পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের পটিয়ায় পুলিশের সোর্স কায়েস হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি-বন্দর ও পশ্চিম) পুলিশ। গতকাল সোমবার সারা দিন চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে শনিবার (২০ জানুয়ারি) কর্ণফুলীর মইজ্জারটেক সিডিএ আবাসিক এলাকা থেকে কায়েসের লাশ উদ্ধার করা হয়। আজ মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে সংবাদ সম্মলন করে এ তথ্য জানান মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি-বন্দর ও পশ্চিম) পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আলী
গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন, মো. হুমায়ুন কবির ওরফে মাসুদ তালুকদার (৪৫), মো. খোকন ওরফে সোনা মিয়া (৩১), মো. রফিকুজ্জমান সানি মিয়া ওরফে আরফান (২২), মো. নজরুল ইসলাম ওরফে নজু (২৩), মো. রায়হান (২১) ও আব্দুল কাদের (২২)।
সংবাদ সম্মেলনে উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আলী জানান, মো. হুমায়ুন কবির ওরফে মাসুদ তালুকদার ও মো. কায়েস আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সোর্স হিসেবে কাজ করতেন। ৪ মাস আগে মাদক সংক্রান্ত কাজে তাঁরা রাঙামাটির এক মাদক ব্যবসায়ীর কাছে যান। প্রয়োজনীয় কথা সেরে তাঁরা চট্টগ্রামে ফেরেন। পরে আরেক দিন মাসুদ তালুকদার রাঙামাটির ওই মাদক ব্যবসায়ীর কাছে একা যান। তখন তাঁকে জানানো হয়, কায়েস বলেছেন তিনি (মাসুদ) পুলিশের সোর্স। এরপর মাসুদকে ওই ব্যবসায়ী আটকে রাখেন এবং তাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করেন। সেখান থেকে কোনোমতে তিনি পালিয়ে চট্টগ্রামে আসেন।
ফিরেই কায়েসকে খুনের পরিকল্পনা করেন মাসুদ। এজন্য তিনি লাখ টাকায় খুনি ভাড়া করেন। পরে ৬ জন মিলে গত শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর কায়েসকে খুন করে কর্ণফুলীর মইজ্জারটেক সিডিএ আবাসিক এলাকায় ফেলে পালিয়ে যায়।
সংবাদ সম্মেলনে উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আলী আরও জানান, কায়েসের লাশ উদ্ধারের পর ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযানে নামেন। লাশ উদ্ধারের পর টানা ২৪ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা কায়েসকে হত্যার কথা স্বীকারও করছেন। এদের মধ্যে মাসুদ তালুকদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৫টি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া এ ঘটনার সঙ্গে জাহিদ তালুকদার নামের আরও একজনের জড়িত থাকার কথা জানা গেছে। তিনি এখনো পলাতক আছেন। তাঁকেও গ্রেপ্তারে জন্য অভিযান চলছে।

চট্টগ্রামের পটিয়ায় পুলিশের সোর্স কায়েস হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি-বন্দর ও পশ্চিম) পুলিশ। গতকাল সোমবার সারা দিন চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে শনিবার (২০ জানুয়ারি) কর্ণফুলীর মইজ্জারটেক সিডিএ আবাসিক এলাকা থেকে কায়েসের লাশ উদ্ধার করা হয়। আজ মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে সংবাদ সম্মলন করে এ তথ্য জানান মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি-বন্দর ও পশ্চিম) পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আলী
গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন, মো. হুমায়ুন কবির ওরফে মাসুদ তালুকদার (৪৫), মো. খোকন ওরফে সোনা মিয়া (৩১), মো. রফিকুজ্জমান সানি মিয়া ওরফে আরফান (২২), মো. নজরুল ইসলাম ওরফে নজু (২৩), মো. রায়হান (২১) ও আব্দুল কাদের (২২)।
সংবাদ সম্মেলনে উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আলী জানান, মো. হুমায়ুন কবির ওরফে মাসুদ তালুকদার ও মো. কায়েস আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সোর্স হিসেবে কাজ করতেন। ৪ মাস আগে মাদক সংক্রান্ত কাজে তাঁরা রাঙামাটির এক মাদক ব্যবসায়ীর কাছে যান। প্রয়োজনীয় কথা সেরে তাঁরা চট্টগ্রামে ফেরেন। পরে আরেক দিন মাসুদ তালুকদার রাঙামাটির ওই মাদক ব্যবসায়ীর কাছে একা যান। তখন তাঁকে জানানো হয়, কায়েস বলেছেন তিনি (মাসুদ) পুলিশের সোর্স। এরপর মাসুদকে ওই ব্যবসায়ী আটকে রাখেন এবং তাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করেন। সেখান থেকে কোনোমতে তিনি পালিয়ে চট্টগ্রামে আসেন।
ফিরেই কায়েসকে খুনের পরিকল্পনা করেন মাসুদ। এজন্য তিনি লাখ টাকায় খুনি ভাড়া করেন। পরে ৬ জন মিলে গত শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর কায়েসকে খুন করে কর্ণফুলীর মইজ্জারটেক সিডিএ আবাসিক এলাকায় ফেলে পালিয়ে যায়।
সংবাদ সম্মেলনে উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আলী আরও জানান, কায়েসের লাশ উদ্ধারের পর ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযানে নামেন। লাশ উদ্ধারের পর টানা ২৪ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা কায়েসকে হত্যার কথা স্বীকারও করছেন। এদের মধ্যে মাসুদ তালুকদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৫টি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া এ ঘটনার সঙ্গে জাহিদ তালুকদার নামের আরও একজনের জড়িত থাকার কথা জানা গেছে। তিনি এখনো পলাতক আছেন। তাঁকেও গ্রেপ্তারে জন্য অভিযান চলছে।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১১ মিনিট আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
১৬ মিনিট আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তাছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
২৯ মিনিট আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩৬ মিনিট আগে