নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র-গুলিসহ আরিফ হোসেন নামের এক ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার নগরীর বারিক বিল্ডিং এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর আস্তানা থেকে বিদেশি একটি ৭.৬৫ এমএম পিস্তল ও ৫০টি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী রফিক আহমেদ এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ছিনতাইকারী দলের প্রধান আরিফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর আস্তানা থেকে ইতালির তৈরি একটি ৭.৬৫ এমএম পিস্তল ও ৫০টি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা আরিফের কাছে থেকে যে অস্ত্রটি উদ্ধার করেছি, সেটি ডবলমুরিং থানায় বেসরকারি ব্যক্তির জমা রাখা একটি অস্ত্র। যেটি গত ৫ আগস্ট লুট হয়েছিল। গুলির খোসাগুলোও থানা থেকে লুট করা।
ওসি কাজী রফিক আহমেদ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরিফ স্বীকার করেছেন, তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা অস্ত্র-গুলি ডবলমুরিং থানা থেকে লুট করা। তবে এগুলোর বাইরে তাঁর কাছে আরও অস্ত্র-গুলি আছে কিনা, তা কৌশলে এড়িয়ে যাচ্ছেন।
ওসি আরও বলেন, থানা লুটের মামলায় আরিফকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আবেদন করা হবে আদালতে। তা মঞ্জুর হলে রিমান্ডের আবেদন করা হবে। রিমান্ডে হয়তো তার কাছ থেকে তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
গ্রেপ্তার আরিফ অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ডাকাতি, ছিনতাই করে থাকেন। এই পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজির ১৩টি মামলা পাওয়া গেছে। আরও আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নগরীর বারেক বিল্ডিং এলাকায় ডাকাতদের আস্তানায় অভিযান চালাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে আহত হন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আহলাত ইবনে জামিল ও মো. নজরুল ইসলাম।
একই সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় মো. তারেক, মো. জুয়েল ও জাহেদুল ইসলাম নামের তিন ছিনতাইকারীকে। কিন্তু পলাতক ছিলেন তাঁদের দলনেতা আরিফ। ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।

চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র-গুলিসহ আরিফ হোসেন নামের এক ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার নগরীর বারিক বিল্ডিং এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর আস্তানা থেকে বিদেশি একটি ৭.৬৫ এমএম পিস্তল ও ৫০টি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী রফিক আহমেদ এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ছিনতাইকারী দলের প্রধান আরিফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর আস্তানা থেকে ইতালির তৈরি একটি ৭.৬৫ এমএম পিস্তল ও ৫০টি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা আরিফের কাছে থেকে যে অস্ত্রটি উদ্ধার করেছি, সেটি ডবলমুরিং থানায় বেসরকারি ব্যক্তির জমা রাখা একটি অস্ত্র। যেটি গত ৫ আগস্ট লুট হয়েছিল। গুলির খোসাগুলোও থানা থেকে লুট করা।
ওসি কাজী রফিক আহমেদ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরিফ স্বীকার করেছেন, তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা অস্ত্র-গুলি ডবলমুরিং থানা থেকে লুট করা। তবে এগুলোর বাইরে তাঁর কাছে আরও অস্ত্র-গুলি আছে কিনা, তা কৌশলে এড়িয়ে যাচ্ছেন।
ওসি আরও বলেন, থানা লুটের মামলায় আরিফকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আবেদন করা হবে আদালতে। তা মঞ্জুর হলে রিমান্ডের আবেদন করা হবে। রিমান্ডে হয়তো তার কাছ থেকে তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
গ্রেপ্তার আরিফ অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ডাকাতি, ছিনতাই করে থাকেন। এই পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজির ১৩টি মামলা পাওয়া গেছে। আরও আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নগরীর বারেক বিল্ডিং এলাকায় ডাকাতদের আস্তানায় অভিযান চালাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে আহত হন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আহলাত ইবনে জামিল ও মো. নজরুল ইসলাম।
একই সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় মো. তারেক, মো. জুয়েল ও জাহেদুল ইসলাম নামের তিন ছিনতাইকারীকে। কিন্তু পলাতক ছিলেন তাঁদের দলনেতা আরিফ। ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
২ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৩ ঘণ্টা আগে