নোয়াখালী প্রতিনিধি

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে পুলিশের গুলিতে শহীদ শাহাদাত হোসেন শাওনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। সোমবার (২৬ মে) দুপুরে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নের খাজুরিয়া সর্দারপাড়া এলাকার শাওনের পারিবারিক কবরস্থান থেকে মরদেহটি উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জাহিদুল ইসলামের উপস্থিতিতে কবরস্থান থেকে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়। এ সময় সেনবাগ সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার কামাল উদ্দিন, সেনবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক হযরত আলী মিলন, স্থানীয় কেশারাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল হক সুমন, যাত্রাবাড়ী থানার এসআই ইমরান হোসেন, সিআইডির একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
শহীদ শাহাদাত হোসেন শাওন উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নের খাজুরিয়া সর্দারপাড়ার বাছির আলমের ছেলে। চার ভাই, এক বোনের মধ্যে সে ছিল সবার ছোট। সে ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে একটি মাদ্রাসার ছাত্র ছিল।
শাওনের বাবা বাছির আলম বলেন, ‘৫ আগস্ট বিকেলে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে মিছিলে অংশগ্রহণ করেছিল আমার ছেলে। এ সময় পুলিশের এলোপাতাড়ি গুলিতে গুরুতর আহত হয় সে। তার মাথায় গুলি লেগেছিল। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাকে দাফন করা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার ছেলে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে, এটা সবাই জানে। ঘটনাটি তদন্ত করলে সঠিক কারণ বেরিয়ে আসবে। আমার ছেলের হত্যায় যারা জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’ এ ঘটনায় ২০২৪ সালে বাছির আলম বাদী হয়ে প্রথমে আদালতে, পরে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। দুটি মামলায় ৮২ জনের নাম উল্লেখ করা হয় বলে জানান তিনি।
দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আদালতের নির্দেশে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত শাহাদাত হোসেন শাওনের মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে।’

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে পুলিশের গুলিতে শহীদ শাহাদাত হোসেন শাওনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। সোমবার (২৬ মে) দুপুরে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নের খাজুরিয়া সর্দারপাড়া এলাকার শাওনের পারিবারিক কবরস্থান থেকে মরদেহটি উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জাহিদুল ইসলামের উপস্থিতিতে কবরস্থান থেকে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়। এ সময় সেনবাগ সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার কামাল উদ্দিন, সেনবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক হযরত আলী মিলন, স্থানীয় কেশারাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল হক সুমন, যাত্রাবাড়ী থানার এসআই ইমরান হোসেন, সিআইডির একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
শহীদ শাহাদাত হোসেন শাওন উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নের খাজুরিয়া সর্দারপাড়ার বাছির আলমের ছেলে। চার ভাই, এক বোনের মধ্যে সে ছিল সবার ছোট। সে ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে একটি মাদ্রাসার ছাত্র ছিল।
শাওনের বাবা বাছির আলম বলেন, ‘৫ আগস্ট বিকেলে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে মিছিলে অংশগ্রহণ করেছিল আমার ছেলে। এ সময় পুলিশের এলোপাতাড়ি গুলিতে গুরুতর আহত হয় সে। তার মাথায় গুলি লেগেছিল। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাকে দাফন করা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার ছেলে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে, এটা সবাই জানে। ঘটনাটি তদন্ত করলে সঠিক কারণ বেরিয়ে আসবে। আমার ছেলের হত্যায় যারা জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’ এ ঘটনায় ২০২৪ সালে বাছির আলম বাদী হয়ে প্রথমে আদালতে, পরে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। দুটি মামলায় ৮২ জনের নাম উল্লেখ করা হয় বলে জানান তিনি।
দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আদালতের নির্দেশে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত শাহাদাত হোসেন শাওনের মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে