি নিতে দোকানটিতে যান। এ নিয়ে দোকানদারের সঙ্গে দীপু বড়ুয়ার তর্কাতর্কির হয়। একপর্যায়ে দোকানের মালিক ও কর্মচারী মিলে তাঁকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল খালেক বলেন, ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে ভুক্তভোগী নারী দীপু বড়ুয়া বলেন, ‘একটি শাড়ি বাড়িতে নেওয়ার পর অপছন্দ হওয়ায় পরদিন দোকানদারের কাছে আরেকটি পাল্টে দেওয়ার অনুরোধ করি। কিন্তু দোকানদার শাড়ি পাল্টে না দিয়ে উল্টো খেপে গিয়ে আমাকে অশ্রাব্য গালাগাল করতে থাকে। এ সময় প্রতিবাদ করলে দোকানদার আব্দুল হক ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে কিলঘুষি ও লাথি মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। আমার মেয়ে ও দেবরের স্ত্রী উদ্ধারে এগিয়ে এলে তাদেরও হেনস্তা করা হয়। একপর্যায়ে আব্দুল হক চুলের মুঠি ধরে আমাকে টানাহেঁচড়া করে একপ্রকার বিবস্ত্র অবস্থায় দোকান থেকে বের করে দেয়।’
এদিকে মামলা তুলে নিতে কয়েকজন প্রভাবশালী লোক নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নারীর দেবর অজিত বড়ুয়া। তিনি বলেন, ‘এ অবস্থায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও এসআই আব্দুল খালেক জানান, মামলাটি তদন্তের পাশাপাশি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
এদিকে ভুক্তভোগী নারীকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে দোকানদার আব্দুল হক বলেন, ‘যে শাড়ি ফেরত দিতে এনেছিল, সেটির ভাঁজ ভাঙা ছিল। এ বিষয়টি ওই নারীকে নানাভাবে চেষ্টা করেও বোঝাতে পারিনি। আমি নই, ওই নারীই আমাকে আগে মারতে উঠে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে