নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) আছে ১৩৩টি। এর মধ্যে ৯৬টির মেয়াদ শেষই এতে নির্ধারিত সময়ে ট্রেন পরিচালনা করা যাচ্ছে না। এতে যাত্রীদের সেবার প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না রেল। তাই রেলের গতি ফেরাতে নতুন কেনা ৩০টি ইঞ্জিনকে ধরলেও ৬৬টি ইঞ্জিন দরকার বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
একটি ইঞ্জিনের মেয়াদকাল ২০ বছর। অথচ পূর্বাঞ্চলে ১৯৫৩, ১৯৬১, ১৯৭৮, ১৯৭৯, ১৯৮২ সালের ইঞ্জিনও আছে। আয়ুষ্কাল শেষ হওয়া ইঞ্জিন দিয়ে ট্রেন চলায় গতি যেমন কমছে তেমনি কমছে ইঞ্জিনের গড় কর্মঘণ্টাও। এতে গন্তব্যে পৌঁছানোতে লাগছে বাড়তি সময়। মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয়ও ঘটছে প্রায়ই।
তাই সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন ইঞ্জিন বহরে যোগ না হওয়া পর্যন্ত ট্রেনের সময় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।
পূর্বাঞ্চলের যান্ত্রিক বিভাগ থেকে পাওয়া তথ্য ঘেঁটে দেখা গেছে, ১৩৩টি ইঞ্জিনের মধ্যে ২০০০ সিরিজের ইঞ্জিন আছে ৬টি। যেগুলো ১৯৫৩ সালে কেনা হয়। ১৯৬১ সালে কেনা ২২০০ সিরিজের ইঞ্জিন আছে ১৭টি। ১৯৭৯ সালে কেনা ২৩০০ সিরিজের ইঞ্জিন আছে ১২টি। ১৯৭৮ সালে কেনা ২৪০০ সিরিজের ইঞ্জিন আছে ৪টি। ১৯৮১ সালে কেনা ২৫০০ সিরিজের ইঞ্জিন ১৫।
১৯৮৮ সালে কেনা ২৬০০ সিরিজের ইঞ্জিন ১৬টি। ১৯৯৫ সালে কেনা ২৭০০ সিরিজের ইঞ্জিন ২১টি ও ২৮০০ সিরিজের ইঞ্জিন ৫টি। ১৯৯৯-২০১৩ সাল পর্যন্ত কেনা ২৯০০ সিরিজের ইঞ্জিন আছে ৩৫টি এবং ৩২০০ সিরিজের ইঞ্জিন আছে ২টি। এই ১৩৩টি ইঞ্জিনের মধ্যে ১৯৯৫ সাল কিংবা এর আগে কেনা ৯৬টি ইঞ্জিন। ১৯৮১ সাল কিংবা এর আগে কেনা ৫৪টি।
যান্ত্রিক বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্বীকার করেন, যুক্ত হতে যাওয়া নতুন ৩০টি ইঞ্জিন ছাড়াও রেলের গতি আনতে আরও ৬৬টি নতুন ইঞ্জিন প্রয়োজন। কারণ আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে যাওয়ায় প্রতিবছর ইঞ্জিন নষ্ট হচ্ছে। অর্থাৎ যেসব ইঞ্জিন নষ্ট হচ্ছে, সেগুলো সংস্কার করারও উপায় নেই।
এই কর্মকর্তা জানান, ১৯৬৯-১৯৭০ সালে সর্বশেষ হিসেবে ৪৮৬টি ইঞ্জিন রেলবহরে ছিল। সেটি ২০০৮-০ সালেও এসে দাঁড়ায় ২৮৬টিতে। ৩৮ বছরে প্রায় ২০০টি ইঞ্জিন একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। সর্বশেষ হিজাব মতে ২৬৩টি ইঞ্জিন রেলবহরে থাকলেও গত এক বছরে ১০টি ইঞ্জিন নষ্ট হয়।
পূর্বাঞ্চল আর পশ্চিমাঞ্চল মিলিয়ে গত এক দশকে ১০০টিরও বেশি নতুন ট্রেন বহরে যুক্ত হওয়ায় পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে। কারণ ট্রেন বাড়লেও ইঞ্জিন বাড়েনি।
ইঞ্জিন সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) জাহাঙ্গীর হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ৩০ নতুন ইঞ্জিন বহরে যুক্ত হচ্ছে। সামনে আরও যুক্ত হবে। এতে ধীরে ধীরে ইঞ্জিন সংকট কাটবে।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) আছে ১৩৩টি। এর মধ্যে ৯৬টির মেয়াদ শেষই এতে নির্ধারিত সময়ে ট্রেন পরিচালনা করা যাচ্ছে না। এতে যাত্রীদের সেবার প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না রেল। তাই রেলের গতি ফেরাতে নতুন কেনা ৩০টি ইঞ্জিনকে ধরলেও ৬৬টি ইঞ্জিন দরকার বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
একটি ইঞ্জিনের মেয়াদকাল ২০ বছর। অথচ পূর্বাঞ্চলে ১৯৫৩, ১৯৬১, ১৯৭৮, ১৯৭৯, ১৯৮২ সালের ইঞ্জিনও আছে। আয়ুষ্কাল শেষ হওয়া ইঞ্জিন দিয়ে ট্রেন চলায় গতি যেমন কমছে তেমনি কমছে ইঞ্জিনের গড় কর্মঘণ্টাও। এতে গন্তব্যে পৌঁছানোতে লাগছে বাড়তি সময়। মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয়ও ঘটছে প্রায়ই।
তাই সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন ইঞ্জিন বহরে যোগ না হওয়া পর্যন্ত ট্রেনের সময় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।
পূর্বাঞ্চলের যান্ত্রিক বিভাগ থেকে পাওয়া তথ্য ঘেঁটে দেখা গেছে, ১৩৩টি ইঞ্জিনের মধ্যে ২০০০ সিরিজের ইঞ্জিন আছে ৬টি। যেগুলো ১৯৫৩ সালে কেনা হয়। ১৯৬১ সালে কেনা ২২০০ সিরিজের ইঞ্জিন আছে ১৭টি। ১৯৭৯ সালে কেনা ২৩০০ সিরিজের ইঞ্জিন আছে ১২টি। ১৯৭৮ সালে কেনা ২৪০০ সিরিজের ইঞ্জিন আছে ৪টি। ১৯৮১ সালে কেনা ২৫০০ সিরিজের ইঞ্জিন ১৫।
১৯৮৮ সালে কেনা ২৬০০ সিরিজের ইঞ্জিন ১৬টি। ১৯৯৫ সালে কেনা ২৭০০ সিরিজের ইঞ্জিন ২১টি ও ২৮০০ সিরিজের ইঞ্জিন ৫টি। ১৯৯৯-২০১৩ সাল পর্যন্ত কেনা ২৯০০ সিরিজের ইঞ্জিন আছে ৩৫টি এবং ৩২০০ সিরিজের ইঞ্জিন আছে ২টি। এই ১৩৩টি ইঞ্জিনের মধ্যে ১৯৯৫ সাল কিংবা এর আগে কেনা ৯৬টি ইঞ্জিন। ১৯৮১ সাল কিংবা এর আগে কেনা ৫৪টি।
যান্ত্রিক বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্বীকার করেন, যুক্ত হতে যাওয়া নতুন ৩০টি ইঞ্জিন ছাড়াও রেলের গতি আনতে আরও ৬৬টি নতুন ইঞ্জিন প্রয়োজন। কারণ আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে যাওয়ায় প্রতিবছর ইঞ্জিন নষ্ট হচ্ছে। অর্থাৎ যেসব ইঞ্জিন নষ্ট হচ্ছে, সেগুলো সংস্কার করারও উপায় নেই।
এই কর্মকর্তা জানান, ১৯৬৯-১৯৭০ সালে সর্বশেষ হিসেবে ৪৮৬টি ইঞ্জিন রেলবহরে ছিল। সেটি ২০০৮-০ সালেও এসে দাঁড়ায় ২৮৬টিতে। ৩৮ বছরে প্রায় ২০০টি ইঞ্জিন একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। সর্বশেষ হিজাব মতে ২৬৩টি ইঞ্জিন রেলবহরে থাকলেও গত এক বছরে ১০টি ইঞ্জিন নষ্ট হয়।
পূর্বাঞ্চল আর পশ্চিমাঞ্চল মিলিয়ে গত এক দশকে ১০০টিরও বেশি নতুন ট্রেন বহরে যুক্ত হওয়ায় পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে। কারণ ট্রেন বাড়লেও ইঞ্জিন বাড়েনি।
ইঞ্জিন সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) জাহাঙ্গীর হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ৩০ নতুন ইঞ্জিন বহরে যুক্ত হচ্ছে। সামনে আরও যুক্ত হবে। এতে ধীরে ধীরে ইঞ্জিন সংকট কাটবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে