পার্বত্য জেলা রাঙামাটির বিভিন্ন এলাকার পাহাড়ে প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেয় উলফুল। এই উলফুল ঘর ঝাড়ুর কাজে ব্যবহিত হয় গ্রাম থেকে শুরু করে শহরে-বন্দরে। ঘর পরিচ্ছন্নতার কাজে এর জুড়ি মেলা ভার, তাইতো উলফুলের চাহিদা ব্যাপক। দিনে দিনে সমতলেও বাড়ছে এর চাহিদা।
রাঙামাটির বিভিন্ন এলাকার পাহাড়ের প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো এই উলফুল স্থানীয় হাট-বাজারগুলোর চাহিদা মিটিয়ে বিক্রির জন্য নেওয়া হচ্ছে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। এটি বিক্রি করে আর্থিকভাবে সচ্ছল হয়ে উঠছেন এ অঞ্চলের নারী-পুরুষেরা।
গতকাল বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক হাটে নানিয়ারচর গিলাছড়ি বাজারে দেখা মিলে এই পাহাড়ি ঝাড়ুর। হাটবাজারে অর্ধেক জুড়েই যেন বিক্রির জন্য আনা হয়েছে পাহাড়ি ফুলের এই ঝাড়ু।
পাহাড়িয়া ঝাড়ুগুলো বিক্রি করতে আনা জগৎ চাকমা বলেন, ‘আজকের হাটে প্রায় ১০ হাজার পাহাড়ি ঝাড়ু এনেছি। আমার পাহাড়ে প্রায় ২ একর জমিতে ফলেছে ঝাড়ু ফুল। ৫০০টি বিক্রি করছি ২০০-২৫০ টাকায়। যেখানে একটির দাম আসে দুই বা আড়াই টাকা।’
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আহসান হাবিব বলেন, ‘চাহিদা থাকায় নানিয়ারচরের বিভিন্ন স্থান থেকে উল ফুল সংগ্রহ করে পাহাড়ি-বাঙালি নিম্ন আয়ের নারী-পুরুষেরা। পাহাড়ের বন-জঙ্গল থেকে সংগ্রহ করা উল ফুলের আঁটি বানিয়ে ঝাড়ু হিসেবে প্রতিদিন স্থানীয় হাট-বাজারগুলোতে বিক্রি করেন শ্রমজীবী মানুষেরা।’

নীলফামারীর সৈয়দপুরে রেলওয়ের প্রায় ৫০ শতকের একটি জলাশয় ভরাট করে প্লট আকারে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে মাটি ফেলে জলাশয়ের অর্ধেকের বেশি অংশ ভরাট করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাহমুদ আলী নামের এক ব্যক্তি মাছ চাষের জন্য ইজারা নিয়ে ওই জমি প্লট আকারে বিক্রি করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
ওমানে গাড়ির ভেতরে মারা যাওয়া চার সন্তানের করুণ পরিণতি সম্পর্কে এখনো জানেন না তাঁদের মা খাদিজা বেগম। বয়সের ভার ও রোগে এমনিতেই বেশ কাবু তিনি। স্বামীহীন সংসারের ঘানি টানতে টানতে ক্লান্তও। মারা যাওয়া চার ছেলেসহ পাঁচ ছেলেকে ছোট রেখেই মারা যান তাঁদের বাবা জামাল উদ্দিন।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রায় ৫৩ হাজার একর সংরক্ষিত বনভূমি রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। এই বনভূমি দেখভালের জন্য শত বছর ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা থাকছে। আইনে রয়েছে, বনের ভেতরে পাকা স্থাপনা বা ঘর তৈরি করা যাবে না। তবে কয়েক বছর ধরে সেই আইন উপেক্ষা করে অবৈধভাবে পাকা ঘর তৈরি করছে অনেকে।
৫ ঘণ্টা আগে
নওগাঁ জেলা ধান-চাল উৎপাদনে বরাবরই সমৃদ্ধ। বর্তমানে এ জেলায় চলছে বোরো ধান কাটার মৌসুম। এরই মধ্যে বেশির ভাগই ধান ঘরে তুলেছেন কৃষক। হাট-বাজারে রয়েছে পর্যাপ্ত ধানের সরবরাহ। বোরোর এই ভরা মৌসুমে স্বাভাবিকভাবে চালের দাম নিম্নমুখী হওয়ার কথা থাকলেও নওগাঁর বাজারে বিপরীত চিত্র মিলেছে।
৫ ঘণ্টা আগে