কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার সদর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল উদ্দিন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ ৬ জনকে এবং র্যাব একজনকে আটক করেছে। তবে আজ সোমবার রাত ৮টা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়নি।
এদিকে এ ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বে গাফিলতির বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলামকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. হাসানুজ্জামান।
এসপি জানান, ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে এরই মধ্যে ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে ফয়সাল উদ্দিনের ওপর হামলার আগে তিনি পুলিশের কাছে তাঁকে বাঁচানোর আকুতি জানিয়ে ছিলেন। কিন্তু পুলিশ তাঁর যথাযথ নিরাপত্তা দিতে পারেনি বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার বিকেলে সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে ফয়সালের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে স্থানীয় সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমলসহ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতারা এ হত্যাকাণ্ডে পুলিশের গাফিলতির অভিযোগ তোলেন। তাঁরা এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি দায়িত্বে অবহেলার জন্য পুলিশেরও শাস্তি দাবি করেছেন। জানাজার আগে ছাত্রলীগ সেখানে বিক্ষোভ করেছে।
জানাজায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান কায়সারুল হক জুয়েল, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মাহমুদুল করিমসহ স্থানীয় নেতারা।
এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান বলেন, উত্তেজনার খবর পেয়ে উপপরিদর্শক (এসআই) আবু রায়হানসহ পুলিশের তিন সদস্য ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফয়সালকে অটোরিকশায় তুলে দেওয়া হয়। পরে ৫০ জনের অধিক একটি দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে ফয়সালের ওপর হামলা চালায়। এ সময় পুলিশ ১৬ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। তাৎক্ষণিক ফয়সালকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনার পথে অতিরিক্ত রক্তকরণে তাঁর মৃত্যু হয়।
গত রোববার সন্ধ্যায় খুরুশকুলে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলনে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল উদ্দিন নিহত হন। হত্যার আগে সম্মেলনস্থলে স্থানীয় আজিজ সিকদার ও জহিরের নেতৃত্বে কয়েকজন তাঁকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। এরপর আওয়ামী লীগ নেতারা থানা-পুলিশকে অবহিত করার পর পুলিশ সম্মেলনস্থলে যায়।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘পুলিশ নিরাপত্তার অভাবের বিষয়টি জেনেও ফয়সালকে রক্ষা করতে পারেনি।’
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রমজান আলী জানান, আজিজ ও জহিরের নেতৃত্বে হামলাকারীরা লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা করে। দুই-তিন মিনিটের মধ্যে ফয়সালকে এলোপাতাড়ি কোপায় ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়।
কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল বলেন, বছরখানেক আগে নুরুল হুদা নামের এক ছাত্রের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রতিপক্ষের লোকজন ফয়সালকে দোষারোপ করে হুমকি দিয়ে আসছিল। অথচ এ ঘটনায় ফয়সাল ছিল নির্দোষ। এ ঘটনার জেরে ফয়সালকে হত্যা করা হয়।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় পুলিশের গাফিলতির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে রাজনৈতিক কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
ফয়সালের মা তহুরা বেগম বলেন, ‘সম্মেলনে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে গিয়ে আমার ছেলেকে আওয়ামী লীগ ও পুলিশের উপস্থিতিতে খুন করা হয়েছে। আমার ছেলের খুনীদের ফাঁসি চাই এবং পুলিশের বিচার চাই।’
কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম সরকার এ ঘটনায় র্যাবের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে প্রধান অভিযুক্ত আজিজ সিকদারকে আটক করা হয়েছে।’

কক্সবাজার সদর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল উদ্দিন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ ৬ জনকে এবং র্যাব একজনকে আটক করেছে। তবে আজ সোমবার রাত ৮টা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়নি।
এদিকে এ ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বে গাফিলতির বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলামকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. হাসানুজ্জামান।
এসপি জানান, ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে এরই মধ্যে ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে ফয়সাল উদ্দিনের ওপর হামলার আগে তিনি পুলিশের কাছে তাঁকে বাঁচানোর আকুতি জানিয়ে ছিলেন। কিন্তু পুলিশ তাঁর যথাযথ নিরাপত্তা দিতে পারেনি বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার বিকেলে সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে ফয়সালের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে স্থানীয় সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমলসহ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতারা এ হত্যাকাণ্ডে পুলিশের গাফিলতির অভিযোগ তোলেন। তাঁরা এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি দায়িত্বে অবহেলার জন্য পুলিশেরও শাস্তি দাবি করেছেন। জানাজার আগে ছাত্রলীগ সেখানে বিক্ষোভ করেছে।
জানাজায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান কায়সারুল হক জুয়েল, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মাহমুদুল করিমসহ স্থানীয় নেতারা।
এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান বলেন, উত্তেজনার খবর পেয়ে উপপরিদর্শক (এসআই) আবু রায়হানসহ পুলিশের তিন সদস্য ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফয়সালকে অটোরিকশায় তুলে দেওয়া হয়। পরে ৫০ জনের অধিক একটি দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে ফয়সালের ওপর হামলা চালায়। এ সময় পুলিশ ১৬ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। তাৎক্ষণিক ফয়সালকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনার পথে অতিরিক্ত রক্তকরণে তাঁর মৃত্যু হয়।
গত রোববার সন্ধ্যায় খুরুশকুলে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলনে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল উদ্দিন নিহত হন। হত্যার আগে সম্মেলনস্থলে স্থানীয় আজিজ সিকদার ও জহিরের নেতৃত্বে কয়েকজন তাঁকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। এরপর আওয়ামী লীগ নেতারা থানা-পুলিশকে অবহিত করার পর পুলিশ সম্মেলনস্থলে যায়।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘পুলিশ নিরাপত্তার অভাবের বিষয়টি জেনেও ফয়সালকে রক্ষা করতে পারেনি।’
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রমজান আলী জানান, আজিজ ও জহিরের নেতৃত্বে হামলাকারীরা লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা করে। দুই-তিন মিনিটের মধ্যে ফয়সালকে এলোপাতাড়ি কোপায় ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়।
কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল বলেন, বছরখানেক আগে নুরুল হুদা নামের এক ছাত্রের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রতিপক্ষের লোকজন ফয়সালকে দোষারোপ করে হুমকি দিয়ে আসছিল। অথচ এ ঘটনায় ফয়সাল ছিল নির্দোষ। এ ঘটনার জেরে ফয়সালকে হত্যা করা হয়।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় পুলিশের গাফিলতির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে রাজনৈতিক কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
ফয়সালের মা তহুরা বেগম বলেন, ‘সম্মেলনে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে গিয়ে আমার ছেলেকে আওয়ামী লীগ ও পুলিশের উপস্থিতিতে খুন করা হয়েছে। আমার ছেলের খুনীদের ফাঁসি চাই এবং পুলিশের বিচার চাই।’
কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম সরকার এ ঘটনায় র্যাবের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে প্রধান অভিযুক্ত আজিজ সিকদারকে আটক করা হয়েছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে