চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম মেলঘর এলাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি দুর্গা মন্দিরে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে প্রতিমা ভাঙচুর করেছে। গতকাল রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়নের মেলঘর এলাকায় প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনাটি ঘটে।
প্রতিমা ভাঙচুরের খবর পেয়ে আজ সোমবার সকালে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমদ, পটিয়া থানার ওসি রেজাউল করিম মজুমদার, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ইউনুছ তালুকদার, দক্ষিণ জেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক রুবেল দেব, পটিয়া উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদ সভাপতি যদুরঞ্জন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্ত, পৌরসভার সভাপতি প্রণব দাশ, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ সাধারণ সম্পাদক তাপস দে, সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ দিপু, উপজেলা জন্মাষ্টমী পরিষদ সভাপতি শ্যামল মাস্টার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পূজা উদ্যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুমন দে জানান, পূজামণ্ডপ লোহার গ্রিলে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। কিন্তু রাতে কে বা কারা লোহার পাইপ দিয়ে প্রতিমার মাথা টেনে ভেঙে ফেলে। আজ সোমবার ভোরে প্রতিমা নির্মাণের কারিগররা মণ্ডপে কাজ করতে এলে প্রতিমার মাথা ভাঙা অবস্থায় দেখে কমিটির লোকজনকে খবর দেয়।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমদ জানান, পূজামণ্ডপে প্রতিমা ভাঙচুরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিমা মেরামত করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার গভীর রাত পর্যন্ত ওই ১০ জনকে সীমান্ত এলাকায় দেখা যায়। পরে হঠাৎ ভারতীয় সীমান্তের ফ্লাডলাইট বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় দুই ঘণ্টা পর আলো জ্বালানো হলে সেখানে আর কাউকে দেখা যায়নি।
১৮ মিনিট আগে
হাসপাতালের পাশে পুকুর। তবে তাতে নামার সুযোগ নেই। কারণ, এর পাশেই ফেলা মেডিকেল বর্জ্য (চিকিৎসাবর্জ্য)। আর এতে দূষিত হচ্ছে পানি। একই সঙ্গে দুর্গন্ধও ছড়াচ্ছে। এতে ভুগছে হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টারসহ আশপাশের বাসিন্দারা। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে সৃষ্ট দূষণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতেও রয়েছে তারা।
৭ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলমকে ফটিকছড়িতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মশাল মিছিলের একটি মামলায় আসামি করেছে পুলিশ। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলাটিতে তাঁকে ৩ নম্বর আসামি করা হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
যমুনার তীরঘেঁষা চৌহালী উপজেলার চর সলিমাবাদে বিকেলের আকাশ তখন মেঘলা। সামনে যমুনা নদী। একের পর এক ঢেউয়ের শব্দ। আর নদীর কাছেই মাটির চুলায় হাঁড়ি বসিয়ে রান্নায় ব্যস্ত ৬০ বছর বয়সী সাবিয়া বেগম। নদীর দিকে তাকাতেইা তাঁর চোখে পড়ে শুধু ভয়, স্মৃতি আর হারানোর গল্প।
৭ ঘণ্টা আগে