
অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে দল থেকে বহিষ্কার হতে পারেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলাম। দলের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। এরই মধ্যে বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী পরিষদের বৈঠক ডেকেছে জামায়াত। সেই বৈঠক থেকে আসতে পারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
জামায়াত সূত্রে জানা গেছে, গাজী নজরুলের ব্যক্তিগত অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর প্রকৃত ঘটনা তদন্তে জামায়াত ইসলামী একটি কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটি আজ বুধবার প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে গাজী নজরুলের নৈতিক স্খলনের প্রমাণ মিলেছে বলেও দাবি করছে সূত্রটি।
সূত্র আরও জানায়, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর দলের নির্বাহী কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বৈঠক থেকে কঠোর সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনা তদন্তে যে কমিটি করা হয়েছে, সে কমিটির প্রতিবেদন আমরা হাতে পেয়েছি। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি তিনি দোষী সাব্যস্ত হন, এ ক্ষেত্রে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি দল থেকে বহিষ্কার।’
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গাজী নজরুল ইসলাম ও এক অল্প বয়সী এক নারীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। এরপর নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে জামায়াতের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে পর্যবেক্ষণের কথা জানানো হয়। এ ছাড়া খোঁজখবর নিয়ে নজরুলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানায় দলটি।

হাসনাত আবদুল্লাহ শুরুতেই লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা প্রদানের জন্য ছয় মাসের আলটিমেটাম দিয়ে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন। আমরা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম এবং সমাধান-পরিকল্পনা প্রস্তাব করছি...
২ ঘণ্টা আগে
আজ আমাদের জন্য একটা আনন্দের দিন যে, এই দিনে সেই নেত্রী (খালেদা জিয়া) জন্ম নিয়েছিলেন। যিনি বাংলাদেশের ভাগ্যের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন এবং বাংলাদেশে বারবার তিনি নেতৃত্ব-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন। তিনি বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করবার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন...
৪ ঘণ্টা আগে
মুক্তিযুদ্ধের পর যে গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে তৈরি হয়েছিল, তা বাস্তবায়িত হয়নি। সেই রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির মধ্যেই একটি প্রতিক্রিয়াশীল পটপরিবর্তনের লক্ষ্যে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা
৫ ঘণ্টা আগে
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ম্যুরাল গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাই প্রমাণ করে ১৫ আগস্ট ও ৫ আগস্ট সেই একই রাজনৈতিক শক্তি বাংলাদেশের জন্মশত্রু-চিরশত্রুদের কাজ। তারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিচ্ছে, প্রতিহিংসা চরিতার্থ করছে...
৫ ঘণ্টা আগে