নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও জাতীয় পার্টির নেতা মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় চার্জ গঠনের জন্য ১৬ মার্চ নির্ধারণ করেছে আদালত। আজ রোববার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ফরিদা ইয়াসমিনের আদালত নতুন তারিখ ধার্য করে এ আদেশ দেন।
চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি ও রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘২০১৮ সালে বাঁশখালীতে দায়ের হওয়া মামলাটির আজ অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে চার্জ গঠনের দিন ধার্য ছিল। এ সময় আদালতে শুনানি শেষে নতুন এ আদেশ দেন।’
শেখ ইফতেখার সাইমুল আরও বলেন, ‘এর আগে ২০১৯ সালে ১৭ অক্টোবর একই আদালতে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হয়েছিল। ওই আদেশের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ সংক্ষুব্ধ হয়ে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারি রিভিশন মামলা করেন। পরে ৫ম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজের আদালত মামলাটি অভিযোগ গঠন ও ডিসচার্জ শুনানির নির্দেশনা প্রদান করে মামলাটি নিম্ন বিচারিক আদালতে প্রেরণ করেন।’
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালে দুর্গাপূজার সময় বাঁশখালী ৬ নম্বর বৈলছড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম চেচুরিয়া গ্রামে একটি পূজা মণ্ডপে চসিকের সাবেক মেয়র মাহমুদুলের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ উঠে। ওই ঘটনায় বাঁশখালী পূজা উদ্যাপন পরিষদের তৎকালীন যুগ্ম আহ্বায়ক স্বপন দাশ বাদী হয়ে বাঁশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি নালিশি মামলা করেন। মামলায় একমাত্র আসামি করা হয় মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীকে।
উল্লেখ্য, জাতীয় পার্টির নেতা মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র ছিলেন। তিনি ১৯৮৯ থেকে ১৯৯০ নাল পর্যন্ত মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও জাতীয় পার্টির নেতা মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় চার্জ গঠনের জন্য ১৬ মার্চ নির্ধারণ করেছে আদালত। আজ রোববার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ফরিদা ইয়াসমিনের আদালত নতুন তারিখ ধার্য করে এ আদেশ দেন।
চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি ও রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘২০১৮ সালে বাঁশখালীতে দায়ের হওয়া মামলাটির আজ অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে চার্জ গঠনের দিন ধার্য ছিল। এ সময় আদালতে শুনানি শেষে নতুন এ আদেশ দেন।’
শেখ ইফতেখার সাইমুল আরও বলেন, ‘এর আগে ২০১৯ সালে ১৭ অক্টোবর একই আদালতে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হয়েছিল। ওই আদেশের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ সংক্ষুব্ধ হয়ে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারি রিভিশন মামলা করেন। পরে ৫ম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজের আদালত মামলাটি অভিযোগ গঠন ও ডিসচার্জ শুনানির নির্দেশনা প্রদান করে মামলাটি নিম্ন বিচারিক আদালতে প্রেরণ করেন।’
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালে দুর্গাপূজার সময় বাঁশখালী ৬ নম্বর বৈলছড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম চেচুরিয়া গ্রামে একটি পূজা মণ্ডপে চসিকের সাবেক মেয়র মাহমুদুলের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ উঠে। ওই ঘটনায় বাঁশখালী পূজা উদ্যাপন পরিষদের তৎকালীন যুগ্ম আহ্বায়ক স্বপন দাশ বাদী হয়ে বাঁশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি নালিশি মামলা করেন। মামলায় একমাত্র আসামি করা হয় মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীকে।
উল্লেখ্য, জাতীয় পার্টির নেতা মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র ছিলেন। তিনি ১৯৮৯ থেকে ১৯৯০ নাল পর্যন্ত মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে