রাঙামাটি প্রতিনিধি

কোনোভাবেই নৌ দুর্ঘটনা এড়ানো যাচ্ছে না কাপ্তাই হ্রদে। প্রতি বছর কোনো না কোনো দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে পর্যটকবাহী বোটগুলো। এতে ঘটছে প্রাণহানি। রাঙামাটির ডিসি বাংলো এলাকায় সবচেয়ে বেশি হচ্ছে নৌ দুর্ঘটনা। গত ৯ বছরে এ এলাকায় নৌ দুর্ঘটনায় মারা গেছে ১০ জন। দুর্ঘটনা রোধে প্রশাসনের নজরদারির দাবি উঠেছে।
১৯৬০ সালে কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের সময় নৌ চলাচলের সুবিধার্থে নিচু এলাকার গাছগুলো কেটে ফেলে তৎকালীন সরকার। তবে রাঙামাটি ডিসি বাংলো এলাকায় বড় গাছগুলো মাটির লেভেলে কেটে ফেলা সম্ভব হয়নি। অর্ধেকে কেটে ফেলে রাখা এসব গাছগুলো এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।
প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে গাছের গোড়াগুলো পানিতে ডুবুডুবু অবস্থায় থাকায় এসব গোড়ার ওপর প্রায় উঠে যাচ্ছে বোটগুলো। গত ৯ বছরে শুধু ডিসি বাংলো এলাকায় শতাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছন বোট মালিকরা। এতে মারা গেছে ১০ জন। সর্বশেষ গত ২০ ফেব্রুয়ারি মারা গেল ২ জন।
লঞ্চচালক জালাল উদ্দিন বলেন, ‘শুষ্ক মৌসুমে ডিসি বাংলো এলাকায় লঞ্চ চালাতে ভয় হয়। কারণ কোথায় গাছের গোড়া ডুবন্ত অবস্থায় আছে কারোর কাছে তথ্য নেই। ফলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
এদিকে কাপ্তাই হ্রদ সৃষ্টির পর আজ পর্যন্ত হ্রদে ঝুঁকিপূর্ণভাবে থাকা এসব গাছের গোড়াগুলো চিহ্নিত করতে পারেনি স্থানীয় প্রশাসন।
রাঙামাটি লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি মঈন উদ্দিন সেলিম বলেন, ‘প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে এ ধরনের দুর্ঘটনা বার বার ঘটছে। এর আগে একাধিকবার বলা হলেও প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়নি।’
জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত সোমবার দুর্ঘটনার পর বিআইডব্লিউটিএকে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা পাওয়ার পর কাজ শুরু করা হয়েছে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিএ চট্টগ্রাম অঞ্চলের নৌযান সহায়ক যন্ত্রাপাতি প্রকৌশলী মোশারফ হোসেন।

কোনোভাবেই নৌ দুর্ঘটনা এড়ানো যাচ্ছে না কাপ্তাই হ্রদে। প্রতি বছর কোনো না কোনো দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে পর্যটকবাহী বোটগুলো। এতে ঘটছে প্রাণহানি। রাঙামাটির ডিসি বাংলো এলাকায় সবচেয়ে বেশি হচ্ছে নৌ দুর্ঘটনা। গত ৯ বছরে এ এলাকায় নৌ দুর্ঘটনায় মারা গেছে ১০ জন। দুর্ঘটনা রোধে প্রশাসনের নজরদারির দাবি উঠেছে।
১৯৬০ সালে কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের সময় নৌ চলাচলের সুবিধার্থে নিচু এলাকার গাছগুলো কেটে ফেলে তৎকালীন সরকার। তবে রাঙামাটি ডিসি বাংলো এলাকায় বড় গাছগুলো মাটির লেভেলে কেটে ফেলা সম্ভব হয়নি। অর্ধেকে কেটে ফেলে রাখা এসব গাছগুলো এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।
প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে গাছের গোড়াগুলো পানিতে ডুবুডুবু অবস্থায় থাকায় এসব গোড়ার ওপর প্রায় উঠে যাচ্ছে বোটগুলো। গত ৯ বছরে শুধু ডিসি বাংলো এলাকায় শতাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছন বোট মালিকরা। এতে মারা গেছে ১০ জন। সর্বশেষ গত ২০ ফেব্রুয়ারি মারা গেল ২ জন।
লঞ্চচালক জালাল উদ্দিন বলেন, ‘শুষ্ক মৌসুমে ডিসি বাংলো এলাকায় লঞ্চ চালাতে ভয় হয়। কারণ কোথায় গাছের গোড়া ডুবন্ত অবস্থায় আছে কারোর কাছে তথ্য নেই। ফলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
এদিকে কাপ্তাই হ্রদ সৃষ্টির পর আজ পর্যন্ত হ্রদে ঝুঁকিপূর্ণভাবে থাকা এসব গাছের গোড়াগুলো চিহ্নিত করতে পারেনি স্থানীয় প্রশাসন।
রাঙামাটি লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি মঈন উদ্দিন সেলিম বলেন, ‘প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে এ ধরনের দুর্ঘটনা বার বার ঘটছে। এর আগে একাধিকবার বলা হলেও প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়নি।’
জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত সোমবার দুর্ঘটনার পর বিআইডব্লিউটিএকে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা পাওয়ার পর কাজ শুরু করা হয়েছে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিএ চট্টগ্রাম অঞ্চলের নৌযান সহায়ক যন্ত্রাপাতি প্রকৌশলী মোশারফ হোসেন।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৩ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৪ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৪ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৪ ঘণ্টা আগে