লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরে বিনম্র শ্রদ্ধায় ভাষাশহীদদের স্মরণ করছেন জেলার সর্বস্তরের মানুষ। একুশের প্রথম প্রহরে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে লক্ষ্মীপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান জেলা প্রশাসক রাজিব কুমার সরকার।
পরে পুলিশ সুপার আকতার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ প্রশাসন এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। আজ শুক্রবার ভোর থেকে শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির নেতৃত্বে শহীদ মিনারে আসেন জেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীরা। তাঁরা শহীদবেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
এ সময় জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান, জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আহমেদ ফেরদৌস মানিক, জেলা যুবদলের সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মহসিন কবির স্বপন, সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন। এরপর একে একে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়।
শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘আজকের দিনটি জাতির কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাতৃভাষার জন্য সালাম, বরকত জব্বারসহ যারা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে। ভাষার জন্য যে লড়াই হয়েছে, সেই লড়াইয়ের ধারাবাহিকতায় স্বাধিকার আন্দোলন, স্বাধীনতার আন্দোলন হয়েছিল।’
দিবসটি উদ্যাপনে জেলার পাঁচটি উপজেলায় সকাল থেকে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজে মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, কালো ব্যাজ ধারণ, শোভাযাত্রা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

লক্ষ্মীপুরে বিনম্র শ্রদ্ধায় ভাষাশহীদদের স্মরণ করছেন জেলার সর্বস্তরের মানুষ। একুশের প্রথম প্রহরে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে লক্ষ্মীপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান জেলা প্রশাসক রাজিব কুমার সরকার।
পরে পুলিশ সুপার আকতার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ প্রশাসন এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। আজ শুক্রবার ভোর থেকে শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির নেতৃত্বে শহীদ মিনারে আসেন জেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীরা। তাঁরা শহীদবেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
এ সময় জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান, জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আহমেদ ফেরদৌস মানিক, জেলা যুবদলের সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মহসিন কবির স্বপন, সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন। এরপর একে একে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়।
শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘আজকের দিনটি জাতির কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাতৃভাষার জন্য সালাম, বরকত জব্বারসহ যারা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে। ভাষার জন্য যে লড়াই হয়েছে, সেই লড়াইয়ের ধারাবাহিকতায় স্বাধিকার আন্দোলন, স্বাধীনতার আন্দোলন হয়েছিল।’
দিবসটি উদ্যাপনে জেলার পাঁচটি উপজেলায় সকাল থেকে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজে মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, কালো ব্যাজ ধারণ, শোভাযাত্রা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আমরা অতিরিক্ত সুবিধা চাই না, ন্যায়বিচার চাই। তাহরিমা জান্নাত সুরভী নাগরিক সুবিধা পাননি। তাঁর সাথে কোনো ন্যায়বিচার করা হয়নি। একটি মিথ্যা মামলায় তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।’
১৩ মিনিট আগে
দেশে আগামী মাসের ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এই গণভোট সামনে রেখে এরই মধ্যে সরকারের তরফ থেকে শুরু হয়েছে প্রচারণা। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে ভোটের গাড়ি। তবে মৌলভীবাজারে এই প্রচারণা সীমাবদ্ধ রয়েছে কেবল জেলা শহর পর্যন্ত। কিন্তু জেলার ৯২টি চা-বাগানের ভোটার এবং
৭ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণের কাজ আট বছরেও শুরু হয়নি। জমি অধিগ্রহণ ও সাইনবোর্ড স্থাপনেই থেমে আছে প্রকল্প। এদিকে উপজেলার কোথাও অগ্নিকাণ্ড ঘটলে সময়মতো ফায়ার সার্ভিসের সেবা মিলছে না।
৭ ঘণ্টা আগে
তীব্র শীত এবং ঘন কুয়াশার কারণে গাইবান্ধা ও নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় বোরো ধানের বীজতলায় ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। অনেক জায়গায় চারা মরে যাচ্ছে, আবার জীবিত চারাগুলো হলদে হয়ে পাতা নষ্ট হচ্ছে। ছত্রাকনাশক ও বালাইনাশক প্রয়োগ করেও কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে জমিতে চারা রোপণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকে
৭ ঘণ্টা আগে